
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদকে প্রধান আসামি করে ১১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আসিফুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদল নেতা মুজাক্কির হোসেন, ছাত্রদল নেতা এম এইচ শিমুল, আল সাইমন, মাহফুজ চৌধুরী, ইশতিয়াক রহমান, শেখ সাব্বির, নাজমূল হোসেন ও রক্সি ইসলাম।
বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার রাত ৯টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করা, চুরি এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলাকে পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ। তার ভাষ্য, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। ক্ষুব্ধ জনতার আক্রমণের শিকার হয়েছেন এনসিপির নেতারা। এ ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে এনসিপির নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন নেতাকর্মীকে মারধরও করা হয়। হামলার জন্য বিএনপি ও ছাত্রদলকে দায়ী করে এনসিপি। পরে সন্ধ্যায় শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আরেক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর এনসিপি এবং বিএনপি-ছাত্রদল পালটাপালটি কর্মসূচি ঘোষণা করলে বুধবার হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন। এ দিন বিকেলে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জে আসার পথে শ্রীমঙ্গল ও বাহুবলের বিভিন্ন স্থানে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ।
পরে শহরে প্রবেশ করতে না পেরে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেন। পরে তারা হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে মামলাটি করা হয়।
এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গত ২৯ জুলাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
আদেশে আরও বলা হয়, তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ প্রতিবেদনে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক উল্লেখ করা হয়েছে। জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা না থাকায় পূর্বে জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলা, ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের ঘটনায় জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদকে প্রধান আসামি করে ১১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— বৃন্দাবন সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আসিফুল ইসলাম, পৌর ছাত্রদল নেতা মুজাক্কির হোসেন, ছাত্রদল নেতা এম এইচ শিমুল, আল সাইমন, মাহফুজ চৌধুরী, ইশতিয়াক রহমান, শেখ সাব্বির, নাজমূল হোসেন ও রক্সি ইসলাম।
বুধবার (২৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় মামলাটি করেন। হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার রাত ৯টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রাণনাশের উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়ে গুরুতর জখম করা, চুরি এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলাকে পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ। তার ভাষ্য, এনসিপি নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। ক্ষুব্ধ জনতার আক্রমণের শিকার হয়েছেন এনসিপির নেতারা। এ ঘটনার সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি শেষে এনসিপির নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকজন নেতাকর্মীকে মারধরও করা হয়। হামলার জন্য বিএনপি ও ছাত্রদলকে দায়ী করে এনসিপি। পরে সন্ধ্যায় শহরে প্রতিবাদ মিছিল বের করলে আরেক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার পর এনসিপি এবং বিএনপি-ছাত্রদল পালটাপালটি কর্মসূচি ঘোষণা করলে বুধবার হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে জেলা প্রশাসন। এ দিন বিকেলে মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জে আসার পথে শ্রীমঙ্গল ও বাহুবলের বিভিন্ন স্থানে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ।
পরে শহরে প্রবেশ করতে না পেরে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনে অবস্থান নেন। পরে তারা হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পরবর্তীতে মামলাটি করা হয়।
এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারা বৃহস্পতিবার সকাল থেকে প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জি এম সরফরাজ স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গত ২৯ জুলাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।
আদেশে আরও বলা হয়, তবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বশেষ প্রতিবেদনে হবিগঞ্জ পৌর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক উল্লেখ করা হয়েছে। জননিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা না থাকায় পূর্বে জারি করা ১৪৪ ধারার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, রোহিঙ্গাদের দুটি সশস্ত্র সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) মধ্যে চলমান অভ্যন্তরীণ বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন থাকায় ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হও
৭ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রী তাদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জুলফিকার হাসান শিপলু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংসদ অধিবেশন নিয়ে তিনি বলেন, “সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন, তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিল আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকব কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের পরবর্তী নিয়মিত অধিবেশন ৬০ দিনের মধ্যে—এই দুটি সময় ব্যাপ্তির মিল থাকায় বিশেষ অধিবেশনের আপ
৮ ঘণ্টা আগে
সরকার মনে করলে আগস্টে বিশেষ অধিবেশন হতে পারে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানে আছে রাষ্ট্রপতি যেদিন পদত্যাগ করবেন তার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। প্রশ্ন এসেছিলো আমরা বিশেষ অধিবেশন ডাকবো কি না। ৯০ দিন যেহেতু সময় আছে আর আমাদের নেক্সট অধিবেশন ৬০দিনের মধ্যে, ২টি টাইম ম্যাচ করছে সেহেতু বিশেষ অধিবেশনের
৯ ঘণ্টা আগে