গণমাধ্যমে নারী-শিশুদের নিয়ে ‘দায়িত্বহীনতা’

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

গণমাধ্যমে নারী ও শিশুদের নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা দেখা যায় না৷ দুই দশকের বেশি সময় ধরে সম্প্রচার গণমাধ্যম চালু হয়েছে কিন্তু এখানেও শিশু বিষয়ক প্রতিবেদনে কি দেখানো হবে বা কি উহ্য রাখা হবে সে বিষয়ে কোনো ঐক্যমতে পৌঁছানো যায়নি৷ ফলে অনেক মিডিয়া লাগামহীনভাবে যা ইচ্ছা তাই করে যাচ্ছে৷ মুরাদনগরে নারীর সাথে মিডিয়া যা করেছে তা দেশের সাংবাদিকতা আরও এক ধাপ পিছিয়ে দিয়ে মবে তারা মনে করেন৷


অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সচেতনতার পাশাপাশি সাংবাদিক ও গেটকিপারদের মানসিকতা পরিবর্তন জরুরি বলে মনে করেন তারা৷

ধর্ষণের ঘটনাকে সংবাদের বড় পণ্য হিসেবে গণ্য করে বড় হেডলাইন, বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ও বিভৎস বিবরণ থেকে বিরত থাকার আহবান জানিয়েছেন তারা৷ এছাড়াও ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করার সংস্কৃতি বন্ধ করে দায়িত্বশীল, তথ্যভিত্তিক এবং মানবিক সাংবাদিকতা সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে বলে তারা মনে করেন৷ অন্যথায়, আইনি সহায়তা বিচারের পাওয়ার পরিবর্তে ভিকটিম শুধু হয়রানির মুখোমুখি হবে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

ভয়, পতন আর উৎসব: আমার দেখা ৫ আগস্ট

৫ আগস্ট রাতের সেই এক ধরনের ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ পরিস্থিতি একটা চাপা শঙ্কা তৈরি করেছিল, সন্দেহ নেই। কিন্তু তার পাশেই যা দেখেছিলাম— দেশের ইতিহাসে স্বৈরাচার পতনের পর সাধারণ মানুষের মুখে ফুটে ওঠা সেই অবর্ণনীয় আনন্দ— তা ছিল সম্পূর্ণ খাঁটি, সম্পূর্ণ অকৃত্রিম।

৫ দিন আগে

কী দিয়েছে ৫ আগস্ট, কী দিতে পারেনি?

আজ ৫ আগস্ট ২০২৬। সেই দুপুরের ঠিক দুই বছর পর। যে মিছিল সেদিন শাহবাগ, শহিদ মিনার আর যমুনার সামনের রাস্তায় থেমে গিয়েছিল আনন্দ-উল্লাসে, তার পায়ের শব্দ আজও যেন মিলিয়ে যায়নি। বদলেছে সরকার, বদলেছে সংসদ, বদলেছে রাষ্ট্রের নথিপত্র। কিন্তু সেই দিনের প্রশ্নগুলো এখনো বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

৫ দিন আগে

৫ আগস্ট: ইতিহাস নির্মাণের গণঅভ্যুত্থান দিবস

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা কয়েক সপ্তাহের ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ, রক্তক্ষয় এবং দেশ জুড়ে অশান্তির পর ক্ষমতা ত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। তার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদে চেপে বসা ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।

৫ দিন আগে

চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সমীকরণ

বাংলাদেশ আজ আর সাহায্যনির্ভর রাষ্ট্র নয়; বরং উদীয়মান একটি আঞ্চলিক অর্থনীতি। সেই বাস্তবতার আলোকে কূটনীতিও হতে হবে আত্মবিশ্বাসী, ভারসাম্যপূর্ণ এবং দূরদর্শী। বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে, কিন্তু কারও প্রভাববলয়ে আবদ্ধ না হয়ে, বাংলাদেশ তার সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা অটু

৬ দিন আগে