
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা মো. আবুল বাসার বাদশাকে (৪৫ ) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বাবা ও দুই ছেলেসহ আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম চারজনকে আটকের তথ্য জানান। পরে সন্ধ্যায় আরও দুজনকে আটকের কথা জানিয়েছে র্যাব-২। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট নয়জনকে আটক করা হলো।
নতুন আটকরা হলেন— রিপন (২৭), তার ভাই নীরব (২৫) ও তাদের বাবা মজনু মিয়া (৬০); মো. মিজানুর রহমান (৪০), মো. সুমন (২৫) ও মো. শহীদ (৫৯)। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে আটক হয়েছেন— সোয়েব হোসেন সোয়াইব, আরমান ও নয়ন।
ডিবি বলছে, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার সাহেবনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির তেজগাঁও বিভাগের একটি দল চারজনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর আদাবর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।
এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের চার রাস্তার মোড় এলাকায় সালিশ বৈঠকের সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাসার বাদশা ও সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৫) গুরুতর আহত হন।
তাদের প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাদশার মৃত্যু হয়। আহত সাদ্দাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ দেখা এবং বাঁশি বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নবোদয় কাঁচাবাজারসংলগ্ন ডি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে অনুষ্ঠিত একটি সালিশ বৈঠকের শেষ পর্যায়ে আবার সংঘর্ষ বাঁধে। এতে বাদশা ও সাদ্দাম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, আটক রিপন সরাসরি বাদশাকে ছুরিকাঘাত করেন। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর তারা পালিয়ে ময়মনসিংহে গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সোয়েব হোসেন সোয়াইব, আরমান ও নয়নকে আটক করে আদাবর থানা-পুলিশ। এই ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
আটকদের মধ্যে সোয়াইবসহ সন্দেহভাজন দুই আসামিকে আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ মামলার বিষয়ে পুলিশকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

রাজধানীর আদাবরে বিএনপি নেতা মো. আবুল বাসার বাদশাকে (৪৫ ) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন দুই আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে বাবা ও দুই ছেলেসহ আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে ডিবি প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম চারজনকে আটকের তথ্য জানান। পরে সন্ধ্যায় আরও দুজনকে আটকের কথা জানিয়েছে র্যাব-২। এ নিয়ে এই ঘটনায় মোট নয়জনকে আটক করা হলো।
নতুন আটকরা হলেন— রিপন (২৭), তার ভাই নীরব (২৫) ও তাদের বাবা মজনু মিয়া (৬০); মো. মিজানুর রহমান (৪০), মো. সুমন (২৫) ও মো. শহীদ (৫৯)। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে আটক হয়েছেন— সোয়েব হোসেন সোয়াইব, আরমান ও নয়ন।
ডিবি বলছে, বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৯টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ থানার সাহেবনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডিবির তেজগাঁও বিভাগের একটি দল চারজনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর আদাবর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।
এর আগে বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আদাবর থানার নবোদয় হাউজিংয়ের চার রাস্তার মোড় এলাকায় সালিশ বৈঠকের সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল বাসার বাদশা ও সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন (৩৫) গুরুতর আহত হন।
তাদের প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাদশার মৃত্যু হয়। আহত সাদ্দাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম বলেন, সোমবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষ্যে ব্রাজিল-জাপান ম্যাচ দেখা এবং বাঁশি বাজানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই বিরোধের ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে নবোদয় কাঁচাবাজারসংলগ্ন ডি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে অনুষ্ঠিত একটি সালিশ বৈঠকের শেষ পর্যায়ে আবার সংঘর্ষ বাঁধে। এতে বাদশা ও সাদ্দাম ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন।
এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল ইসলাম বলেন, আটক রিপন সরাসরি বাদশাকে ছুরিকাঘাত করেন। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর তারা পালিয়ে ময়মনসিংহে গ্রামের বাড়িতে চলে যান।
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সোয়েব হোসেন সোয়াইব, আরমান ও নয়নকে আটক করে আদাবর থানা-পুলিশ। এই ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
আটকদের মধ্যে সোয়াইবসহ সন্দেহভাজন দুই আসামিকে আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে এ মামলার বিষয়ে পুলিশকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের আয়না হলেও আমাদের গণমাধ্যমের সেই আয়না এখনো নিখুঁত নয়। তাই দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে হবে। বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদণ্ড, এর বাইরে গণমাধ্যমের আর কোনো মানদণ্ড নেই।
৯ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান শতাব্দীপ্রাচীন বন্ধুত্ব এবং গভীর সাংস্কৃতিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।
১০ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩৯ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৪২৫ জন।
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানে দীর্ঘদিন অবস্থান করে সিসার ব্যবসার কৌশল শিখে দেশে ফিরে অনলাইনে অবৈধ সিসার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন দুই সহোদর। রাজধানীর চারটি স্থানে এক রাতে টানা অভিযান চালিয়ে সেই চক্রের দুই ভাইসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
১১ ঘণ্টা আগে