
বিনোদন ডেস্ক

বৈষম্যবিরধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের। এর পরই আড়ালে চলে যান আওয়ামী লীগের সব নেতা কর্মী। তাদের সঙ্গে ঘনিষ্টতায় ছিলেন শোবিজের একাধিক তারকা শিল্পী। শুধু তাই নয়, দলীয় ট্যাগে ছাত্রদের আন্দোলন দমাতে তাদের বিরুদ্ধেও দাঁড়িয়েছিলেন তারা।
সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে ফাঁস হয় ‘আলো আসবেই’ নামে শিল্পীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথন। যেই গ্রুপে গ্রুপে নজর রাখা হতো ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ওপর। শুধু তাই নয়, সেখানে তারা আলোচনা করত কোথায়, কী করবে।
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে খোলা এই গ্রুপের অ্যাডমিন ছিল সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস, নায়ক রিয়াজ, অভিনেতা সাজু খাদেম ও অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। এই গ্রুপের ১৭০টির মতো স্ক্রিনশট ঘুরছে সামাজিকমাধ্যমে।
গ্রুপটির এক কথোপথনে বৈষম্যবিরোধী এই আন্দোলনে যারা ছাত্র-জনতার পক্ষে ছিলেন তাদের সবাইকে চিনে রাখতে বলেছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। দৃশ্যমাধ্যম শিল্পী সমাজের ব্যানারে থাকা শিল্পীদের একটি ছবি শেয়ার করে একথা বলেন তিনি।
গ্রুপটিতে তার কথোপকথন ছিল এমন- ‘কমেন্ট করার প্রয়োজন নাই, শুধু চিনে রাখি। ’ এছাড়াও গ্রুপে থাকা সকল বন্ধুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরে আলো আসবেই। সময়টা আমাদের প্রতিকূলে। এই সময় কাউকে আঘাত করে বলা যাবে না বা করা যাবে না। যেকোন মূল্যে এই আন্দোলন দ্রুত থামাতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায়, একজন আরেকজনকে সাপোর্ট দিতে হবে। একজনের যে কোনো বিপদে সবাইকে একসঙ্গে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। সবাই মিলে এক আত্মা এক প্রাণ হতে হবে, তাহলে আমরা সবাই মিলে এ তুফান পাড়ি দিতে পারব। ’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে দুই ভাগে বিভক্ত হন শিল্পীরা। গণআন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজপথে ছিলেন একদল শিল্পী, ঠিক সেদিনই অন্য একটি দল গিয়েছিলেন পোড়া বিটিভি দেখতে।

বৈষম্যবিরধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের। এর পরই আড়ালে চলে যান আওয়ামী লীগের সব নেতা কর্মী। তাদের সঙ্গে ঘনিষ্টতায় ছিলেন শোবিজের একাধিক তারকা শিল্পী। শুধু তাই নয়, দলীয় ট্যাগে ছাত্রদের আন্দোলন দমাতে তাদের বিরুদ্ধেও দাঁড়িয়েছিলেন তারা।
সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যমে ফাঁস হয় ‘আলো আসবেই’ নামে শিল্পীদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথন। যেই গ্রুপে গ্রুপে নজর রাখা হতো ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ওপর। শুধু তাই নয়, সেখানে তারা আলোচনা করত কোথায়, কী করবে।
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে খোলা এই গ্রুপের অ্যাডমিন ছিল সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস, নায়ক রিয়াজ, অভিনেতা সাজু খাদেম ও অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। এই গ্রুপের ১৭০টির মতো স্ক্রিনশট ঘুরছে সামাজিকমাধ্যমে।
গ্রুপটির এক কথোপথনে বৈষম্যবিরোধী এই আন্দোলনে যারা ছাত্র-জনতার পক্ষে ছিলেন তাদের সবাইকে চিনে রাখতে বলেছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। দৃশ্যমাধ্যম শিল্পী সমাজের ব্যানারে থাকা শিল্পীদের একটি ছবি শেয়ার করে একথা বলেন তিনি।
গ্রুপটিতে তার কথোপকথন ছিল এমন- ‘কমেন্ট করার প্রয়োজন নাই, শুধু চিনে রাখি। ’ এছাড়াও গ্রুপে থাকা সকল বন্ধুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরে আলো আসবেই। সময়টা আমাদের প্রতিকূলে। এই সময় কাউকে আঘাত করে বলা যাবে না বা করা যাবে না। যেকোন মূল্যে এই আন্দোলন দ্রুত থামাতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায়, একজন আরেকজনকে সাপোর্ট দিতে হবে। একজনের যে কোনো বিপদে সবাইকে একসঙ্গে ঝাপিয়ে পড়তে হবে। সবাই মিলে এক আত্মা এক প্রাণ হতে হবে, তাহলে আমরা সবাই মিলে এ তুফান পাড়ি দিতে পারব। ’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে দুই ভাগে বিভক্ত হন শিল্পীরা। গণআন্দোলনে ছাত্র-জনতার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজপথে ছিলেন একদল শিল্পী, ঠিক সেদিনই অন্য একটি দল গিয়েছিলেন পোড়া বিটিভি দেখতে।

হঠাৎ করে লিপস্টিক নিয়ে পড়ার কারণ হলো— প্রতি বছরের ২৯ জুলাই দিনটিকে বিশ্ব জুড়ে পালন করা হয় ‘আন্তর্জাতিক লিপস্টিক দিবস’ হিসেবে। না, এ দিবসে নেই কোনো সরকারি ছুটি। তবে বিশ্বব্যাপী সৌন্দর্যপ্রেমী, মেকআপ শিল্পী আর কসমেটিকস ইন্ডাস্ট্রির কাছে দিনটির অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে।
১০ দিন আগে
পাখির ছানারা যেমন একদিন বাসা ছেড়ে আকাশে উড়ে যায়, সন্তানেরাও তেমনি একদিন নিজের পৃথিবী গড়তে বেরিয়ে পড়ে। বাবা-মা শুধু বাসাটা আগলে রাখেন, যতদিন দরকার। তারপর একদিন বারান্দা খালি হয়ে যায়। থেকে যায় কয়েকটি শুকনো খড়কুটো, কিছু পালক, কিছু নীরবতা আর ভোরবেলার সেই বিষণ্ন অথচ মধুর ঘুঘুর ডাক।
১৪ দিন আগে
ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর আতিথ্যে কাটানো দুই মাসের স্মৃতি, অনুভূতি, নীরবতা ও অন্তর্জগতের আবেগকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে ম্যাড থেটারের দ্বিতীয় প্রযোজনা ‘রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় বিজয়া’। শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে নাটকটির একাদশ প্রদর্শনী অনু
১৬ দিন আগে
১৯৮৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই লেফট ফুট’ ছবিতে ক্রিস ব্রাউনের মায়ের (ব্রিজেট ফ্যাগন ব্রাউন) মর্মস্পর্শী চরিত্রে অভিনয় করে তিনি একাডেমি পুরস্কারে সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রীর অস্কার জিতে নেন। তার এই অভাবনীয় সাফল্য তৎকালীন আইরিশ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক যুগান্তকারী মোড় এনে দিয়েছিল, যা দেশটির পরবর্তী সিনেমা
২১ দিন আগে