প্রকাশ্যে ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২৫, ১৫: ৪৮

প্রকাশ্যে ধর্ষকের শাস্তির দাবি এবং শাহবাগে পুলিশের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। শুক্রবার নামাজ শেষে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটের সামনে প্রথম সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। এরপর রাজধানীর পল্টনে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন মুসল্লিরা।

বিক্ষোভ মিছিলকে ঘিরে পল্টন ও বায়তুল মোকাররমের আশপাশের এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ সময় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, গোয়েন্দা পুলিশ ও পুলিশ সদস্যদের অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আর কোনো আছিয়ার যেন মৃত্যু না হয়। ধর্ষকের প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া হোক। ধর্ষণকারীদের ফাঁসি দিতে হবে।

স্বাধীনতা ৫৫ বছর হয়ে গেছে অথচ কোরআনের একটা আইন করতে পারলাম না। শাহবাগীদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দেওয়া হবে না বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

এসময় বিক্ষোভ মিছিলে তাদেরকে ‘ ফাঁসি দে ফাঁসি দে, ধর্ষককে ফাঁসি দে’, ‘ রশি লাগলে রশি নে, ধর্ষককে ফাঁসি দে’, ‘ ধর্ষকের জায়গা, বাংলাদেশে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

বাজেট বক্তৃতায় যা বললেন অর্থমন্ত্রী

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট জাতীয় সংসদে উত্থাপন করতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার। অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট উত্থাপন করবেন। এরই মধ্যে মন্ত্রিসভায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন সংসদে উত্থাপনের অপেক্ষা।

১১ ঘণ্টা আগে

বিশ্বকাপের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

এ ছাড়া ৫০ টাকা মূল্যমানের খামসংবলিত একটি স্যুভেনির শিট এবং পাঁচ টাকা মূল্যমানের একটি ডেটা কার্ডও প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠান উপলক্ষে ডাকসামগ্রীগুলোতে বিশেষ সিলমোহর ব্যবহারেরও আয়োজন করা হয়।

১৩ ঘণ্টা আগে

বাজেটে দাম কমতে ও বাড়তে পারে যেসব পণ্যের

দুই লাখ তেতাল্লিশ হাজার কোটি টাকার রেকর্ড বাজেট ঘাটতি সামনে রেখে কর ও শুল্ক কাঠামোতে যে বড় রদবদল আনা হচ্ছে, তার ফলে বেশ কিছু পণ্যের দাম কমতে পারে, আবার কিছু বিলাসী ও ক্ষতিকর পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

১৫ ঘণ্টা আগে

বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিতে আগ্রহী ইইউ

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইইউ’র পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এর মধ্যে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন, দক্ষতা উন্নয়ন, ইউরোপে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিক্ষা খাত অন্যতম।

১৬ ঘণ্টা আগে