
বিশেষ প্রতিনিধি, রাজনীতি ডটকম

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম। তাদের পদত্যাগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন দুই উপদেষ্টা। তাদের মধ্যে মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপদেষ্টারা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপস্থিত হয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিলে প্রধান উপদেষ্টা তা গ্রহণ করেন। তাদের পদত্যাগ নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই ছাত্রনেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল কামনা করেন। বলেন, ‘অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ, তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবসময় তোমাদের অবদান স্মরণ করবে। আমি তোমাদের সুন্দর ও শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করি। এত অল্প সময়ে তোমরা জাতিকে যা দিয়েছ তা জাতি কখনো ভুলবে না।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এটি একটি রূপান্তর মাত্র। আমি আশা করি, আগামীতে বৃহত্তর পরিমণ্ডলে তোমরা আরও বড় অবদান রাখবে।
নিজেদের কাজের মাধ্যমে দেশের মঙ্গলে নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানিয়ে দুই ছাত্রনেতার উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারে থেকে যে অভিজ্ঞতা তোমরা অর্জন করেছ, তা ভবিষ্যৎ জীবনে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন উপদেষ্টা পরিষদের দুই ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম। তাদের পদত্যাগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন দুই উপদেষ্টা। তাদের মধ্যে মাহফুজ আলম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উপদেষ্টারা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপস্থিত হয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিলে প্রধান উপদেষ্টা তা গ্রহণ করেন। তাদের পদত্যাগ নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সম্মুখ সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই ছাত্রনেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের মঙ্গল কামনা করেন। বলেন, ‘অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে তোমরা যেভাবে জাতিকে ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তির পথে অবদান রেখেছ, তা জাতি মনে রাখবে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও বিকাশে তোমরা একইভাবে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, আজ একটি ঐতিহাসিক দিন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সবসময় তোমাদের অবদান স্মরণ করবে। আমি তোমাদের সুন্দর ও শুভ ভবিষ্যৎ কামনা করি। এত অল্প সময়ে তোমরা জাতিকে যা দিয়েছ তা জাতি কখনো ভুলবে না।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, এটি একটি রূপান্তর মাত্র। আমি আশা করি, আগামীতে বৃহত্তর পরিমণ্ডলে তোমরা আরও বড় অবদান রাখবে।
নিজেদের কাজের মাধ্যমে দেশের মঙ্গলে নিয়োজিত থাকার আহ্বান জানিয়ে দুই ছাত্রনেতার উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকারে থেকে যে অভিজ্ঞতা তোমরা অর্জন করেছ, তা ভবিষ্যৎ জীবনে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।’

দিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার ঘটনায় কূটনৈতিক পর্যায়ে খোঁজখবর শুরু করেছে বাংলাদেশ। আগাম কূটনৈতিক যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও তাকে ইমিগ্রেশন পর্যায়ে আটকে দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ঢাকার কর্মকর্তারা।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি চুক্তি চূড়ান্ত হওয়াকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ একই সঙ্গে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সদিচ্ছার সঙ্গে চুক্তিটি বাস্তবায়ন করবে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর-কাণ্ড এবং ডিসেম্বরে তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বাসভবনের সামনের সড়ক বালুর ট্রাক দিয়ে আটকে দেওয়ার মতো আলোচিত ঘটনাগুলোর সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ছিলেন বেনজীর। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পুলিশের এই কর্মকর্তাকে বক্তৃতা-বিবৃতিতে ক্ষমত
২১ ঘণ্টা আগে
তার এ বক্তব্য ‘ব্যক্তি স্বাধীনতার লঙ্ঘন’ অভিহিত করে তা এক্সপাঞ্জ (সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ) ঘোষণা করেন সংসদ অধিবেশনে সভাপতির আসনে থাকা ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। পরে সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি এ বক্তব্যকে ‘হীন মানসিকতা ও বর্ণবাদী আচ
১ দিন আগে