
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দীর্ঘ ৩৬ বছর পর এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায় করেছেন।
দেশের শীর্ষ দুই নেতার একই সঙ্গে ঈদের জামাতে শরিক হওয়ার এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন বার্তা দিচ্ছে।
সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ জামাতে ভিআইপিদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিদের ঢল নামে, যেখানে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কোলাকুলি করেন।
এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে সাজানো হয়েছিল বর্ণিল সাজে। মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই মাঠে এবার প্রায় সাড়ে তিন হাজার নারীর জন্য ছিল পৃথক প্রবেশপথ, ওজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা। এছাড়া মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় নিয়োজিত ছিল বিশেষ মেডিকেল টিম। ভিআইপি ও সাধারণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই বছরের প্রধান ঈদ জামাত।

দীর্ঘ ৩৬ বছর পর এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো জাতীয় ঈদগাহ ময়দান। শনিবার (২১ মার্চ) সকালে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজ আদায় করেছেন।
দেশের শীর্ষ দুই নেতার একই সঙ্গে ঈদের জামাতে শরিক হওয়ার এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন বার্তা দিচ্ছে।
সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ জামাতে ভিআইপিদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিদের ঢল নামে, যেখানে দেশ ও জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক।
নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা ও কোলাকুলি করেন।
এই প্রধান জামাতে আরও অংশ নেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিগণ, শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানকে সাজানো হয়েছিল বর্ণিল সাজে। মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন এই মাঠে এবার প্রায় সাড়ে তিন হাজার নারীর জন্য ছিল পৃথক প্রবেশপথ, ওজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা। এছাড়া মুসল্লিদের স্বাস্থ্যসুরক্ষায় নিয়োজিত ছিল বিশেষ মেডিকেল টিম। ভিআইপি ও সাধারণ মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এই বছরের প্রধান ঈদ জামাত।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘এই বাংলাদেশে আর যেন কোনো ফ্যাসিবাদ, স্বৈরাচার কায়েম হতে না পারে, এই বাংলাদেশকে যেন আর কেউ তাদের তাবেদার রাষ্ট্র বানাতে না পারে, এই হোক আমাদের আজকের প্রত্যয়।’
৪ ঘণ্টা আগে
রিমান্ড শেষে আজ আশিকা সুলতানাকে আদালতে হাজির করে আরও পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল মামুন হোসাইন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
সোমবার (২৯ জুন) বঙ্গভবনের প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
৪ ঘণ্টা আগে
আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এই যে নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি…এগুলো বললে তারা (রাজনৈতিক দল) একটু হাসবে হয়তো। কারণ, এগুলো তাদের অভ্যাস। এই ধোঁকাবাজিটা তাদের রাজনীতিরই একটা অংশ।’
৫ ঘণ্টা আগে