
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আইনের কঠোর প্রয়োগ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি ও এসপিদের নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার যে অপবাদ রয়েছে, তা থেকে মুক্তি পেতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করতে হবে উল্লেখ করে সিইসি কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেন, বিধি-বিধান অনুযায়ী সাহসী পদক্ষেপ নিলে কমিশন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় করছে ইসি। এতে সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির স্বাগত বক্তব্যে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, একটা জাতীয় দায়িত্ব এসে পড়েছে। শাসনতান্ত্রিক দায়িত্ব আবার কনস্টিটিউশনাল রেসপন্সিবিলিটি এসে পড়েছে। আমরা একটা যুগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। দেশের অবস্থা আপনারা জানেন, এই ক্রান্তি লগ্নে আমাদের উপরে যে দায়িত্ব এসে পড়েছে আমরা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হই আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জবাব দিতে পারবো না।
মাঠ কর্মকর্তারা ভালোভাবে কাজ না করলে ইসির ঘুম হারাম বলে মন্তব্য করেন তিনি। সিইসি বলেন, দেশটা আমার আপনার সকলের দেশ। এই দেশ এই দেশটাকে সঠিকভাবে সঠিক অবস্থায় রেখে দেওয়া এটা আমাদের দায়িত্ব। আপনারা ভালো থাকলে, আপনারা ভালো কাজ করলে আমি ভালো থাকি। আপনারা যদি ভালোভাবে কাজ না করেন আমার ঘুম হারাম।।
রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের আইন-কানুনের মাধ্যম কাজ পরিচালনার আহ্বান জানান সিইসি। তিনি বলেন, আমি আশা করব আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ যে দায়িত্ব গুরু দায়িত্ব আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে। আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে। এই দায়িত্ব ডেলিভার করার ডিসচার্জ করার যে দায়িত্ব আমাদের উপর এসে পড়েছে, আমরা ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে এটা পরিপালন করবো। এবং এখানে কোন রকমের বিচ্যুতি ঘটবে না। এবং আপনারা সবাই সঠিকভাবে সঠিক কাজটা সঠিক সময়ে করবেন। ইফেক্টিভলি করবেন।
আইনের শাসন দেখিয়ে দেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সবাইকে নির্দেশ দেন সিইসি। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমি বেশ কিছুদিন আগে সম্ভবত চট্টগ্রামে বলেছিলাম - আইনের শাসন কাকে বলে আমরা দেখিয়ে দিতে চাই। এ কথাটা বলেছিলাম একদম ডেলিভারেটলি। কারণ আমাদের উপরে সামষ্টিকভাবে এটা ব্লেইম করা হচ্ছে সবাইকে ব্লেম করা হচ্ছে; বলা হচ্ছে আমরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে বন্ধ করে দিয়েছি, এই অপবাদ থেকে আমরা মুক্তি চাই। আমরা প্রমাণ করতে চাই যে আমরা সঠিক সুন্দর নির্বাচন করতে পারি। এবং এটা একমাত্র আইনের শাসনের মাধ্যমেই সম্ভব।
মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আইনের শাসন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন সিইসি। তিনি বলেন, সুতরাং আপনারা যেটা মাঠ দিয়ে যারা আছেন তারা আইনের শাসনটা নিশ্চিত করবেন। আইন সবার জন্য সমানভাবে আপনারা প্রয়োগ করবেন।
স্বাগত জানিয়ে সিইসি বলেন, বলতে গেলে সারা বাংলাদেশ বাংলাদেশের প্রশাসন যেভাবে যাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে সারা বাংলাদেশ এখানে উপস্থিত আছে। আপনারা বুক ফুলিয়ে যখন আমাকে সাহস দেবেন, আমিও সাহসী হবো। আপনার প্রতিটা কাজ আমাকে সাহসী করবে। আমি এই ওয়াদা করতে পারি- আপনারা যখনই সাহসী পদক্ষেপ নিবেন। আইনের আইনের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবেন। বিধি-বিধানের আলোকে কাজ করবেন। ইনশাআল্লাহ ইলেকশন কমিশন উইল বিসাইড ইউ।

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আইনের কঠোর প্রয়োগ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনে বিভাগীয় কমিশনার, ডিসি ও এসপিদের নিয়ে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন, নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার যে অপবাদ রয়েছে, তা থেকে মুক্তি পেতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই এখন কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জবাবদিহি করতে হবে উল্লেখ করে সিইসি কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেন, বিধি-বিধান অনুযায়ী সাহসী পদক্ষেপ নিলে কমিশন সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
মঙ্গলবার নির্বাচন ভবনে বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় করছে ইসি। এতে সিইসি ও চার নির্বাচন কমিশনার উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির স্বাগত বক্তব্যে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেন, একটা জাতীয় দায়িত্ব এসে পড়েছে। শাসনতান্ত্রিক দায়িত্ব আবার কনস্টিটিউশনাল রেসপন্সিবিলিটি এসে পড়েছে। আমরা একটা যুগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। দেশের অবস্থা আপনারা জানেন, এই ক্রান্তি লগ্নে আমাদের উপরে যে দায়িত্ব এসে পড়েছে আমরা যদি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হই আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জবাব দিতে পারবো না।
মাঠ কর্মকর্তারা ভালোভাবে কাজ না করলে ইসির ঘুম হারাম বলে মন্তব্য করেন তিনি। সিইসি বলেন, দেশটা আমার আপনার সকলের দেশ। এই দেশ এই দেশটাকে সঠিকভাবে সঠিক অবস্থায় রেখে দেওয়া এটা আমাদের দায়িত্ব। আপনারা ভালো থাকলে, আপনারা ভালো কাজ করলে আমি ভালো থাকি। আপনারা যদি ভালোভাবে কাজ না করেন আমার ঘুম হারাম।।
রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের আইন-কানুনের মাধ্যম কাজ পরিচালনার আহ্বান জানান সিইসি। তিনি বলেন, আমি আশা করব আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ যে দায়িত্ব গুরু দায়িত্ব আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে। আমাদের কাঁধে এসে পড়েছে। এই দায়িত্ব ডেলিভার করার ডিসচার্জ করার যে দায়িত্ব আমাদের উপর এসে পড়েছে, আমরা ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে এটা পরিপালন করবো। এবং এখানে কোন রকমের বিচ্যুতি ঘটবে না। এবং আপনারা সবাই সঠিকভাবে সঠিক কাজটা সঠিক সময়ে করবেন। ইফেক্টিভলি করবেন।
আইনের শাসন দেখিয়ে দেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ সবাইকে নির্দেশ দেন সিইসি। এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, আমি বেশ কিছুদিন আগে সম্ভবত চট্টগ্রামে বলেছিলাম - আইনের শাসন কাকে বলে আমরা দেখিয়ে দিতে চাই। এ কথাটা বলেছিলাম একদম ডেলিভারেটলি। কারণ আমাদের উপরে সামষ্টিকভাবে এটা ব্লেইম করা হচ্ছে সবাইকে ব্লেম করা হচ্ছে; বলা হচ্ছে আমরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে বন্ধ করে দিয়েছি, এই অপবাদ থেকে আমরা মুক্তি চাই। আমরা প্রমাণ করতে চাই যে আমরা সঠিক সুন্দর নির্বাচন করতে পারি। এবং এটা একমাত্র আইনের শাসনের মাধ্যমেই সম্ভব।
মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের আইনের শাসন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন সিইসি। তিনি বলেন, সুতরাং আপনারা যেটা মাঠ দিয়ে যারা আছেন তারা আইনের শাসনটা নিশ্চিত করবেন। আইন সবার জন্য সমানভাবে আপনারা প্রয়োগ করবেন।
স্বাগত জানিয়ে সিইসি বলেন, বলতে গেলে সারা বাংলাদেশ বাংলাদেশের প্রশাসন যেভাবে যাদের উপর দাঁড়িয়ে আছে সারা বাংলাদেশ এখানে উপস্থিত আছে। আপনারা বুক ফুলিয়ে যখন আমাকে সাহস দেবেন, আমিও সাহসী হবো। আপনার প্রতিটা কাজ আমাকে সাহসী করবে। আমি এই ওয়াদা করতে পারি- আপনারা যখনই সাহসী পদক্ষেপ নিবেন। আইনের আইনের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবেন। বিধি-বিধানের আলোকে কাজ করবেন। ইনশাআল্লাহ ইলেকশন কমিশন উইল বিসাইড ইউ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব আদায়ের বড় সংকট নীতিগত পর্যায়েই রয়েছে। তাই এনবিআরের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পৃথক করে বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে নীতিমালা প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
৩ ঘণ্টা আগে
গত ২১ জুন এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সিলেটের তৎকালীন জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকে পদটি শূন্য ছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষে তিনি ছয়টি এমওইউতে সই করেছেন। এসব সমঝোতার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে তথ্য ব্যবস্থাপনা, গণমাধ্যম প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বিষয়ে অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হবে।
৩ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, দেশে অনেক মানুষ ব্যাংকের বাইরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ সংরক্ষণ করছেন। এছাড়া দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কাছেও বিপুল নগদ অর্থ রয়ে গেছে। সরকার যদি এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ১,০০০ ও ৫০০ টাকার নোট ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই অর্থ আবার ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে।
৪ ঘণ্টা আগে