
উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়ার ইনানী রেঞ্জে বনাঞ্চল ধ্বংসের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বনরক্ষক ও ভূমিখেকোদের একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের যোগসাজশে অবাধে পাহাড় কাটা, গাছ নিধন এবং বনভূমি দখল চলছে।
সূত্র জানায়, গত তিন বছরে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফিরোজ আল-আমিনের নেতৃত্বে একটি চক্র মনখালী, রাজাপালং, জালিয়াপালং ও ছোয়ানখালী বিট এলাকায় বন উজাড়, পাহাড় কাটা, বনভূমি বিক্রি এবং ঘুস বাণিজ্যে জড়িত। এসব অনিয়মের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জালিয়াপালং ও রাজাপালং বিট এলাকায় পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে বহুতল ভবন, পানের বরজ ও ব্যক্তিগত বাগান। বনভূমিতে ঘর নির্মাণ, বালু ও মাটি উত্তোলন এবং করাতকল পরিচালনা এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, পাহাড় কাটার কাজে গত তিন বছরে অন্তত চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বন ধ্বংসের ফলে দুটি হাতির মৃত্যু ছাড়াও অসংখ্য বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর আয়তনের ইনানী রেঞ্জে অবস্থিত ২ হাজার ৯৩৩ দশমিক ৬১ হেক্টরের শেখ জামাল জাতীয় উদ্যান কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের আঁধারে গাছ কাটা ও মাটি পাচার করা হয়। এতে বাধা দিলে হুমকি দেওয়া হয়। রাজাপালং এলাকায় গত তিন বছরে প্রায় হাজারখানেক ঘর নির্মাণ হয়েছে। এসব ঘর নির্মাণের সময় রেঞ্জারের নাম ব্যবহার করে প্রতিটি ঘর থেকে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফিরোজ আল-আমিন বলেন, তিনি এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নন। কিছু অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে, এ সংক্রান্ত মামলাও করা হয়েছে। তবে উন্নয়নমূলক কাজও হয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের উখিয়ার ইনানী রেঞ্জে বনাঞ্চল ধ্বংসের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বনরক্ষক ও ভূমিখেকোদের একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের যোগসাজশে অবাধে পাহাড় কাটা, গাছ নিধন এবং বনভূমি দখল চলছে।
সূত্র জানায়, গত তিন বছরে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফিরোজ আল-আমিনের নেতৃত্বে একটি চক্র মনখালী, রাজাপালং, জালিয়াপালং ও ছোয়ানখালী বিট এলাকায় বন উজাড়, পাহাড় কাটা, বনভূমি বিক্রি এবং ঘুস বাণিজ্যে জড়িত। এসব অনিয়মের কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, জালিয়াপালং ও রাজাপালং বিট এলাকায় পাহাড় কেটে গড়ে উঠছে বহুতল ভবন, পানের বরজ ও ব্যক্তিগত বাগান। বনভূমিতে ঘর নির্মাণ, বালু ও মাটি উত্তোলন এবং করাতকল পরিচালনা এখন নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, পাহাড় কাটার কাজে গত তিন বছরে অন্তত চার শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বন ধ্বংসের ফলে দুটি হাতির মৃত্যু ছাড়াও অসংখ্য বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর আয়তনের ইনানী রেঞ্জে অবস্থিত ২ হাজার ৯৩৩ দশমিক ৬১ হেক্টরের শেখ জামাল জাতীয় উদ্যান কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এর অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের আঁধারে গাছ কাটা ও মাটি পাচার করা হয়। এতে বাধা দিলে হুমকি দেওয়া হয়। রাজাপালং এলাকায় গত তিন বছরে প্রায় হাজারখানেক ঘর নির্মাণ হয়েছে। এসব ঘর নির্মাণের সময় রেঞ্জারের নাম ব্যবহার করে প্রতিটি ঘর থেকে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফিরোজ আল-আমিন বলেন, তিনি এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত নন। কিছু অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে, এ সংক্রান্ত মামলাও করা হয়েছে। তবে উন্নয়নমূলক কাজও হয়েছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, তদন্তে সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেলে ইনানী রেঞ্জ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে রাষ্ট্রপতির সাথে তারা আলাপ-আলোচনা করেছে ৫ আগস্টের বিকেল বেলা, সিক্সথ অফ আগস্ট এবং যে রাষ্ট্রপতির কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টারা শপথ নিয়েছেন। তাদের দু-একজন তো এই সংসদেরও সদস্য হয়ে আসছেন। তো সেটা তাদের জিজ্ঞেস কর
৮ ঘণ্টা আগে
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে যাত্রী, পরিবহন মালিক ও চালকদের জন্য বেশ কিছু নিরাপত্তা পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব পরামর্শ জানানো হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপিত শোক প্রস্তাবে মহান মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত সাতজনের নাম গৃহীত হয়েছে। এদের মধ্যে ছয়জন জামায়াতে ইসলামীর নেতা এবং একজন বিএনপির নেতা।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বিরোধী দলের আপত্তির মুখে শোক প্রস্তাবে নামের তালিকা বাড়িয়েছে সংসদ।
১৩ ঘণ্টা আগে