
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডে আঘাত হানলে ‘পূর্ণ শক্তি’ দিয়ে জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেল আবিব। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ‘ইরান যদি ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তাহলে আমরা পূর্ণ শক্তি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাব।’ তিনি জানান, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরায়েল প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক— উভয় ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
এদিকে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে ইসরায়েলে অতিরিক্ত কয়েক ডজন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক হামলায় ইরান এবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রোববার কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) স্থাপনায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে জর্ডান ও বাহরাইনেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তেহরান।
জর্ডানের রাজধানী আম্মানে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ছোড়া তিনটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। এ হামলাগুলো সরাসরি ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে না হলেও সংঘাত দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে আবারও পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছে তেল আবিব।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে ইরান সরে দাঁড়িয়েছে কি না, তা নিয়ে তিনি ‘একেবারেই চিন্তিত নন’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘নরকের দরজা এখন এমনভাবে খুলে গেছে, যা তারা কখনো কল্পনাও করেনি।’
শুক্রবার জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ওই হামলার পর আরও একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন।
এর জবাবে টানা অষ্টম দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেন্টকম জানিয়েছে, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা অবকাঠামো, নৌ সক্ষমতা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে নিহত মার্কিন সেনাদের ঘটনায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) ‘দ্রুত শাস্তি’ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।
ইরানের দাবি, চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। তেহরান আরও অভিযোগ করেছে, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দারখোভিনে নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, স্থাপনাটিতে এখনো কোনো পারমাণবিক উপাদান ছিল না। সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতেও চাপ বাড়িয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানের অনুমোদন ছাড়া ‘অনিরাপদ পথ’ ব্যবহার করে চলাচলের সময় দুটি জাহাজ দুর্ঘটনায় পড়েছে।
আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কথায় প্রভাবিত হয়ে অনুমোদনহীন পথে চলাচলকারী জাহাজগুলো ভবিষ্যতেও একই ধরনের ঘটনার মুখে পড়তে পারে। এরই মধ্যে আরও দুটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি থেকে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ইরানের কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ভূখণ্ডে আঘাত হানলে ‘পূর্ণ শক্তি’ দিয়ে জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেল আবিব। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, ‘ইরান যদি ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তাহলে আমরা পূর্ণ শক্তি দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাব।’ তিনি জানান, সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইসরায়েল প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক— উভয় ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।
এদিকে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করতে ইসরায়েলে অতিরিক্ত কয়েক ডজন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক হামলায় ইরান এবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রোববার কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) স্থাপনায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে জর্ডান ও বাহরাইনেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তেহরান।
জর্ডানের রাজধানী আম্মানে বিমান হামলার সতর্কসংকেত বেজে ওঠে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করে ছোড়া তিনটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। এ হামলাগুলো সরাসরি ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে না হলেও সংঘাত দ্রুত সীমান্ত অতিক্রম করে আবারও পূর্ণমাত্রার আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছে তেল আবিব।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় পক্ষই বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি থেকে ইরান সরে দাঁড়িয়েছে কি না, তা নিয়ে তিনি ‘একেবারেই চিন্তিত নন’। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘নরকের দরজা এখন এমনভাবে খুলে গেছে, যা তারা কখনো কল্পনাও করেনি।’
শুক্রবার জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ওই হামলার পর আরও একজন সেনা নিখোঁজ রয়েছেন।
এর জবাবে টানা অষ্টম দিনের মতো ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেন্টকম জানিয়েছে, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা অবকাঠামো, নৌ সক্ষমতা এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের গুদাম লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে নিহত মার্কিন সেনাদের ঘটনায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরকে (আইআরজিসি) ‘দ্রুত শাস্তি’ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে তারা।
ইরানের দাবি, চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অন্তত ৪০ জন নিহত হয়েছেন। তেহরান আরও অভিযোগ করেছে, দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দারখোভিনে নির্মাণাধীন একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রেও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, স্থাপনাটিতে এখনো কোনো পারমাণবিক উপাদান ছিল না। সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর আশপাশে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।
একই সময়ে হরমুজ প্রণালিতেও চাপ বাড়িয়েছে ইরান। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, তেহরানের অনুমোদন ছাড়া ‘অনিরাপদ পথ’ ব্যবহার করে চলাচলের সময় দুটি জাহাজ দুর্ঘটনায় পড়েছে।
আইআরজিসি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কথায় প্রভাবিত হয়ে অনুমোদনহীন পথে চলাচলকারী জাহাজগুলো ভবিষ্যতেও একই ধরনের ঘটনার মুখে পড়তে পারে। এরই মধ্যে আরও দুটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি থেকে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে