
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত ও পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, 'শোকজ নোটিশের যে জবাব ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়, তা কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনক না হওয়ায় মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবোরেটরিস রেগুলেশন অর্ডিনেন্স ১৯৮২ এর ১১ (২) খ ধারা অনুযায়ী অত্র হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।'
তিনি আরও বলেন, 'উক্ত অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বাতিলের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে আপনার আপিল বা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ রয়েছে।'
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, হাসপাতালটিতে সব ধরনের সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলমান এবং সেখানে বর্তমানে ৪১২ জন রোগী ভর্তি আছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আজ (১১ জুন) প্রায় ১ হাজার রোগীকে বহির্বিভাগে সেবা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এনআইসিইউতে ৬০ নবজাতক শিশু, আইসিইউতে ২০ জন এবং সিসিইউতে ৪ জন রোগী ভর্তি আছেন।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক (প্রশাসন) তারিকুল ইসলাম মুকুল। তিনি রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব। আশা করি ন্যায়বিচার পাবো।’
এর আগে বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নোটিশের জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কয়েক পৃষ্ঠার ব্যাখ্যা জমা দিলেও সেখানে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যার পরিবর্তে নানা ধরনের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনার পর সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগের দিন মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছয় নবজাতক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। অল্প সময়ের ব্যবধানে একে একে তাদের মৃত্যু হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করে। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা নবজাতকদের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতালটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এবং ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চায়। পরবর্তীতে সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হওয়ায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের অধীন পরিচালিত হয়। ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সেখ মহিউদ্দিন, যিনি আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম সেখ আকিজ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত ও পর্যালোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, 'শোকজ নোটিশের যে জবাব ও ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়, তা কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনক না হওয়ায় মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবোরেটরিস রেগুলেশন অর্ডিনেন্স ১৯৮২ এর ১১ (২) খ ধারা অনুযায়ী অত্র হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।'
তিনি আরও বলেন, 'উক্ত অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী লাইসেন্স বাতিলের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে বাতিলের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে আপনার আপিল বা পুনর্বিবেচনা করার আইনি সুযোগ রয়েছে।'
আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, হাসপাতালটিতে সব ধরনের সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলমান এবং সেখানে বর্তমানে ৪১২ জন রোগী ভর্তি আছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আজ (১১ জুন) প্রায় ১ হাজার রোগীকে বহির্বিভাগে সেবা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া এনআইসিইউতে ৬০ নবজাতক শিশু, আইসিইউতে ২০ জন এবং সিসিইউতে ৪ জন রোগী ভর্তি আছেন।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার বিরুদ্ধে আপিল করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক (প্রশাসন) তারিকুল ইসলাম মুকুল। তিনি রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করব। আশা করি ন্যায়বিচার পাবো।’
এর আগে বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নোটিশের জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কয়েক পৃষ্ঠার ব্যাখ্যা জমা দিলেও সেখানে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যার পরিবর্তে নানা ধরনের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। বিষয়টি পর্যালোচনার পর সরকার প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
গত ২৭ মে ঈদুল আজহার আগের দিন মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছয় নবজাতক হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। অল্প সময়ের ব্যবধানে একে একে তাদের মৃত্যু হলে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারগুলো চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ এনে রমনা থানায় মামলা করে। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া যায়।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ওয়ার্ডে অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘ সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকা এবং পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা নবজাতকদের মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতালটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় এবং ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তাদের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা চায়। পরবর্তীতে সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হওয়ায় হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের অধীন পরিচালিত হয়। ফাউন্ডেশনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান সেখ মহিউদ্দিন, যিনি আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম সেখ আকিজ উদ্দিনের জ্যেষ্ঠ পুত্র।

রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
২০ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
১ দিন আগে
এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই জীববিজ্ঞান ও ওষুধবিজ্ঞানে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে অ্যানথ্রপিক।মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যানথ্রপিকের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এরিক কডেরার-আব্রামস প্রতিষ্ঠানটির ওয়েট ল্যাব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে