
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ এখন একটি স্বীকৃত ও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নাম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বুধবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে এবং বর্তমানে বিশ্বের ৯টি মিশনে ৪ হাজার ২১২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৯টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্যসহ মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি নারী শান্তিরক্ষীরাও অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের ৩ হাজার ৯০৫ জন নারী শান্তিরক্ষী সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৯৪ জন নারী শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।’
বর্তমান বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনের ধরন ও চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। জাতিসংঘের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, চিকিৎসা ও প্রকৌশল সহায়তা এবং নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে কাজ করছে বাংলাদেশ।’
তিনি আরও জানান, জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাইতিতে গঠিত ‘গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে’ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও জোরালো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ তার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রাখবে। একইসঙ্গে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ কাজ করে যাবে।’
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দক্ষতা, সাহস, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও পেশাদারিত্ব বিশ্বে দেশের মর্যাদা আরও উজ্জ্বল করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেনাপ্রধান।
তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সার্বিক সহযোগিতার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।’
অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সেনাপ্রধান। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত দেশি-বিদেশি অতিথিদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
রাজনীতি/এসআর

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ এখন একটি স্বীকৃত ও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য নাম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বুধবার (১০ এপ্রিল) ঢাকার সেনাকুঞ্জে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে এবং বর্তমানে বিশ্বের ৯টি মিশনে ৪ হাজার ২১২ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।
জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৯টি শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩ হাজার ৬০৮ জন, নৌবাহিনীর ৩০২ জন, বিমান বাহিনীর ২৬৭ জন এবং পুলিশের ৩৫ জন সদস্যসহ মোট ৪ হাজার ২১২ জন শান্তিরক্ষী দায়িত্ব পালন করছেন।
সেনাপ্রধান বলেন, ‘পুরুষ সদস্যদের পাশাপাশি নারী শান্তিরক্ষীরাও অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের ৩ হাজার ৯০৫ জন নারী শান্তিরক্ষী সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৯৪ জন নারী শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।’
বর্তমান বিশ্বে শান্তিরক্ষা মিশনের ধরন ও চ্যালেঞ্জ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা উন্নত প্রশিক্ষণ, নৈতিক মূল্যবোধ, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। জাতিসংঘের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, চিকিৎসা ও প্রকৌশল সহায়তা এবং নারী সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে কাজ করছে বাংলাদেশ।’
তিনি আরও জানান, জাতিসংঘের নতুন উদ্যোগ হিসেবে হাইতিতে গঠিত ‘গ্যাং সাপ্রেশন ফোর্সে’ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা অংশ নেবেন। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার আরও জোরালো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
বিদেশি অতিথিদের উদ্দেশে সেনাপ্রধান বলেন, ‘জাতিসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ তার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি অব্যাহত রাখবে। একইসঙ্গে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ কাজ করে যাবে।’
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দক্ষতা, সাহস, শৃঙ্খলা, মানবিক মূল্যবোধ ও পেশাদারিত্ব বিশ্বে দেশের মর্যাদা আরও উজ্জ্বল করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেনাপ্রধান।
তিনি প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সার্বিক সহযোগিতার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা সফলভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।’
অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান সেনাপ্রধান। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত দেশি-বিদেশি অতিথিদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
রাজনীতি/এসআর

এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রস্তুতিতে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রতিটি নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা বর্তমান
৪ ঘণ্টা আগে
আগামীকাল (শনিবার, ১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এক বাণীতে এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১২৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯০১ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ে
৪ ঘণ্টা আগে
সংস্কৃতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জুলাই জাদুঘর পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নতুন ব্যবস্থাপনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। শিগগিরই জাদুঘরটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হবে।
৬ ঘণ্টা আগে