সৃষ্টিলগ্ন থেকেই ভারতীয় রাজনীতির বিকাশসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে মুসলিমদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। স্বাধীনতা-পূর্ব যুগ থেকে শুরু করে স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় পর্যন্ত, এবং বর্তমান রাজনীতিতেও তাদের অবদান ভারতীয় ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বিস্তৃত। একইভাবে ভারতের অর্থনীতিতেও মুসলিমদের অবদান গভীর ও বহুমুখী।
তৎকালীন বিডিআর (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদতবরণকারী সেনা কর্মকর্তাদের স্মরণে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বক্তব্য দেন। সেখানে তিনি সবাইকে যেমন সতর্ক করেছেন, তেমনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে কথা বলেছেন।
‘বইমেলা শুধুই বই কেনা-বেচার জন্য নয়, বইমেলা সবাইকে আকৃষ্ট করে ও সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করবে।’ এই উক্তিটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা করেছেন ১ ফেব্রুয়ারিতে মাসব্যাপী একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে। দেশের সরকারপ্রধানের বক্তব্যে আরও উঠে এ
ঢাকার বনশ্রীতে একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করে ও চাপাতি দিয়ে কোপানোর ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে নিরাপত্তার প্রশ্নে; তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশে।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বাগ্যুদ্ধ চলে আসছে। এরই মধ্যে ছাত্রদল ও শিবির প্রকাশ্য বিরোধ, এমনকি সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েছে। কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছে না, একে অন্যকে দোষারোপ করেই চলেছে।
দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল বা নিষিদ্ধ করার দাবি যখন জোরালো হচ্ছে, সেই সময় সারা দেশে প্রবল চাপের মুখে থাকা দলটির তৃণমূল নেতাকর্মীদের অনেকে ভারত কী ভূমিকা নিচ্ছে সেই অপেক্ষায় আছেন। অনেকের বিশ্বাস এবং প্রত্যাশা, ভারত কিছু একটা ভূমিকা রাখবে যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে ঘুর
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময়ে একুশে ফেব্রুয়ারিতে লেখা সেই চিঠিতে সুবর্ণা তুলে ধরেছেন বাবার হাত ধরে একুশের প্রথম প্রহরে প্রভাতফেরীতে যোগ দেওয়ার স্মৃতি। লিখেছেন একুশে ফেব্রুয়ারির দিনে বাবার সঙ্গে বইমেলায় যাওয়ার কথা৷ সুবর্ণা যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলে বাবা দেশ থেকে বইমেলার সময় বই কিনে কুরিয়ার করে পাঠিয়ে দিতে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের প্রতি খোলা চিঠি দিয়েছেন আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় ইসলামী আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই খোলা চিঠি দেন তিনি।
সংস্কার আগে নাকি নির্বাচন আগে, বাংলাদেশে এই প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে চলছিল বিতর্ক। এমন পটভূমিতে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে। তবে নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু সংস্কারের ব্যাপারে একমত সবপক্ষ। এই ন্যূনতম সংস্কার করার ক্ষে
দেশে ২০২৪ সালের শুরুতে একটি বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মাথায় পতন হয় আওয়ামী লীগ সরকারের। গণআন্দোলনের মুখে গত পাঁচই আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান ক্ষমতাচ্যুত সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা।
চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া তরুণদের প্ল্যাটফর্ম জাতীয় নাগরিক কমিটি। কিন্তু নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে যাত্রা শুরুর আগেই দলটির নেতৃত্ব নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে।
একটি জাতির উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য সর্বোত্তম নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই নেতৃত্ব কীভাবে আসবে? এটি আসবে সেসব ব্যক্তির কাছ থেকে, যারা তাদের মেধা, সাহস ও কাজের মাধ্যমে সমাজে প্রভাব তৈরি করতে পারে। নেতৃত্বর মূল উপাদান যদি এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে নিহিত থাকে, তবে সেখানে বয়সের কোনো বাধা থাকতে পার
জাতীয় ঐকমত্য গঠন করতে হলে নির্বাচনকেই ফোকাস করতে হবে। অন্য কোনো ইস্যুকে সামনে এনে নির্বাচনে বিলম্ব করলে বিভেদ আরো বড়বে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তারা বলছেন দ্রুত নির্বাচনের জন্য যে সংস্কার প্রয়োজন আপাতত তাই করা উচিত সরকারের।
সার্জেন্ট জহুরুল হক ছিলেন রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ওই মামলার অন্যতম আসামি। শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মামলার এক নম্বর এবং সার্জেন্ট জহুরুল হক ছিলেন ১৭ নম্বর আসামি।