কাজী আরেফ— প্রচারবিমুখ নিভৃতচারী রাজনীতিক

কাজী সালমা সুলতানা

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি শোষণ আর বঞ্চনার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর মূল শক্তি ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন নতুন গতি পায়। ভাষা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা— কোনো ক্ষেত্রেই মিল না থাকা সত্ত্বেও পূর্ব বাংলা আর পাকিস্তান মিলে ‘পাকিস্তান’ নামক রাষ্ট্র গঠন করা হয়। উভয় ভূখণ্ডে নানা ধর্মের মানুষের বসবাস থাকা সত্ত্বেও শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয় মুসলমানদের রাষ্ট্র ‘পাকিস্তান’। কিন্তু এই যুক্তির পেছনে যে অসারতা ছিল এবং নিছক পৃথক রাষ্ট্র গঠন করে নেতৃত্ব দখলই ছিল মূল কারণ, তা খুব অল্প সময়েই প্রকাশ পায়।

মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র গঠন করা হলেও শুরু থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানরা ছিল অবহেলিত। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে এই রাষ্ট্র গঠিত হয়। কিন্তু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকগণ সর্বদাই পূর্ব বাংলাকে উপেক্ষা করেছেন। লাহোর প্রস্তাবের উপস্থাপনকারী ছিলেন অবিভক্ত ভারতের প্রতিথযশা রাজনীতিক শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক। শিক্ষা-দীক্ষা, জনগণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা, দেশপ্রেম, নেতৃত্বের গুণাবলি— সব বৈশিষ্ট্য ধারণ করা সত্ত্বেও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বিবেচিত হলেন না। তার পরিবর্তে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাঞ্জাবের লিয়াকত আলী খানকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন। প্রকৃতপক্ষে দেশ ভাগের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের ঔপনিবেশে পরিণত হয়।

উপনিবেশ হিসেবে বাংলাকে শাসন-শোষণ করার আকাঙ্ক্ষা থেকেই প্রথমেই পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শাসকেরা পূর্ব বাংলার সংস্কৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করে। এর অংশ হিসেবেই তারা রাষ্ট্রভাষার বিতর্কের জন্ম দেয়। সে সময়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্য অগ্রাধিকার ছিল রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রণয়ন করা। কারণ তখনও ভারত-পাকিস্তান পূর্ণ স্বাধীনতার মর্যাদা পায়নি। ভারত-পাকিস্তান স্বাধীনতা পেয়েছিল ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই পাস হওয়া ভারত স্বাধীনতা আইনের বলে। এই আইনে বলা হয়েছিল, নিজ নিজ দেশের সংবিধান প্রণয়নের পর ভারত ও পাকিস্তান পূর্ণ স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা পাবে।

পাকিস্তান সরকার শুরুতেই রাষ্ট্রভাষার বিতর্ক সৃষ্টি করে বাঙালির মানসপটে লালিত জাতিসত্তার বিষয়টিকে উসকে দেয়। এই আন্দোলনের ভেতর দিয়েই জাতিসত্তা বিকশিত হওয়ার সূচনা ঘটে। ধাপে ধাপে এই জাতিসত্তার জাগরণ ঘটে এবং চূড়ান্ত পরিণতি মুক্তিযুদ্ধ। আর যুদ্ধের ভেতর দিয়েই অভ্যুদয় ঘটে বাঙালির স্বাধীন সার্বভৌম জাতিরাষ্ট্র ‘বাংলাদেশ’।

বাঙালি সংস্কৃতির পূর্ণ জাগরণ ঘটে ষাটের দশকে। এর আগে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে পাকিস্তানের ক্ষমতা দখল করেন। একদিকে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির সংঘটিত হওয়ার উদ্যোগ, অন্যদিকে ১৯৬২ সালে পূর্ব বাংলার জন্য নতুন শিক্ষা কমিশন গঠন— ফলে ছাত্রসমাজও তাদের দাবি নিয়ে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পায়। ১৯৬২ সালে এই শিক্ষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান সরকার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করে। তৎকালীন ছাত্রনেতাদের দৃঢ় অবস্থান সরকার সৃষ্ট এই দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়।

এ সময়ে ছাত্ররাজনীতির কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)। এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বাংলাভাষার ব্যবহার জোরদার করার আন্দোলন। বিভিন্ন দোকান, বাসাবাড়ি ও গাড়ির নম্বর প্লেটে বাংলায় লেখার রীতি চালু করা হয়। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ। বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলনকে ঘিরে ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন কাজী আরেফ আহমেদ। এ সময়েই এই তিন ছাত্রনেতা ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে গড়ে তোলেন গোপন সংগঠন ‘স্বাধীন পূর্ব বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’। এই বিপ্লবী পরিষদকে বলা হয়ে থাকে স্বাধীনতার নিউক্লিয়াস।

কাজী আরেফ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
কাজী আরেফ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনীতিতে অত্যন্ত নিভৃতচারী নেতা ছিলেন কাজী আরেফ আহমেদ। তিনি ছিলেন জগন্নাথ কলেজের ছাত্র। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু ছাত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে।

১৯৬৬ সালে বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা’ ঘোষণার মাধ্যমে স্বাধিকারের বিষয়টি সামনে চলে আসে। এই ছয় দফা প্রশ্নে আওয়ামী লীগ বিভক্ত হয়ে যায়। এ সময়ে এগিয়ে আসেন ছাত্রনেতারা। কাজী আরেফ তখন ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি। তার নেতৃত্বে ছয় দফার সমর্থনে প্রথম ঢাকা শহরে ছাত্রলীগ মিছিল করে।

১৯৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং এই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ সংঘটিত করা—প্রতিটি ক্ষেত্রেই কাজী আরেফ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তার পৈতৃক নিবাস ঢাকার টিকাটুলীর ১৪/৩ অভয় দাস লেনের বাড়িতে ছিল সাইক্লোস্টাইল মেশিন। এই মেশিনে সে সময়ে লিফলেট তৈরি করে প্রচার করার ক্ষেত্রে তিনি বাড়তি সুবিধা পেতেন।

১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল বাঙালির মুক্তির জন্য অগ্নিস্ফুলিঙ্গের মতো। বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে জাতিকে স্বাধীনতার জন্য প্রস্তুত করা এবং দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রধান শক্তি ছিল ছাত্রলীগ। জাতীয় সংগীত নির্ধারণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, স্বাধীনতার ইশতেহার ঘোষণাসহ প্রতিটি পর্বেই স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ ভূমিকা পালন করে। এই সংগঠনই মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) বা মুজিব বাহিনী নামে পরিচিত হয়।

সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা ছয় দফার প্রতি বাঙালি নিরঙ্কুশ সমর্থন ব্যক্ত করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী বাঙালিকে ক্ষমতায় বসতে না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে। এ সময়ে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৭০ সালে গঠন করা হয় ‘জয় বাংলা বাহিনী’। এর অন্যতম সংগঠক ছিলেন কাজী আরেফ আহমেদ।

স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকার অন্যতম রূপকার ছিলেন তিনি। ১৯৭০ সালের জুন মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ইকবাল হলের (বর্তমানে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) এক কক্ষে সহকর্মীদের নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকার নকশা করেন। প্রাথমিকভাবে এটিকে জয় বাংলা বাহিনীর পতাকা বলা হলেও বিপ্লবী পরিষদের সিদ্ধান্ত ছিল এটিই হবে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। বঙ্গবন্ধুর সমর্থন নিয়েই এটি চূড়ান্ত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি দেরাদুনে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। বিএলএফ বা মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলীয় সেক্টরের উপ-অধিনায়ক ছিলেন তিনি। চারটি সেক্টরের সঙ্গে হাইকমান্ডের একজন হিসেবে সমন্বয়ের দায়িত্বও পালন করেন। মুজিব বাহিনীর গোয়েন্দা শাখার প্রধান ছিলেন কাজী আরেফ।

স্বাধীন দেশে আত্মপ্রকাশ করা প্রথম রাজনৈতিক দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি। সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে তিনি এ সংগঠনে আমৃত্যু নেতৃত্ব দেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগ বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগকে সক্রিয় করতে কাজী আরেফ আহমেদ সমমনা দলগুলো নিয়ে গড়ে তোলেন ১০ দলীয় ঐক্যজোট। তিনি রাজনীতিতে সেনাছাউনির হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধী ছিলেন।

আজীবন প্রচারবিমুখ এই সব্যসাচী রাজনীতিবিদ নেপথ্যে থেকে রাজনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ন্ত্রণ করে দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। দেশের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে তিনি পালন করেছেন নীতিনির্ধারকের ভূমিকা।

১৯৮৭ সালের জুনে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯ মাস কারাভোগের পর ১৯৮৮ সালের ২৯ মার্চ মুক্তি পান।

১৯৯১ সালের ২৯ ডিসেম্বর যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম জামায়াতের আমির হিসেবে প্রকাশ্যে আসেন। এ সময় কাজী আরেফ আহমেদ সমমনা রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সামাজিক দলগুলোকে সংগঠিত করে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে গড়ে তোলেন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি।

স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে ২৬ মার্চ ১৯৯২ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণআদালত স্থাপন করা হয়। এ আন্দোলনে অসামান্য অবদান রাখেন কাজী আরেফ আহমেদ।

মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনানী ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক জনসভায় প্রকাশ্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় এ হত্যাকাণ্ডের বিচার হলেও সব অপরাধীর সাজা কার্যকর হয়নি। কয়েকজন এখনও পলাতক। অজাতশত্রু এই রাজনৈতিক নেতার হত্যাকাণ্ডের রহস্য আড়ালেই রয়ে গেছে।

কাজী আরেফ আহমেদ ছিলেন পরিপূর্ণ এক সংগ্রামী নেতা। ক্ষমতার মোহ তাকে কখনোই আচ্ছন্ন করতে পারেনি। একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে তিনি দেশের রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ। তার মৃত্যুদিবসে জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি।

লেখক: জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী, বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

লক্ষাধিক কর্মীর কাঠামো, বিপুল অর্থের নির্বাচন

এভাবেই লাখ লাখ ভোটারকে একত্রিত করতে সক্ষম একটি নির্বাচন দলীয় কর্মী বাহিনীর একত্রিতকরণের একটি অপারেশনে পরিণত হয়। ফলে শুধু ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনাতেই কয়েক লাখ সংগঠিত কর্মী মাঠে নামাতে হয়। এই মানুষগুলো স্বেচ্ছাসেবী নন, তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় অর্থ, প্রভাব ও সুবিধার আশ্বাস দিয়ে।

৭ দিন আগে

বিকৃত ইতিহাস, অনুর্বর জাতি, অসুস্থ মস্তিষ্ক

বিপরীতভাবে, ইতিহাস যখন বিকৃত হয়— ইচ্ছাকৃতভাবে কিংবা অবহেলার কারণে— তখন একটি জাতি ধীরে ধীরে তার শেকড় হারাতে শুরু করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইতিহাস বিকৃতির বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই একটি গভীর ও বহুমাত্রিক সংকট হিসেবে বিদ্যমান।

৮ দিন আগে

অমর একুশের বইমেলা: সত্যিই কি প্রাণের কথা বলে?

অর্থাৎ এ পর্যন্ত তিনবার ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন হয়েছে; এবারেরটি হবে চতুর্থ। তবে নির্বাচনের কারণে বইমেলা কখনো বন্ধ থাকেনি। ১৯৭৯ সালে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেলা চলেছে। ১৯৯১ সালেও মেলা চলেছে পুরো ফেব্রুয়ারি জুড়ে। ১৯৯৬ সালেও একই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল। ১৯৭৯ সালের মেলাটি কিছুটা ব্যতিক

৯ দিন আগে

আমরা সবাই গাধা…

যতদিন শাসনব্যবস্থা মানুষকে রাজকীয় যন্ত্রের বিনিময়যোগ্য যন্ত্রাংশ হিসেবে গণ্য করবে, ততদিন এ দেশ বহু রাজার, শোষিত প্রজার দেশ হয়েই থাকবে— আর নাগরিকরা চিরকালই গলা মিলিয়ে গান গাইতে বাধ্য হবে— আমরা সবাই গাধা…

১১ দিন আগে