
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেখকদের একটা কিছু কমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। আপনি কীভাবে লেখেন, কখন লেখেন? এ প্রশ্ন শুধু বিদগ্ধজনেরাই করেন, তা নয়। সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও এমন প্রশ্ন শুনতে হয় মাঝেমাঝেই। সৈয়দ মুজতবা আলীও এর ব্যতিক্রম নন।
সৈয়দ মুজতবা আলী ড্যামস্মার্ট লোক ছিলেন। কথাবার্তায়, চালচলনে, পোশাকে—সব কিছুতেই তাঁর আভিজাত্যের ছাপ ছিল। আর তাঁর লেখালেখির কথা না-ই বা বললাম। তাঁর সেন্স অব হিউমার ছিল প্রখর।
কেউ তাঁকে কোনো কথার মারপ্যাঁচে ভড়কে দিতে পারেনি। বরং যারাই মুজতবা আলীর সঙ্গে লাগতে এসেছেন, তাঁরা নিজেরাই ভড়কে গেছেন তাঁর বাগ্মিতার কাছে।
একদিন এক ভক্ত মুজতবা আলীর কাছে জানতে চান, তিনি কোন অবস্থায় বই লেখেন।
মুজতবা আলী ব্যাপারটা এড়িয়ে যেতে চাইলেন।
কিন্তু ভক্ত নাছোড়বন্দা। দিতেই হবে এ প্রশ্নের উত্তর। কী আর করা, বাধ্য হয়েই মুজতবা আলীকে মুখ খুলতে হলো।
তবে ভক্তের প্রশ্নের জবাবটা তিনি নিজের মুখে দেননি।
সুইস মনস্তাত্ত্বিক কার্ল গুসতাফকে কোট করে বললেন, ‘তিনি একবার বলেছিলেন, কিছু লোক আমাকে জিজ্ঞেস করে কীভাবে লিখি। এ ব্যাপারে আমাকে একটা কথা বলতেই হয়, কেউ চাইলে তাকে আমরা আমাদের সন্তানদের দেখাতে পারি, কিন্তু সন্তানগুলো উৎপাদনের পদ্ধতি তো দেখাতে পারি না।’
এরপর আর কিছু বলার থাকে না ভক্তের।

লেখকদের একটা কিছু কমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। আপনি কীভাবে লেখেন, কখন লেখেন? এ প্রশ্ন শুধু বিদগ্ধজনেরাই করেন, তা নয়। সাধারণ মানুষের কাছ থেকেও এমন প্রশ্ন শুনতে হয় মাঝেমাঝেই। সৈয়দ মুজতবা আলীও এর ব্যতিক্রম নন।
সৈয়দ মুজতবা আলী ড্যামস্মার্ট লোক ছিলেন। কথাবার্তায়, চালচলনে, পোশাকে—সব কিছুতেই তাঁর আভিজাত্যের ছাপ ছিল। আর তাঁর লেখালেখির কথা না-ই বা বললাম। তাঁর সেন্স অব হিউমার ছিল প্রখর।
কেউ তাঁকে কোনো কথার মারপ্যাঁচে ভড়কে দিতে পারেনি। বরং যারাই মুজতবা আলীর সঙ্গে লাগতে এসেছেন, তাঁরা নিজেরাই ভড়কে গেছেন তাঁর বাগ্মিতার কাছে।
একদিন এক ভক্ত মুজতবা আলীর কাছে জানতে চান, তিনি কোন অবস্থায় বই লেখেন।
মুজতবা আলী ব্যাপারটা এড়িয়ে যেতে চাইলেন।
কিন্তু ভক্ত নাছোড়বন্দা। দিতেই হবে এ প্রশ্নের উত্তর। কী আর করা, বাধ্য হয়েই মুজতবা আলীকে মুখ খুলতে হলো।
তবে ভক্তের প্রশ্নের জবাবটা তিনি নিজের মুখে দেননি।
সুইস মনস্তাত্ত্বিক কার্ল গুসতাফকে কোট করে বললেন, ‘তিনি একবার বলেছিলেন, কিছু লোক আমাকে জিজ্ঞেস করে কীভাবে লিখি। এ ব্যাপারে আমাকে একটা কথা বলতেই হয়, কেউ চাইলে তাকে আমরা আমাদের সন্তানদের দেখাতে পারি, কিন্তু সন্তানগুলো উৎপাদনের পদ্ধতি তো দেখাতে পারি না।’
এরপর আর কিছু বলার থাকে না ভক্তের।

গত ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে দর্শকদের জন্য সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছিল।
১৪ দিন আগে
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করেছেন সহশিল্পী, অভিনয়শিল্পী ও দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। স্বাগত দের প্রয়াণে বাংলা লোকসংগীত অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হলো বলে মন্তব্য করেছেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিজনেরা।
১৬ দিন আগে
প্রথমে তিনি সংক্ষিপ্ত আলাপ পরিবেশন করেন। পরে ঝাপতাল ও তিন তালে নিবদ্ধ গৎ পরিবেশন করেন। এরপর তিনি পরিবেশন করেন রাগ হংসধ্বনি। পর্যায়ক্রমে রাগ জয়-জয়ন্তীসহ আরও কয়েকটি রাগ সংক্ষিপ্তভাবে বাঁশিতে তুলে ধরেন প্রখ্যাত এই শিল্পী।
২১ দিন আগে