ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদদের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে মাফিয়াতন্ত্র বহাল রাখতে নির্বাচন না দেয়া ও আহতের তালিকা করে দ্রুত চিকিৎসা দেয়াসহ ৭ দফা দাবি জানিয়েছেন ‘রক্তিম জুলাই ২৪’ সংগঠনের নেতারা।
ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক দল নিয়ন্ত্রণের কথা বললে অর্থনীতি সংকুচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপির) প্রেসিডেন্ট অলি আহমদ বলেছেন, বিগত ১৫ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে না পারলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। এজন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে যুক্তিসঙ্গত সময় দিতে হবে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ জামালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাত ২টার দিকে রাজধানীর মগবাজারের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল।
আজ সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে সামনে বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন উপরোক্ত বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি আরও বলেন সরকারের কাছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি'র দাবি, আগামী বছর থেকে ৫ আগস্টকে ‘ফ্যাসিবাদ পতন দিবস’ বা ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদ পতন দিবস’ পালন করা হোক।
প্রথমবার যখন এসেছি, তখন ১০৩টা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। আজ আরো ২৩টা প্রস্তাব দিয়েছি। আমাদের দল কাউকে সুবিধা দেওয়ার জন্য বা কাউকে জেল থেকে মুক্তির জন্য কোনো প্রস্তাব দেয়নি। যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তা বাংলাদেশের জনগণের যা প্রয়োজন, সেই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বলেছেন, সরকারকে আমরা ২৩টি প্রস্তাব দিয়েছি। বাংলাদেশের জনগণের জন্য যা যা প্রয়োজন এসব প্রস্তাবে সেগুলো রয়েছে। শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) আহবায়ক ডা. মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার বলেছেন, শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকে মানুষকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে কথা বলত। টুপ করে ফেলে দেবেন, চুবাবেন। কী সব নোংরা কথাবার্তা। দশটা হোন্ডা বিশটা গুন্ডা, নির্বাচন ঠান্ডা। একজন প্রধানমন্ত্রী কি এভাবে কথা বলতে পারেন? কাজের বু
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আজ শনিবার বিকেলে সাতটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপে বসছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চতুর্থ দফায় সংলাপে বসলেও এবারও ডাক পায়নি জাতীয় পার্টি। বিকেল ৩টায় হেয়ার রোডে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’য় এই সংলাপ শুরু হবে।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সাতক্ষীরা শহীদ আসিফ চত্বরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জাগপা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকীকে জাগপা ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা আয়োজিত সংবর্ধনা ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এনডিপি সভাপতি কে এম আবু তাহেরের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব আবদুল্লাহ-আল-হারুন (সোহেল) এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য মিজানুর রহমান পাটোয়ারী, ঢাকা জেলা সভাপতি আব্দুল আজিজ, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা ফৌজিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম
নতুন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি বলেন, আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আওয়ামী লীগকে কোনো ঠাঁই দেওয়া হবে না। এর দোসরদের ঠাঁই দেওয়া হবে না।
নুরুল হক নুর বলেন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের দিকে আমাদের যেতে হবে। যদি আমরা এই পদ্ধতিতে নির্বাচন করি, তাহলে কেউ ১ শতাংশ ভোট সে সেই ভোট অনুযায়ী সংসদে তার আসন পাবে। এতে করব কেউ স্বৈরাচার হয়ে উঠতে পারবে না।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর অংশগ্রহণ করবেন না বলে জানিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম। শনিবার (১২ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার ধর্মপুর ইউনিয়নের বণিকপাড়া পূজামণ্ডপে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টি সম্পর্কে বিভিন্নভাবে দোষারোপ করার বিষয়টি দুঃখজনক। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার না ডাকলে আমাদের আপত্তি নেই কিন্তু আমাদের অহেতুক দোষারোপ করে শাস্তি না দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’
নুরুল হক নুর বলেন, স্বৈরাচার সরকারের দোসর ও আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীকে যদি মুক্তিই দেবেন তাহলে গ্রেপ্তার কেন করেছিলেন। আবার আপনার জেন্টালম্যান ও সাবেক মন্ত্রী এম এ মান্নানকে কেন গ্রেপ্তার করলেন। কেন ওবায়দুল কাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পারলেন না। সাবের হোসেন চৌধুরীকে কোনোভাবেই ছাড়া উচ
অন্তর্বর্তী সরকারের কাজের পরিকল্পনা ও রোডম্যাপ প্রকাশ করা; যেহেতু সংবিধান ও রাষ্ট্র সংস্কার অভ্যুত্থানের একটি মৌলিক ধারণা ও এই সময়ের অপরিহার্য বিষয় হয়ে উঠেছে। তাই গণহত্যায় জড়িত পতিত স্বৈরাচার ও তার দোসরদের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা।