সরকারের ৬ মাস: অর্থনীতিতে সম্ভাবনা, সাফল্য ও আগামীর ঝুঁকি

ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন সিদ্দিকী
আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৪: ০৫

যেকোনো নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসের কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করে তার সামগ্রিক মূল্যায়ন করা কঠিন কাজ। তবে সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতায় গত দুই বছরের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আনলে এই ছয় মাসের একটা স্পষ্ট চিত্র ফুটে ওঠে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর এক দীর্ঘ রূপান্তরকালীন সময় অতিক্রম করে বর্তমানে একটি নির্বাচিত সরকার দেশের অর্থনৈতিক হাল ধরেছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় বলা যায়, বর্তমান সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি ইতিবাচক দুয়ার খুলতে শুরু করেছে। তবে সেই সাফল্যের পথটি মসৃণ নয়, রয়েছে বেশ কিছু গভীর ও জটিল ঝুঁকিও।

রেমিট্যান্সের জোয়ার ও বৈদেশিক মুদ্রার স্থায়িত্ব

বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক অর্জনের খতিয়ান খুললে সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে নজর কাড়বে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের উল্লম্ফন। একসময় আমাদের রেমিট্যান্স যেখানে ২১ থেকে ২২ বিলিয়ন ডলারে স্থবির হয়ে পড়েছিল, তা বর্তমানে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এটি বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে এক বিশাল অবদান।

একটু হিসাব করলে দেখা যাবে, অর্থনীতিতে এই অতিরিক্ত প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের প্রবাহ না থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার যে সংকট তৈরি হতো, তাতে বাংলাদেশ টাকার মান ধরে রাখতে পারত না এবং দেশের মূল্যস্ফীতি আকাশচুম্বী হতে বাধ্য হতো। এই ধারাক্রম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় শুরু হয়েছিল এবং নির্বাচিত সরকার এসেও সেই প্রবাহ বজায় রাখতে পেরেছে— এটিকে নিঃসন্দেহে একটি বড় জয় হিসেবেই অভিহিত করতে হবে।

একইভাবে জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ যেখানে ২০ বিলিয়ন এবং গ্রস রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছিল, সেখান থেকে বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার পেরিয়ে গেছে। অতিরিক্ত এই সঞ্চয় আমাদের সামগ্রিক অর্থনীতিকে বাহ্যিক অভিঘাত থেকে অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত করেছে। ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারে এখনো বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ চাপ থাকলেও সার্বিকভাবে বাজার অস্থিতিশীল হয়ে পড়েনি, বরং এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, যা সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের স্বাক্ষর বহন করে।

মূল্যস্ফীতি ও গরিবের ‘বাস্কেট’ ট্র্যাজেডি

মূল্যস্ফীতি একসময় ১০, ১১ এমনকি ১২ শতাংশের রেকর্ড স্পর্শ করেছিল। পরিসংখ্যান দপ্তরের (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমে এসেছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একে ৯ থেকে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশে নামিয়ে এনেছিল, বর্তমান সরকার তা আরেকটু কমিয়েছে। অর্থনৈতিক সূচকের নিরিখে এটি একটি স্বস্তির আভাস দেয় বটে, কিন্তু মুদ্রার আরেক পিঠে এক করুণ বাস্তবতাও লুকিয়ে রয়েছে।

আসলে বিবিএসের মূল্যস্ফীতি পরিমাপ করা হয় ৭৫০ পণ্যের গড় মূল্যের ওপর ভিত্তি করে। সাধারণ খেটে খাওয়া ও গরিব মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় বাস্কেটে— বিশেষ করে শাকসবজি ও কাঁচাবাজারে দ্রব্যমূল্যের উত্তাপ কিন্তু এখনো কমেনি। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কপালে এখনো ৮ দশমিক ৩২ শতাংশের সিল মারা। ফলে বিবিএসের তথ্যে সামষ্টিক স্বস্তি থাকলেও গরিব মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের অস্বস্তি কিন্তু পুরোপুরি দূর হয়নি। এটি স্পষ্ট, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে হলে সরকারকে আরও দৃশ্যমান পদক্ষে নিতে হবে।

রাজস্ব খাত, এনবিআর ও প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা

সরকারের রাজস্ব আদায়ের চিত্রে কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বিদায়ী বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের সময় এনবিআরের রাজস্ব বৃদ্ধির যে গ্রাফ দেখা যাচ্ছে, তা আগের বা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তুলনামূলক সময়কালের চেয়ে ইতিবাচক। এনবিআরের ওপর কাঠামোগত চাপ বৃদ্ধি, তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি এবং কিছুটা হলেও প্রযুক্তিগত সংযোজনের ফলে এই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে।

আমাদের প্রতিবছর বাজেটে যে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ঘাটতি তৈরি হতো, এনবিআর যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে, তবে হয়তো আগামীতে আমাদের ঘাটতি বাজেট থেকে বেরিয়ে আসার একটি সম্ভাবনা তৈরি হবে। এনবিআরের লোকবল বাড়ানো এবং সংস্কার জোরদার করতে পারলে প্রতিবছর ঘাটতি বাজেট তৈরির যে কুখ্যাত ইতিহাস আমরা তৈরি করেছি, সেই ধারা এবার হয়তো ভাঙা সম্ভব হতে পারে।

ভূ-রাজনীতি, জ্বালানি সংকট ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ

সাফল্যের পাশাপাশি সরকারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক পাহাড়সম ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ। প্রথমত, কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে সরকারের যে নির্বাচনি ইশতেহার ছিল, গত ছয় মাসে তার কোনো দৃশ্যমান বা ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়নি। এর পেছনে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট ও অস্বাভাবিক সুদের হার। বিশ্ববাজারের তুলনায় বাংলাদেশে সুদের হার এখনো অত্যন্ত চড়া, যা নতুন উদ্যোগ ও বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করছে।

দ্বিতীয়ত, বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধের উত্তাপ সরাসরি আমাদের অর্থনীতিতে আঘাত হানছে। বাংলাদেশ মূলত একটি আমদানি-নির্ভর দেশ। কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি করেই তবে আমরা প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি করি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার কারণে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।

দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কিংবা বাধ্য হয়ে উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেকেরও কম শক্তিতে কারখানা চালু রাখতে হচ্ছে। এর ফলে বিপুলসংখ্যক মানুষের চাকরি হারানোর আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, যা সরাসরি বেকারত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে মন্থর করে দিচ্ছে।

যখন উৎপাদন কমে যায় কিন্তু সমাজে সমষ্টিগত চাহিদা একই থাকে কিংবা বৃদ্ধি পায়, তখন অর্থনীতির সাধারণ নিয়মে মূল্যস্ফীতি আবারও উসকে ওঠে। বিগত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে অতিরিক্ত ডলার কেনা বন্ধ রেখেছে, যা বাজারে ডলারের চাহিদার আধিক্যকে স্পষ্ট করে। আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানির খরচ বাড়লে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে পুনরায় টান পড়বে, যার ফলে টাকার মান ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠবে।

কোভিডের পরপরই বাংলাদেশ ৮৯ থেকে ৯২ বিলিয়ন ডলার আমদানি করেছিল, যেখানে সম্প্রতি আমরা ৬০ থেকে ৬৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছি। এর অর্থ হলো সামনে আমদানি বাড়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে, আর আমদানি বৃদ্ধি পাওয়া মানেই টাকার ওপর চাপ তৈরি হওয়া। আমাদের দেশের মূল্যস্ফীতির ৫০ শতাংশই আসে বৈশ্বিক বা বাহ্যিক কারণ থেকে। তাই টাকার অবমূল্যায়ন ঘটলে তা আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহকেও বাধাগ্রস্ত করবে।

পে-স্কেল, সামাজিক নিরাপত্তা ও এডিপি বাস্তবায়ন

সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বর্তমানে যথেষ্ট দুর্বল। এর ওপর এনবিআরের রাজস্ব আদায় বাড়লেও তা কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট নয়। এখনো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আমাদের কর-জিডিপি অনুপাত সর্বনিম্ন। এ পরিস্থিতিতে সরকারের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা এক বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ।

পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে বিশাল অঙ্কের অর্থের প্রয়োজন। যেহেতু রাজস্ব পর্যাপ্ত নয়, সেহেতু সরকারকে বিকল্প মেকানিজম বা টাকা ছাপানোর দিকে হাঁটতে হতে পারে, যা সরাসরি একটি অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির জন্ম দেবে।

অন্যান্য কাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে রয়েছে—

সামাজিক নিরাপত্তার অপচয়: সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই 'বর্জন ও অন্তর্ভুক্তির ভুল' ছিল প্রায় ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশের মতো। প্রকৃত দুঃস্থরা বাদ পড়ে রাজনৈতিক লোকজন সুবিধা পেতো। বর্তমান সরকার 'ফ্যামিলি কার্ড' চালুর যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা যদি কোনো কঠোর ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া করা হয়, তবে একই দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি ঘটবে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি): সরকারের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট বা এডিপি সময়মতো বাস্তবায়িত না হলে তা বেসরকারি বিনিয়োগকেও স্থবির করে দেয়। সরকারি বিনিয়োগ হলো বেসরকারি বিনিয়োগের পরিপূরক। বর্তমানে সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় টাকা না থাকায় এডিপির বড় অংশই ঋণ করে চালাতে হচ্ছে। সময়মতো এই অর্থায়ন না হলে এডিপি বাস্তবায়ন থমকে যাবে, ফলে সামষ্টিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হতে বাধ্য।

রাষ্ট্রীয় খাতের বেসরকারীকরণ: সাম্প্রতিক সময়ে সরকার দেশের কিছু অলাভজনক সেবামূলক খাত ও শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বেসরকারি খাতে হস্তান্তরের যে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, নীতিগত দিক থেকে আমি তাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রতিবছর ভর্তুকি দিয়ে অদক্ষ, লোকসানি ও সাস্টেইনেবিলিটি না থাকা কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বাঁচিয়ে রাখার কোনো অর্থনৈতিক যৌক্তিকতা নেই। এগুলোকে সরাসরি বেসরকারীকরণ বা প্রাইভেটাইজেশনে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।

তবে এখানেও একটি সতর্কতার জায়গা রয়েছে। অতীতে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেসরকারীকরণ করতে গিয়ে বহু দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং সম্পত্তির সঠিক মূল্যায়ন না করার মতো অনিয়ম আমরা দেখেছি। সুতরাং এই প্রক্রিয়াটি বাস্তবায়নে সরকার কতটুকু স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও সঠিক ব্যবস্থাপনার পরিচয় দিতে পারছে— তার ওপরই এর আসল সুফল নির্ভর করবে।

সব মিলিয়ে বলতে গেলে, বর্তমান সরকার তাদের মেয়াদের প্রথম ছয় মাসে অর্থনৈতিক উত্তরণের একটি সম্ভাবনাময় দুয়ার খুলতে সক্ষম হয়েছে। রেমিট্যান্সের উচ্চপ্রবাহ, রিজার্ভ বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে আসার মতো সূচকগুলো নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। কিন্তু এই অর্জনের আড়ালে রয়েছে বিশাল বৈশ্বিক ঝুঁকি, অভ্যন্তরীণ আর্থিক সীমাবদ্ধতা, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট ও পে-স্কেলের মতো বাড়তি ব্যয়ের চাপ।

সুতরাং অর্থনৈতিক সফলতার দরজা খুললেও সামনে বহুমাত্রিক ‘কিন্তু’ ও চ্যালেঞ্জ ঝুলছে। এই ছয় মাসের প্রাথমিক সাফল্য দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী হবে কি না, তা নির্ভর করবে সরকার কীভাবে এসব ভূ-রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলা করে, কীভাবে রাজস্ব বাড়ায় এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকিগুলোর সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা করতে পারে তার ওপর। দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা না গেলে শুরুর এই সাফল্য যেকোনো সময় বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

লেখক: অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Ad
Ad
ad
ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

জ্বালানি সংকট: সাময়িক সমাধানের চেয়ে প্রয়োজন আরও বেশি কিছু

বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট শেষ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধির সংকট। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া, আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, দুর্বল চাহিদা ব্যবস্থাপনা এবং বছরের পর বছর ধরে চলা পরিকল্পনার ঘাটতি মিলেই বারবার এই সংকট তৈরি করছে।

২ দিন আগে

শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির বাণিজ্যের পথ যেন সুগম না হয়

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার বিকল্প নেই। এনটিআরসিএ’র বিদ্যমান কাঠামোর কোনো দুর্বলতা থাকলে তা পর্যালোচনা ও সংস্কারের মাধ্যমে আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ করা যেতে পারে। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই এই প্রক্রিয়াকে পেছনে ঠেলে দিয়ে আবার ব্যক্তি বা কমিটির দুর্নীতির সুযোগ করে

২ দিন আগে

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট: দেশের জন্য অশনিসংকেত

এখন প্রতীয়মান হচ্ছে, এর কোনোটিই প্রত্যাশামাফিক কার্যকর হয়নি। ২০১১-১২ সাল থেকেই পেট্রোবাংলা গ্যাস আমদানিনির্ভর পরিকল্পনা গ্রহণ করে আসছে। ২০১৬-১৭ সালে নিজস্ব উৎস (পেট্রোবাংলা ও আইওসি মিলিয়ে) থেকে গ্যাসের উৎপাদন যেখানে ২৭০ কোটি ঘনফুটে পৌঁছেছিল, সেটা এখন কমে প্রায় ১৫০ কোটি ঘনফুটে এসে ঠেকেছে। এটা পেট্রোব

৩ দিন আগে

ত্রিদেশীয় নিরাপত্তা চুক্তি কি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনতে পারবে?

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সই হয়েছে। বিষয়টি সঙ্গত কারণে কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে আলোচিত হচ্ছে। কারণ মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর নিরাপত্তা সংকটের মধ্যে রয়েছে। তাছাড়া বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলেছে। তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে আজ মধ্যপ্র

৪ দিন আগে