
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক প্রস্তুতি জানাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে গেছে নির্বাচন কমিশন (সিইসি)।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে নির্বাচন ভবন থেকে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে কমিশনের গাড়িবহর বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হয়। সিইসির সঙ্গে ফুল কমিশনও এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নিয়োগ পাওয়া বর্তমান নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও বড় পরিসরের এই ভোট আয়োজনের সার্বিক দিক রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরবেন সিইসি নাসির উদ্দিন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রীয় উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তপসিল ঘোষণা করতে পারেন সিইসি। বর্তমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সামগ্রিক প্রস্তুতি জানাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে গেছে নির্বাচন কমিশন (সিইসি)।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে নির্বাচন ভবন থেকে সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে কমিশনের গাড়িবহর বঙ্গভবনের উদ্দেশে রওনা হয়। সিইসির সঙ্গে ফুল কমিশনও এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।
৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর নিয়োগ পাওয়া বর্তমান নির্বাচন কমিশন প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে। কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকলেও বড় পরিসরের এই ভোট আয়োজনের সার্বিক দিক রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরবেন সিইসি নাসির উদ্দিন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রীয় উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তপসিল ঘোষণা করতে পারেন সিইসি। বর্তমান প্রক্রিয়া অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই বিদ্যুৎ-ঘাটতির কারণে রাজধানীসহ সারা দেশে নতুন করে লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে মন্ত্রী এমন আশ্বাসও দিয়েছেন— আগামী দুই দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা শিক্ষকদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিঠির মাধ্যমে যোগাযোগ করা হয়। তারপরও তারা কর্মস্থলে যোগ দেননি। এ কারণে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
১৪ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
১৫ ঘণ্টা আগে