
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ইস্যুতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা নামের কাঙাল নয়, আমরা কামের কাঙাল।’ একই সঙ্গে তিনি শিগগিরই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেছেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘পানিসম্পদমন্ত্রী (মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি) গতকাল তার বক্তব্যে আশ্বস্ত করেছেন যে, ইনশাআল্লাহ যে নামেই হোক, কাজ (তিস্তা মহাপরিকল্পনার) শুরু হয়ে যাবে। আমরা নামের কাঙাল নয়, আমরা কামের কাঙাল।’
সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে চীন সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের আলোচনা করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা।
তিনি বলেন, “আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আরেকবার অভিনন্দন জানাই। তার সফরের পরে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম, আরেকবার অভিনন্দন জানাই। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বিষয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ‘শক্তিশালী বন্ধুদেশ চীনে’র সঙ্গে কথা করেছেন।”
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সরকারি দলকে বিরোধী দলকে সম্মান করার মানসিকতা থাকতে হবে।’ একই সঙ্গে বিরোধী দলকেও সঙ্গত সকল ক্ষেত্রে সরকারি দলকে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকতে হবে বলেও জানান তিনি।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘অতীতে এ সংসদ ব্যক্তি তোষামোদিতে অভ্যস্ত ছিল। বর্তমানে সংসদ এমনটা হওয়া উচিত হবে না। অতীতের সংস্কৃতিকে আমাদের ‘না’ বলতে হবে। এই বাজেটের মাধ্যমে জনকল্যাণের পরিবর্তে কোথাও জনগণের কোনো ক্ষতি হচ্ছে কি না তা লক্ষ্য রাখবে বিরোধী দল।’
এ ছাড়া দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ কীভাবে ফিরিয়ে আনা হবে সে বিষয়ে বাজেটে কোনো দিক নির্দেশনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাচার করা অর্থ ফেরানো গেলে বাজেট ঘাটতি থাকবে না। শুধু অর্থ নয়, পাচারকারীকেও ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে।’

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন ইস্যুতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা নামের কাঙাল নয়, আমরা কামের কাঙাল।’ একই সঙ্গে তিনি শিগগিরই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেছেন।
শফিকুর রহমান বলেন, ‘পানিসম্পদমন্ত্রী (মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি) গতকাল তার বক্তব্যে আশ্বস্ত করেছেন যে, ইনশাআল্লাহ যে নামেই হোক, কাজ (তিস্তা মহাপরিকল্পনার) শুরু হয়ে যাবে। আমরা নামের কাঙাল নয়, আমরা কামের কাঙাল।’
সোমবার (২৯ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে চীন সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংসহ শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের আলোচনা করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা।
তিনি বলেন, “আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আরেকবার অভিনন্দন জানাই। তার সফরের পরে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম, আরেকবার অভিনন্দন জানাই। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বিষয়ে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) ‘শক্তিশালী বন্ধুদেশ চীনে’র সঙ্গে কথা করেছেন।”
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সরকারি দলকে বিরোধী দলকে সম্মান করার মানসিকতা থাকতে হবে।’ একই সঙ্গে বিরোধী দলকেও সঙ্গত সকল ক্ষেত্রে সরকারি দলকে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকতে হবে বলেও জানান তিনি।
বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘অতীতে এ সংসদ ব্যক্তি তোষামোদিতে অভ্যস্ত ছিল। বর্তমানে সংসদ এমনটা হওয়া উচিত হবে না। অতীতের সংস্কৃতিকে আমাদের ‘না’ বলতে হবে। এই বাজেটের মাধ্যমে জনকল্যাণের পরিবর্তে কোথাও জনগণের কোনো ক্ষতি হচ্ছে কি না তা লক্ষ্য রাখবে বিরোধী দল।’
এ ছাড়া দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থ কীভাবে ফিরিয়ে আনা হবে সে বিষয়ে বাজেটে কোনো দিক নির্দেশনা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পাচার করা অর্থ ফেরানো গেলে বাজেট ঘাটতি থাকবে না। শুধু অর্থ নয়, পাচারকারীকেও ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে।’

সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
২ ঘণ্টা আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন থাকার বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার প্রস্তাব করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আরও কয়েকটি ক্ষেত্রে শুল্ক-কর কমানোর পাশাপাশি ‘কালো টাকা সাদা করা’র বিতর্কিত বিধান প্রত্যাহার করতে অর্থমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বাজেট আলোচনায় অংশ নেওয়া সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদেরও দুইটা টায়ার। একটা সরকারি দল, আরেকটা বিরোধী দল। যেকোনো একটা টায়ার অকেজো হয়ে গেলে যান চলবে না। এক টায়ারে আপনি পিন লাগাবেন, পেরেক মারবেন, তাহলে কিন্তু ওই টায়ারটা ফুটো হয়ে যাবে। ওইটা ফুটো হয়ে গেলে ওই টায়ার (দ্বিতীয়ট) চলব
৩ ঘণ্টা আগে