
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

অবশেষে সারা দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড এক ধাপ বাড়িয়ে দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। এতদিন তারা ১১তম গ্রেডে বেতন পেতেন। এর ফলে এখন এসব শিক্ষকের মূল বেতন বাড়বে কমপক্ষে ৩৫০০ টাকা।
গত ১৫ ডিসেম্বর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনটি সই করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনটি আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হয়েছে।
বেতন গ্রেড বাড়ানোর আগে প্রধান শিক্ষকদের মূল বেতন শুরু হতো ১২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে, সর্বোচ্চ ধাপ ছিল ৩০ হাজার ২৩০ টাকা। গ্রেড বেড়ে যাওয়ায় এখন তাদের মূল বেতন শুরু হবে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে, যার সর্বোচ্চ ধাপ ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে দশমে উন্নীত করার দাবি দীর্ঘ দিনের। এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়াতেও যেতে হয়েছে প্রধান শিক্ষকদের। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আদালত রায় দেন, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডসহ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা দিতে হবে।
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত ২৮ অক্টোবর রিট আবেদনকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড এক ধাপ বাড়িয়ে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। দেশের বাকি সব প্রধান শিক্ষকের (৬৫ হাজার ৫০২ জন) বেতন গ্রেড বাড়ানোর প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়।
এ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতিতে সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। পরে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিও এ প্রক্রিয়া অনুমোদন করে। সব ধাপ শেষ করে শেষ পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন এলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরাও দীর্ঘ দিন ধরে বেতন গ্রেড বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। তারা বর্তমানে ১৩তম গ্রেডে বেতন পেয়ে থাকেন, যাতে মূল বেতন শুরু ১১ হাজার টাকা দিয়ে। তারা ১১তম গ্রেডে বেতন উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী শিক্ষকদের এ দাবি জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠিয়েছে। বেতন কমিশন সুপারিশ করলে অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

অবশেষে সারা দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড এক ধাপ বাড়িয়ে দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। এতদিন তারা ১১তম গ্রেডে বেতন পেতেন। এর ফলে এখন এসব শিক্ষকের মূল বেতন বাড়বে কমপক্ষে ৩৫০০ টাকা।
গত ১৫ ডিসেম্বর প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনটি সই করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনটি আজ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হয়েছে।
বেতন গ্রেড বাড়ানোর আগে প্রধান শিক্ষকদের মূল বেতন শুরু হতো ১২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে, সর্বোচ্চ ধাপ ছিল ৩০ হাজার ২৩০ টাকা। গ্রেড বেড়ে যাওয়ায় এখন তাদের মূল বেতন শুরু হবে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে, যার সর্বোচ্চ ধাপ ৩৮ হাজার ৬৪০ টাকা।
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে দশমে উন্নীত করার দাবি দীর্ঘ দিনের। এ নিয়ে আইনি প্রক্রিয়াতেও যেতে হয়েছে প্রধান শিক্ষকদের। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আদালত রায় দেন, প্রধান শিক্ষকদের ১০ম গ্রেডসহ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার পদমর্যাদা দিতে হবে।
দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত ২৮ অক্টোবর রিট আবেদনকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ জন প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড এক ধাপ বাড়িয়ে ১০ম গ্রেডে উন্নীত করা হয়। দেশের বাকি সব প্রধান শিক্ষকের (৬৫ হাজার ৫০২ জন) বেতন গ্রেড বাড়ানোর প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়।
এ নিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সম্মতিতে সম্মতি দেয় অর্থ বিভাগ। পরে প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটিও এ প্রক্রিয়া অনুমোদন করে। সব ধাপ শেষ করে শেষ পর্যন্ত প্রজ্ঞাপন এলো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরাও দীর্ঘ দিন ধরে বেতন গ্রেড বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন। তারা বর্তমানে ১৩তম গ্রেডে বেতন পেয়ে থাকেন, যাতে মূল বেতন শুরু ১১ হাজার টাকা দিয়ে। তারা ১১তম গ্রেডে বেতন উন্নীত করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সহকারী শিক্ষকদের এ দাবি জাতীয় বেতন কমিশনে পাঠিয়েছে। বেতন কমিশন সুপারিশ করলে অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে।

বরাবরই রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তবে এবারে সেই ধারা অব্যাহত থাকছে না। কারণ এবার নতুন মন্ত্রিসভার শপথ হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টা তার দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময়, সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য সেনাপ্রধানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
একই দিন আরেক প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। আব্দুর রশীদ অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই অভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর থেকেই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সরকার গত বছরের ২৬ জুন জানায়, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা ৮০৮টি প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন কর
৫ ঘণ্টা আগে