
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো ও ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত’ বলে অভিহিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। দপ্তরটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডিএমপি এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। এ সময় জানানো হয়, ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ, তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), একজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ওই ঘটনায় প্রথম আলো এরই মধ্যে মামলা করেছে। ডেইলি স্টারের মামলাও প্রক্রিয়াধীন। ডিএমপি, ডিবি ও সিটিটিসিসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো ভিডিও ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। আমরা গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তথ্য জানিয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, একজন আসামি মোহাম্মদ নাঈম (২৬) নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে সেই টাকায় একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ (রেফ্রিজারেটর) কিনেছেন। সেটা আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।
এ ছাড়া মো. আকাশ আহমেদ সাগর, মো. আব্দুল আহাদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ওরফে মিনহাজ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ সোহেলা রানা, মো. আব্দুল বারেক শেখ ওরফে আল-আমিন, রাশেদুল ইসলাম, সোহেল রানা ও শফিকুল ইসলামকে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
অন্যদিকে মোহাম্মদ প্রান্ত শিকদার ওরফে ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, আবুল কাসেম ও রাজু হোসাইন চাঁদকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। মো. সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
নজরুল ইসলাম বলেন, কিছু দুষ্কৃতকারী সবসময় সুযোগ-সন্ধানী। দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করে। কোনো জায়গায় গ্যাঞ্জাম হলে সম্পদ, টাকা-পয়সা লুটের ইচ্ছায় সেখানে চলে যায়। পুলিশ-সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাদের নিবৃত্ত করতে পারেনি। তারা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো পর্যন্ত আটকে রেখেছিল।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা মধ্যরাতে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা চালায়। সেখানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পর আগুন দেওয়া হয়। এর পরপরই পাশে ফার্মগেট এলাকায় দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়েও হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুন দেওয়া হয়। হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় ধানমন্ডির ছায়ানট ভবনেও।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব হামলার ঘটনায় ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৯ জনকে।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো ও ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত ডেইলি স্টার কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত’ বলে অভিহিত করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। দপ্তরটি জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে এখন পর্যন্ত ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ডিএমপি এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। এ সময় জানানো হয়, ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ, তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি), একজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ওই ঘটনায় প্রথম আলো এরই মধ্যে মামলা করেছে। ডেইলি স্টারের মামলাও প্রক্রিয়াধীন। ডিএমপি, ডিবি ও সিটিটিসিসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো ভিডিও ফুটেজ দেখে দুষ্কৃতকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। আমরা গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের তথ্য জানিয়ে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, একজন আসামি মোহাম্মদ নাঈম (২৬) নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে সেই টাকায় একটি টিভি ও একটি ফ্রিজ (রেফ্রিজারেটর) কিনেছেন। সেটা আমরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।
এ ছাড়া মো. আকাশ আহমেদ সাগর, মো. আব্দুল আহাদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ওরফে মিনহাজ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ সোহেলা রানা, মো. আব্দুল বারেক শেখ ওরফে আল-আমিন, রাশেদুল ইসলাম, সোহেল রানা ও শফিকুল ইসলামকে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
অন্যদিকে মোহাম্মদ প্রান্ত শিকদার ওরফে ফয়সাল আহমেদ প্রান্ত, আবুল কাসেম ও রাজু হোসাইন চাঁদকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। মো. সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি।
নজরুল ইসলাম বলেন, কিছু দুষ্কৃতকারী সবসময় সুযোগ-সন্ধানী। দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করে। কোনো জায়গায় গ্যাঞ্জাম হলে সম্পদ, টাকা-পয়সা লুটের ইচ্ছায় সেখানে চলে যায়। পুলিশ-সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও তাদের নিবৃত্ত করতে পারেনি। তারা ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলো পর্যন্ত আটকে রেখেছিল।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা মধ্যরাতে প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা চালায়। সেখানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানোর পর আগুন দেওয়া হয়। এর পরপরই পাশে ফার্মগেট এলাকায় দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়েও হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুন দেওয়া হয়। হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় ধানমন্ডির ছায়ানট ভবনেও।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, সোমবার সকাল পর্যন্ত এসব হামলার ঘটনায় ৩১ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৯ জনকে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামীকাল ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৫ দিন দায়িত্ব পালন করবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের পূর্বের দুই দিন, ভোটগ্রহণের দিন এবং ভোটগ্রহণের পরের দুই দিন তারা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
৭ ঘণ্টা আগে
এ হিসেবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘আমি ছুটির দিনে বাসায় ইনফরমাল ড্রেসে চুল কাটাচ্ছিলাম। যখন শুনতে পেলাম আন্দোলনকারীরা যমুনায় ঢুকে পড়ছে, আমি অন্য কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই চলে এসেছি। গিয়ে দেখি পরিস্থিতি ভয়ানক।’
৮ ঘণ্টা আগে
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্তভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে ৮১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট যেকোনো ব্যক্তির নিজ নির্বাচনী এলাকার বাইরে অবস্থান নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
৮ ঘণ্টা আগে