
বিবিসি বাংলা

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নাটোরের কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সেখানকার পুলিশ। পাশাপাশি শত বছরের পুরনো মহাশ্মশানের মন্দিরে সংরক্ষিত পুরনো আমলের কাসা, পিতল ও তামার বিপুল পরিমাণ তৈজসপত্র চুরির ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে যার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তিনি গত প্রায় ২৪ বছর ধরে ওই মন্দিরে রাতযাপন করতেন। তার নাম তরুণ দাস। আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি নাটোরের আলাইপুরের কালী চন্দ্র দাসের ছেলে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে সকালে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রাজশাহী থেকে সিআইডি ও ক্রাইমসিন সদস্যরা গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
"সিআইডি দেখেছে। তাৎক্ষণিকভাবে মনে হচ্ছে চুরি করতে এসে দুষ্কৃতিকারীরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। যিনি মারা গেছেন তিনি কিছুটা অপ্রকৃতস্থ ছিলেন কিন্তু মন্দিরেই রাতে অবস্থান করতেন," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
শনিবার সকালে মন্দির থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ওই মন্দিরের সেবায়েতকে হত্যা করার খবর ছড়িয়ে পড়লেও মন্দির কমিটির সভাপতি সুবল দাস বলছেন নিহত ব্যক্তি সেবায়েত ছিলেন না, তবে গত চব্বিশ বছর ধরে ওই মন্দিরেই তিনি রাতযাপন করতেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেছেন এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মহাশ্মশান ও মন্দিরে কী ঘটেছে
পুলিশ বছর সকালে গার্ডরা এসে ভেতরে ঢোকার পর মন্দিরে থাকা ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পায়। রশি দিয়ে একটি বেঞ্চির সাথে তার হাত-পাসহ শরীর শক্ত করে বাঁধা ছিলো বলে জানিয়েছে পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।
খবর পেয়েই পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। এরপর রাজশাহী থেকে সিআইডি ও ক্রাইমসিন সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর মন্দিরে ডাকাতির কথা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়লেও মি. রহমান বলছেন প্রাথমিকভাবে তাদের কাছে এটিকে ডাকাতি মনে হয়নি।
"যিনি মারা গেছেন তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ। একাই রাতে সেই শ্মশানে থাকতেন তিনি। মনে হচ্ছে কেউ চুরি করতে এসেছিলো এবং তারাই হয়তো এটি ঘটিয়েছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
মন্দির কমিটির সভাপতি সুবল দাস বলছেন এই মহাশ্মশান শত বছরের পুরনো এবং ওই অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা। তিনি জানান মহাশ্মশানের মন্দিরে নিয়মিত নিত্যপূজা ও বার্ষিক পূজা ছাড়াও প্রতি শুক্রবার অনুষ্ঠান হয়।
‘দিনের বেলায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপত্তা রক্ষী থাকলেও রাতে সেখানে কোনো গার্ড থাকে না। এই সুযোগেই শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
তিনি জানান নিহত তরুণ দাসের বাড়ি শহরে হলেও তিনি রাতে শ্মশানেই থাকতেন। ‘সকালে গার্ডরা এসে দেখতে পায় তরুণ দাসের হাত পা বাধা শক্ত করে বাধা একটি বেঞ্চির সাথে। মাথায় রক্ত ছিলো এবং তাকে মৃত অবস্থাতেই পাওয়া গেছে,’ বলছিলেন মি. দাস।
তিনি বলেন, ‘চুরি হোক আর ডাকাতি হোক, যারা এসেছে তারা মূল মন্দিরে গ্রিল ভেঙে ঢুকেছে। ভেতরে ঢুকে পুরনো অনেক দামি জিনিস নিয়ে গেছে ভাণ্ডার রুম থেকে। এর মধ্যে মহামূল্যবান কাসা, পিতল ও তামার জিনিসও আছে। তারা ওগুলো নিয়ে গেছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী বলছেন পরিস্থিতি দেখে তারা ধারণা করছেন যে চুরি দেখে ফেলে চিৎকার চেঁচামেচি করার কারণে চোরেরা ওই ব্যক্তিকে আঁটোসাঁটো করে বেঁধে রেখেছিলো। ‘এবং দীর্ঘ সময় ওভাবে থাকা এবং আঘাতের কারণে তিনি মারা গিয়ে থাকতে পারেন। তবে পোস্টমর্টেম ও অন্য তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে,’ বলছিলেন আখতার জাহান সাথী।
কিন্তু এতো পুরনো একটি শ্মশান ও মন্দিরে চুরির ঘটনার জের ধরে হত্যাকাণ্ড হওয়ার বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা হচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যেই। সকালে লাশ উদ্ধারের পরপরই ঘটনাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে শ্মশান এলাকাটি যেহেতু কিছুটা নির্জন এবং সেখানে লোকজন খুব একটা যেতো না, এই সুযোগে কেউ কেউ জায়গাটিকে মাদকসেবনের জন্য ব্যবহার করতো। ‘যারা নেশা করে তাদেরও কাজ হতে পারে এটি,’ বলছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মি. রহমান।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দেশে বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বাড়িঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার অভিযোগ এসেছিলো।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইং থেকে গত দশই ডিসেম্বর জানানো হয়েছিলো যে দেশে গত ৫ই অগাস্ট থেকে ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের টার্গেট (লক্ষ্য) করে সহিংসতার ঘটনায় ৮৮টি মামলায় ৭০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এরপরের ঘটনাগুলোর বিষয়েও মামলা হয়েছে। সেই তালিকাও পুলিশ করছে বলে তখন প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছিলো। ‘গ্রেপ্তারের সংখ্যা আরও বাড়বে। মামলার সংখ্যাও দু-একটা বাড়তে পারে। কারণ, সুনামগঞ্জে একটি ঘটনা ঘটেছে। কিছু কিছু জায়গায়, চট্টগ্রাম, ঢাকার তুরাগ ও নরসিংদীতে ঘটনা ঘটেছে,’ এক সংবাদ সম্মেলনে তখন বলেছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এছাড়াও সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের আগে ও পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন নিপীড়নের অভিযোগে এসেছে।
বিশেষ করে ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর 'নির্যাতন ও সহিংসতার' বিভিন্ন তথ্য নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে, যা বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই 'অতিরঞ্জন ও অপপ্রচার' হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলা নাটোরের কেন্দ্রীয় মহাশ্মশান থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সেখানকার পুলিশ। পাশাপাশি শত বছরের পুরনো মহাশ্মশানের মন্দিরে সংরক্ষিত পুরনো আমলের কাসা, পিতল ও তামার বিপুল পরিমাণ তৈজসপত্র চুরির ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে যার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তিনি গত প্রায় ২৪ বছর ধরে ওই মন্দিরে রাতযাপন করতেন। তার নাম তরুণ দাস। আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি নাটোরের আলাইপুরের কালী চন্দ্র দাসের ছেলে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন যে সকালে ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রাজশাহী থেকে সিআইডি ও ক্রাইমসিন সদস্যরা গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
"সিআইডি দেখেছে। তাৎক্ষণিকভাবে মনে হচ্ছে চুরি করতে এসে দুষ্কৃতিকারীরা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। যিনি মারা গেছেন তিনি কিছুটা অপ্রকৃতস্থ ছিলেন কিন্তু মন্দিরেই রাতে অবস্থান করতেন," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
শনিবার সকালে মন্দির থেকে মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ওই মন্দিরের সেবায়েতকে হত্যা করার খবর ছড়িয়ে পড়লেও মন্দির কমিটির সভাপতি সুবল দাস বলছেন নিহত ব্যক্তি সেবায়েত ছিলেন না, তবে গত চব্বিশ বছর ধরে ওই মন্দিরেই তিনি রাতযাপন করতেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেছেন এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
মহাশ্মশান ও মন্দিরে কী ঘটেছে
পুলিশ বছর সকালে গার্ডরা এসে ভেতরে ঢোকার পর মন্দিরে থাকা ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পায়। রশি দিয়ে একটি বেঞ্চির সাথে তার হাত-পাসহ শরীর শক্ত করে বাঁধা ছিলো বলে জানিয়েছে পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।
খবর পেয়েই পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। এরপর রাজশাহী থেকে সিআইডি ও ক্রাইমসিন সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃতদেহ উদ্ধারের পর মন্দিরে ডাকাতির কথা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়লেও মি. রহমান বলছেন প্রাথমিকভাবে তাদের কাছে এটিকে ডাকাতি মনে হয়নি।
"যিনি মারা গেছেন তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ। একাই রাতে সেই শ্মশানে থাকতেন তিনি। মনে হচ্ছে কেউ চুরি করতে এসেছিলো এবং তারাই হয়তো এটি ঘটিয়েছে," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
মন্দির কমিটির সভাপতি সুবল দাস বলছেন এই মহাশ্মশান শত বছরের পুরনো এবং ওই অঞ্চলের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা। তিনি জানান মহাশ্মশানের মন্দিরে নিয়মিত নিত্যপূজা ও বার্ষিক পূজা ছাড়াও প্রতি শুক্রবার অনুষ্ঠান হয়।
‘দিনের বেলায় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপত্তা রক্ষী থাকলেও রাতে সেখানে কোনো গার্ড থাকে না। এই সুযোগেই শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।
তিনি জানান নিহত তরুণ দাসের বাড়ি শহরে হলেও তিনি রাতে শ্মশানেই থাকতেন। ‘সকালে গার্ডরা এসে দেখতে পায় তরুণ দাসের হাত পা বাধা শক্ত করে বাধা একটি বেঞ্চির সাথে। মাথায় রক্ত ছিলো এবং তাকে মৃত অবস্থাতেই পাওয়া গেছে,’ বলছিলেন মি. দাস।
তিনি বলেন, ‘চুরি হোক আর ডাকাতি হোক, যারা এসেছে তারা মূল মন্দিরে গ্রিল ভেঙে ঢুকেছে। ভেতরে ঢুকে পুরনো অনেক দামি জিনিস নিয়ে গেছে ভাণ্ডার রুম থেকে। এর মধ্যে মহামূল্যবান কাসা, পিতল ও তামার জিনিসও আছে। তারা ওগুলো নিয়ে গেছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আখতার জাহান সাথী বলছেন পরিস্থিতি দেখে তারা ধারণা করছেন যে চুরি দেখে ফেলে চিৎকার চেঁচামেচি করার কারণে চোরেরা ওই ব্যক্তিকে আঁটোসাঁটো করে বেঁধে রেখেছিলো। ‘এবং দীর্ঘ সময় ওভাবে থাকা এবং আঘাতের কারণে তিনি মারা গিয়ে থাকতে পারেন। তবে পোস্টমর্টেম ও অন্য তদন্ত শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে,’ বলছিলেন আখতার জাহান সাথী।
কিন্তু এতো পুরনো একটি শ্মশান ও মন্দিরে চুরির ঘটনার জের ধরে হত্যাকাণ্ড হওয়ার বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা হচ্ছে স্থানীয়দের মধ্যেই। সকালে লাশ উদ্ধারের পরপরই ঘটনাটি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে শ্মশান এলাকাটি যেহেতু কিছুটা নির্জন এবং সেখানে লোকজন খুব একটা যেতো না, এই সুযোগে কেউ কেউ জায়গাটিকে মাদকসেবনের জন্য ব্যবহার করতো। ‘যারা নেশা করে তাদেরও কাজ হতে পারে এটি,’ বলছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা মি. রহমান।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের দেশে বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বাড়িঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার অভিযোগ এসেছিলো।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইং থেকে গত দশই ডিসেম্বর জানানো হয়েছিলো যে দেশে গত ৫ই অগাস্ট থেকে ২২শে অক্টোবর পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের টার্গেট (লক্ষ্য) করে সহিংসতার ঘটনায় ৮৮টি মামলায় ৭০ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
এরপরের ঘটনাগুলোর বিষয়েও মামলা হয়েছে। সেই তালিকাও পুলিশ করছে বলে তখন প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছিলো। ‘গ্রেপ্তারের সংখ্যা আরও বাড়বে। মামলার সংখ্যাও দু-একটা বাড়তে পারে। কারণ, সুনামগঞ্জে একটি ঘটনা ঘটেছে। কিছু কিছু জায়গায়, চট্টগ্রাম, ঢাকার তুরাগ ও নরসিংদীতে ঘটনা ঘটেছে,’ এক সংবাদ সম্মেলনে তখন বলেছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
এছাড়াও সনাতন জাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারের আগে ও পরেও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন নিপীড়নের অভিযোগে এসেছে।
বিশেষ করে ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর 'নির্যাতন ও সহিংসতার' বিভিন্ন তথ্য নিয়মিত প্রকাশ হচ্ছে, যা বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই 'অতিরঞ্জন ও অপপ্রচার' হিসেবে উল্লেখ করে আসছে।

বর্তমান সরকার হাম প্রতিরোধে সকল ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এই মৃত্যুর দায় কোনোভাবেই বর্তমান সরকারের ওপর বর্তায় না। তাহলে এক্ষেত্রে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে বাধা কোথায়? হামে ছয় শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত এবং দোষীদের বিচারের আওতায় না আনা হলে, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ব
৪ দিন আগে
সাম্প্রতিক সময়ের তিনটি আলোচিত ঘটনা যেন একই নাটকের তিনটি দৃশ্য। চরিত্র আলাদা, সংলাপ আলাদা, কিন্তু প্রশ্ন একটাই— প্রকৃত সত্য কী? সবটাই যে সত্য, তা নয়। আবার সবটাই যে মিথ্যা, সেটিও বলা যায় না। আর এই ধূসর অঞ্চলেই সবচেয়ে বেশি ক্ষয় হয় জনবিশ্বাসের।
৫ দিন আগে
ফিফা বিশ্বকাপ, অলিম্পিক গেমসের মতো, প্রায়শই ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও মানবিক সাফল্যের উৎসব হিসাবে উপস্থাপিত হয়। কিন্তু জৌলুস আর আড়ম্বরের আড়ালে লুকিয়ে আছে আরও তাৎপর্যপূর্ণ এক বাস্তবতা: মেগা-ক্রীড়া ইভেন্টগুলো আধুনিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী ভূ-রাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
১০ দিন আগে
প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতি মানুষের জীবনকে সহজ, দ্রুত এবং বিশ্বসংযুক্ত করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশ্ব নতুন কিছু সামাজিক, মানসিক ও শিক্ষাগত সংকটও তৈরি করেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্ফোরণমূলক বিস্তার শিশু, কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের বিকাশ, শিক্ষাগ্রহণ, নৈতিকতা, সৃজনশীলতা এ
১২ দিন আগে