
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ঘিরে দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তা ‘সন্তোষজনক নয়’ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক’ বলেও মন্ত্রণালয় আখ্যা দিয়েছে।
ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কমিটির ২৮তম সভায় যোগ দিতে গত ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ওই সময় বিমানবন্দরে তাকে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
জাহেদ উর রহমানকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেটিও স্পষ্ট করেনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিলেও উপদেষ্টা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
এ নিয়ে ৯ দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ খোলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, জাহেদ উর রহমান সার্ক ভিসায় ব্যক্তিগত পাসপোর্ট নিয়ে এখানে এসেছিলেন।
জয়সওয়াল বলেন, দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়, যেটা ছিল বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করা। অবশ্য তিনি স্বেচ্ছায় ঢাকায় ফিরে গিয়েছিলেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এ বক্তব্যকে গ্রহণ করেনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা বাসসকে মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘এ ঘটনায় ভারতীয় পক্ষ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়।’
ওই মুখাত্র বলেন, ‘কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগেই যথাযথভাবে জানানো হয়েছিল যে ডা. জাহেদ উর রহমান ভারত মহাসাগরীয় উপকূলীয় দেশগুলোর জোটের (আইওআরএ) বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। এ বিষয়ে পূর্বেই অবহিত করার পরও দিল্লি বিমানবন্দরে তার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক।’
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে করা মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে প্রত্যেক রাষ্ট্রের নিজ নিজ ভূখণ্ডে বসবাসরত সব নাগরিক, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সমান দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে ঘিরে দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে তা ‘সন্তোষজনক নয়’ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে ঘটনাটিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক’ বলেও মন্ত্রণালয় আখ্যা দিয়েছে।
ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা কমিটির ২৮তম সভায় যোগ দিতে গত ১৪ জুন সন্ধ্যায় দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। ওই সময় বিমানবন্দরে তাকে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখে ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
জাহেদ উর রহমানকে দিল্লিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেটিও স্পষ্ট করেনি ভারতীয় কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে প্রবেশের অনুমতি দিলেও উপদেষ্টা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।
এ নিয়ে ৯ দিন পর গতকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ খোলেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। তিনি বলেন, জাহেদ উর রহমান সার্ক ভিসায় ব্যক্তিগত পাসপোর্ট নিয়ে এখানে এসেছিলেন।
জয়সওয়াল বলেন, দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য পুনরায় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়, যেটা ছিল বহুপক্ষীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করা। অবশ্য তিনি স্বেচ্ছায় ঢাকায় ফিরে গিয়েছিলেন।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের এ বক্তব্যকে গ্রহণ করেনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা বাসসকে মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, ‘এ ঘটনায় ভারতীয় পক্ষ যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়।’
ওই মুখাত্র বলেন, ‘কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগেই যথাযথভাবে জানানো হয়েছিল যে ডা. জাহেদ উর রহমান ভারত মহাসাগরীয় উপকূলীয় দেশগুলোর জোটের (আইওআরএ) বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। এ বিষয়ে পূর্বেই অবহিত করার পরও দিল্লি বিমানবন্দরে তার সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক।’
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে করা মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে প্রত্যেক রাষ্ট্রের নিজ নিজ ভূখণ্ডে বসবাসরত সব নাগরিক, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সমান দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ দেশের সব নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগে গত বছরের আগস্টে পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর সাতটি মোড়ে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়। এসব মোড় হলো—হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, সোনারগাঁও, ফার্মগেট, বিজয় সরণি, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় এবং জাহাঙ্গীর গেট।
১০ ঘণ্টা আগে
মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান বিশ্বে চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর মতো বাংলাদেশও বাণিজ্য, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করতে আগ্রহী।
১১ ঘণ্টা আগে
বেলা সাড়ে ১১টায় পেকুয়া উপজেলা মাঠে শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে ১০০ ঘর নির্মাণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো স্লুইসগেটের দায়িত্বে থাকবে না। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরাই এটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে।’
১৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন বলেছেন, সব ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও জরায়ুমুখের ক্যান্সারের মতো কিছু ক্যান্সার, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায়।
১৩ ঘণ্টা আগে