দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকেই আন্দোলনে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয়বারের মতো সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন। সোয়া এক ঘণ্টার বেশি অবরোধ করে তারা বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে সায়েন্স ল্যাব মোড় ছেড়ে সংসদ অভিমুখে যাত্রা করেন।
তিনি বলেছেন, ‘শিক্ষার্থীরা যার যার পড়ার টেবিলে ফিরে যাক। আমরাই উদ্বিগ্ন তাদের চেয়ে বেশি, কীভাবে পরীক্ষা সঠিকভাবে নেব। কীভাবে এ দুর্যোগ মোকাবিলা করব। আমরা আশ্বাস দিচ্ছি– যেসব পরীক্ষা কেন্দ্রে ভুলত্রুটি হয়েছে, সেখানে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার বিধান আমাদের রয়েছে।’
আজ সংসদে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য লুৎফুর রহমানের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
রুমিন ফারহানা প্রশ্নে করেন, গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বড় শহরগুলোতে জলাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার্থীদের চলাচলে সমস্যা হয়েছে। এ অবস্থায় পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা পেছানোর দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তিনি জানতে চান, এইচএসসির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা এক বা দুই দিন পেছানো হলে কী ধ
এ দাবিতে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড় এক ঘণ্টা অবরোধ করেন। পরে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যান। ভিসি চত্বরের সামনে বেলা সোয়া একটার দিকে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত থেকে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নিয়েছেন। সেখানে পুলিশও অবস্থান করছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে জানান, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি বছরের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র অত্যাধিক কঠিন করা হয়েছে। এমনকি অনেক প্রশ্ন সিলেবাসের বাইরে থেকে এসেছে বলেও দাবি করেন তারা।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, এদিন বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে এবং সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হয়ে শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। এর ফলে ওইসব এলাকার সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শাহবাগ, সায়েন্সল্যাব মোড় ছাড়াও মিরপুর এলাকায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা
বান্দরবানের দুর্গম থানচি উপজেলার আলোচিত তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করেছে সরকার। এখন থেকে প্রতিষ্ঠানটি ‘তিন্দু সরকারি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ নামে পরিচালিত হবে। সোমবার (১৩ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (সরকারি মাধ্যমিক-৩ শাখা) শিরীন আক্তার
পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।
সাবেক এই গভর্নর বলেন, সরকারের স্থিতিশীলতার জন্য সাধারণ নির্বাচনের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে সংসদ সদস্য নয়, বরং উচ্চ কক্ষে বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে। সংসদ সদস্যদের সংবিধান সংশোধন, সরকারের প্রতি অনাস্থা ও অর্থ বিল ছাড়া বাকি ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।
রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী।
এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের এই অনিয়মের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশে গতকাল শনিবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও রাতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করেই পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশের আগেই ৯ জেলার ফলপ্রকাশের ঘটনায় এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই কর্মকর্তা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেন্যান্স মো. মেহতাব কায়েস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবহাওয়ার মারাত্মক অবনতি ও বন্যা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় চটগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সব জেলার (চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা) আগামীকাল শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের (বিষয় কোড-২৭৫) পরীক্ষাটি স্থগিত করা হলো।
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, সময়মতো মানসম্মত পাঠ্যবই সরবরাহই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। কেউ কাজে বাধা সৃষ্টি করলে এবার হয়ত পার পেয়ে যেতে পারেন, কিন্তু ভবিষ্যতে আর পারবেন না।