top ad image
top ad image
home iconarrow iconখবরাখবর

১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা,পেছানোর কোনো সুযোগ নেই

১০ এপ্রিল থেকেই এসএসসি পরীক্ষা,পেছানোর কোনো সুযোগ নেই

পরীক্ষার্থীদের দাবি মেনে এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডে সমন্বয় কমিটি। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্রও বলছে, এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর আর কোনো সুযোগ নেই। ১০ এপ্রিল থেকেই রুটিন মেনে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়ানো গুজব ও কথিত অসহযোগ আন্দোলন না করে পরীক্ষার্থীদের শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

কামাল উদ্দিন বলেন, পরীক্ষার সব প্রস্তুতি শেষ। সব কেন্দ্রে পরীক্ষার সরঞ্জাম পাঠানোর কাজও শেষ পর্যায়ে। এ মুহূর্তে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। এখন এ ধরনের আন্দোলন অযৌক্তিক।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, আমাদের কাছে যে তথ্য রয়েছে, তাতে প্রায় সব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়ার পক্ষে। শিক্ষার্থী নামধারী কিছু কিছু ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে পরীক্ষা পেছানোর ষড়যন্ত্র করছে। গুজব ছড়াচ্ছে। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এসব গুজবে কান না দিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত হবে।

ঢাকার বিভিন্ন স্কুলের একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে রাজনীতি ডটকমকে বলেন, যেসব যুক্তিতে পরীক্ষা পেছানোর দাবি করা হচ্ছে সেগুলো খুবই দুর্বল। এমনিতেই ফেব্রুয়ারির এসএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়া হচ্ছে। পিছিয়েছে এইচএসসি পরীক্ষাও। এসএসসি পরীক্ষা পেছানো হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের লেখাপড়ার ক্ষতির মুখে পড়বে বলে তারা মনে করছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ‘এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৫’-এর পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে পরীক্ষা একমাস পেছানো এবং প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার মাঝে তিন-চার দিনের বিরতি রাখার দাবি তুলে ধরে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে রোজা রেখে ১৯ লাখ ২৮ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থীর ভালোভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়নি। ঈদের পরপরই পরীক্ষা হওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এতে ফল বিপর্যয় হতে পারে। তাই একমাস সময় দিলে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবেন তারা।

বিজ্ঞপ্তিতে তারা আরও উল্লেখ করেন, এপ্রিল ও মে মাসে প্রচণ্ড গরম পড়ে। গরমে একটানা পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। গরমের মধ্যে টানা পরীক্ষা দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়বে। এ ছাড়া বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর পরীক্ষার কেন্দ্রও দূরে। তাই প্রত্যেক পরীক্ষায় তিন থেকে চার দিন বন্ধ দিয়ে নতুন রুটিন করতে হবে।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় অংশ নেবে ১৯ লাখ ২৮ হাজার ২৮১ জন পরীক্ষার্থী।

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার লিখিত বা তত্ত্বীয় অংশ শেষ হবে ১৩ মে। আর মাদরাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলের লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ মে।এরপর ২২ মে পর্যন্ত চলবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।

r1 ad
r1 ad
top ad image