
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় নিজেদের নাগরিকদের জন্য কঠোর ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। অপরিহার্য বা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হালনাগাদকৃত এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী হামলার ঝুঁকি থাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
এফসিডিও’র ভ্রমণ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হামলার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক সমাবেশ এবং ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে বলে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে।
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো আগাম পূর্বাভাস ছাড়াই বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমণের ক্ষেত্রে আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিসহ বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশ ও জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ, সাবধানে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত রাখতে বলা হয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর মনে করিয়ে দিয়েছে যে, কোনো ভ্রমণেই নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
এর আগে ২২ জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে দেশটির সরকার।

বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় নিজেদের নাগরিকদের জন্য কঠোর ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য। অপরিহার্য বা জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ব্রিটিশ নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও)।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) হালনাগাদকৃত এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী হামলার ঝুঁকি থাকায় ব্রিটিশ নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।
এফসিডিও’র ভ্রমণ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতা ও উগ্রবাদী গোষ্ঠীর হামলার ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে রাজনৈতিক সমাবেশ এবং ভোটকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা হতে পারে বলে ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক করা হয়েছে।
বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো আগাম পূর্বাভাস ছাড়াই বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ভ্রমণের ক্ষেত্রে আশেপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিসহ বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশ ও জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
একইসঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ, সাবধানে ভ্রমণ পরিকল্পনা করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত রাখতে বলা হয়েছে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর মনে করিয়ে দিয়েছে যে, কোনো ভ্রমণেই নিরাপত্তার শতভাগ নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
এর আগে ২২ জানুয়ারি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করে দেশটির সরকার।

কালেমা খচিত পতাকা বা ইসলামের অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীককে ঘিরে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি, অবমাননা কিংবা রাজনৈতিক অপব্যবহার কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
১০ ঘণ্টা আগে
পদ্মা রেল সংযোগ সেতুর পিলারের নিচে মাটি কেটে নেওয়া ‘ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার স্বার্থেই’ এবং এতে কোনো ধরনের ‘ঝুঁকি নেই’ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
১০ ঘণ্টা আগে
এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ২৭২ শিশু মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এ ছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৮৮, সিলেটে ৮২, চট্টগ্রামে ৫১, বরিশালে ৪০, ময়মনসিংহে ৬২, খুলনায় ২৮ এবং রংপুরে ৮ শিশু মারা গেছে।
১১ ঘণ্টা আগে
১৬টি দেশ থেকে অংশ নেওয়া ৭৬টি দলকে হারিয়ে দেশের জন্য অনন্য এ গৌরব বয়ে এনেছে এমআইএসটির ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত দলটি।
১১ ঘণ্টা আগে