
মো. সিদ্দিকুর রহমান

কিছুদিন আগে শহীদুল্লাহ ফরাজীর একটা লেখা পড়লাম। তাতে দেখতে পেলাম রাষ্ট্রের আদর্শ, দর্শন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক বিচার ব্যবস্থাকে অতীতের ক্ষমতাসীনরা ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে। অতীতের ক্ষমতাসীনদের সহযোগী হিসেবে দেখতে পেলাম জাসদ নামক একটি রাজনৈতিক দল তাদের ক্ষমতাসীনদের বিদায় করার পেছনে প্রধান সহযোগী ছিলেন।
জনাব ফরাজী সাহেব ‘বাংলাদেশ প্রতিদিনে’ পত্রিকার ওই লেখায় এসব ব্যাপারে কিছু বলেননি। প্রজাতন্ত্র ৫৩ বছরে সামরিক একনায়কতন্ত্রের কারণে রাষ্ট্র ক্রমাগত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তার পেছনে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কাজ করছে (ভুয়া সমাজতন্ত্র)। অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই জাসদ তাদের কাজে উৎসাহিত করছে। আ স ম আব্দুর রব ও হাসানুল হক ইনু তাদের মধ্যে অন্যতম সহযোগী ছিল।
এখানে উল্লেখ্য যে, ১৯৮৮ সালে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের সহযোগী হিসেবে সামরিক সরকারের অংশীদারের জন্য ৭২ দল নামক একটি সর্বদলীয় সম্মিলিত বিরোধী দল একটি মোর্চা গঠন করেন। এরশাদ সরকারকে বৈধতা দেওয়ার জন্য তারা ৮৮’র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন সম্পন্ন করে এবং জনাব আ স ম রব এই ভোটারবিহীন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের নেতা হন। এই শহীদুল্লাহ ফরাজী তার অন্যতম সহযোগী ছিলেন। জাসদ সমাজতন্ত্রের নামে গণবাহিনী সৃষ্টি করে বাংলাদেশের হাজার হাজার যুবকের জীবন নষ্ট করেছেন।
বাংলাদেশের মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল এবং মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধিতা করে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই আওয়ামী লীগের ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে সহযোগিতা করেন জনাব আ স ম রব, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন। তারা মন্ত্রীত্বের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে ১৯৮৮, ১৯৯৬, ২০০৪, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার বিহীন নির্বাচন করতে সক্রিয় সহযোগিতা করেন।
১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানকে ও পশ্চিম পাকিস্তানের সন্ত্রাসী বাহিনী ও সামরিক বাহিনী দ্বারা নির্যাতন করে তাদের পাকিস্তান রক্ষা করতে পারে নাই এবং এদেশের সাধারণ মানুষ আবাল, বৃদ্ধ, যুবক, সর্বস্তরের জনগণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে। ৫৩ বছর পরে আজও বাংলাদেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন আওয়ামী লীগ চালু রেখেছিল যা দেশের সর্বস্তরের জনগণ কখনো মেনে নেয়নি।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলন করে ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসককে হটিয়ে ৫ আগস্ট বাংলাদেশে নতুন স্বাধীনতা লাভ করেছে।
১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি সেটা ছিল ভৌগলিক স্বাধীনতা। মূলত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছিল না, মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের যে স্বাধীনতা তা মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সকল বৈষম্যবিরোধী অবসান ঘটিয়ে সমাজের ন্যায় বিচার, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
লেখক: সভাপতি, ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টি

কিছুদিন আগে শহীদুল্লাহ ফরাজীর একটা লেখা পড়লাম। তাতে দেখতে পেলাম রাষ্ট্রের আদর্শ, দর্শন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক বিচার ব্যবস্থাকে অতীতের ক্ষমতাসীনরা ঝেঁটিয়ে বিদায় করেছে। অতীতের ক্ষমতাসীনদের সহযোগী হিসেবে দেখতে পেলাম জাসদ নামক একটি রাজনৈতিক দল তাদের ক্ষমতাসীনদের বিদায় করার পেছনে প্রধান সহযোগী ছিলেন।
জনাব ফরাজী সাহেব ‘বাংলাদেশ প্রতিদিনে’ পত্রিকার ওই লেখায় এসব ব্যাপারে কিছু বলেননি। প্রজাতন্ত্র ৫৩ বছরে সামরিক একনায়কতন্ত্রের কারণে রাষ্ট্র ক্রমাগত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে বিচ্যুত হয়েছে। তার পেছনে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কাজ করছে (ভুয়া সমাজতন্ত্র)। অন্যায়ের বিরুদ্ধে এই জাসদ তাদের কাজে উৎসাহিত করছে। আ স ম আব্দুর রব ও হাসানুল হক ইনু তাদের মধ্যে অন্যতম সহযোগী ছিল।
এখানে উল্লেখ্য যে, ১৯৮৮ সালে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের সহযোগী হিসেবে সামরিক সরকারের অংশীদারের জন্য ৭২ দল নামক একটি সর্বদলীয় সম্মিলিত বিরোধী দল একটি মোর্চা গঠন করেন। এরশাদ সরকারকে বৈধতা দেওয়ার জন্য তারা ৮৮’র নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে একটি ভোটারবিহীন নির্বাচন সম্পন্ন করে এবং জনাব আ স ম রব এই ভোটারবিহীন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের নেতা হন। এই শহীদুল্লাহ ফরাজী তার অন্যতম সহযোগী ছিলেন। জাসদ সমাজতন্ত্রের নামে গণবাহিনী সৃষ্টি করে বাংলাদেশের হাজার হাজার যুবকের জীবন নষ্ট করেছেন।
বাংলাদেশের মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল এবং মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধিতা করে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিরা ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেই আওয়ামী লীগের ভোটারবিহীন নির্বাচন করতে সহযোগিতা করেন জনাব আ স ম রব, হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন। তারা মন্ত্রীত্বের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে ১৯৮৮, ১৯৯৬, ২০০৪, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার বিহীন নির্বাচন করতে সক্রিয় সহযোগিতা করেন।
১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানকে ও পশ্চিম পাকিস্তানের সন্ত্রাসী বাহিনী ও সামরিক বাহিনী দ্বারা নির্যাতন করে তাদের পাকিস্তান রক্ষা করতে পারে নাই এবং এদেশের সাধারণ মানুষ আবাল, বৃদ্ধ, যুবক, সর্বস্তরের জনগণ তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে। ৫৩ বছর পরে আজও বাংলাদেশে ভোটারবিহীন নির্বাচন আওয়ামী লীগ চালু রেখেছিল যা দেশের সর্বস্তরের জনগণ কখনো মেনে নেয়নি।
বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলন করে ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসককে হটিয়ে ৫ আগস্ট বাংলাদেশে নতুন স্বাধীনতা লাভ করেছে।
১৯৭১ সালে যে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি সেটা ছিল ভৌগলিক স্বাধীনতা। মূলত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা ছিল না, মানুষের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু ৫ আগস্টের যে স্বাধীনতা তা মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সকল বৈষম্যবিরোধী অবসান ঘটিয়ে সমাজের ন্যায় বিচার, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করবে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।
লেখক: সভাপতি, ডেমোক্রেটিক পিপলস পার্টি

৫ আগস্ট রাতের সেই এক ধরনের ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ পরিস্থিতি একটা চাপা শঙ্কা তৈরি করেছিল, সন্দেহ নেই। কিন্তু তার পাশেই যা দেখেছিলাম— দেশের ইতিহাসে স্বৈরাচার পতনের পর সাধারণ মানুষের মুখে ফুটে ওঠা সেই অবর্ণনীয় আনন্দ— তা ছিল সম্পূর্ণ খাঁটি, সম্পূর্ণ অকৃত্রিম।
৫ দিন আগে
আজ ৫ আগস্ট ২০২৬। সেই দুপুরের ঠিক দুই বছর পর। যে মিছিল সেদিন শাহবাগ, শহিদ মিনার আর যমুনার সামনের রাস্তায় থেমে গিয়েছিল আনন্দ-উল্লাসে, তার পায়ের শব্দ আজও যেন মিলিয়ে যায়নি। বদলেছে সরকার, বদলেছে সংসদ, বদলেছে রাষ্ট্রের নথিপত্র। কিন্তু সেই দিনের প্রশ্নগুলো এখনো বাংলাদেশের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।
৫ দিন আগে
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানা কয়েক সপ্তাহের ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ, রক্তক্ষয় এবং দেশ জুড়ে অশান্তির পর ক্ষমতা ত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। তার পতনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ক্ষমতার মসনদে চেপে বসা ১৬ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ আজ আর সাহায্যনির্ভর রাষ্ট্র নয়; বরং উদীয়মান একটি আঞ্চলিক অর্থনীতি। সেই বাস্তবতার আলোকে কূটনীতিও হতে হবে আত্মবিশ্বাসী, ভারসাম্যপূর্ণ এবং দূরদর্শী। বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে, কিন্তু কারও প্রভাববলয়ে আবদ্ধ না হয়ে, বাংলাদেশ তার সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা অটু
৭ দিন আগে