
ক্রীড়া ডেস্ক

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা ধরে রাখা ম্যাচে নাটকীয় জয়ের স্বাদ পেল আইভরি কোস্ট। ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষ দিকে আমাদ দিয়ালোর করা একমাত্র গোলে ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আফ্রিকান জায়ান্টরা।
রোববার গ্রুপ ‘ই’-এর ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার ঠাসা দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে। প্রায় ৬৮ হাজারের বেশি দর্শকের বেশির ভাগই ছিল ইকুয়েডরের সমর্থক, যারা শুরু থেকেই দলকে জয়ের জন্য জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে শেষ হাসি হাসল আইভরি কোস্টই।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই সতর্কভাবে খেলা শুরু করে। ইকুয়েডর বল দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধে জন ইয়েবোয়াহ ও অ্যালান মিন্দার দুটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত।
অন্যদিকে আইভরি কোস্টও আক্রমণে পিছিয়ে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে ইলি ওয়াহির একটি শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হলে তারা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায়।
ম্যাচটি যখন ধীরে ধীরে গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা ২৩ বছর বয়সী আমাদ দিয়ালো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রস দুর্দান্ত এক শটে জালে জড়িয়ে দেন তিনি, স্তব্ধ করে দেন ইকুয়েডরের সমর্থকদের।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০১৪ বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে জয়ের পর বিশ্বকাপে আইভরি কোস্টের এটি প্রথম জয়। দীর্ঘ ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারা আবারও নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।
২০২৪ সালের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা তাদের পরের ম্যাচ খেলবে আগামী শনিবার টরন্টোতে, শক্তিশালী জার্মানির বিপক্ষে। এই গুরুত্বপূর্ণ জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইকুয়েডরের জন্য এটি বড় ধাক্কা। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার পর দ্বিতীয় হয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া দলটি রক্ষণভাগের দৃঢ়তার জন্য পরিচিত ছিল। প্যারিস সেন্ট জার্মেইর উইলিয়ান পাচো ও চেলসির ময়েসেস কাইসেদোদের নিয়ে গড়া দলটি বাছাইপর্বে ১৮ ম্যাচে মাত্র ৫ গোল হজম করেছিল।
তবে প্রথম ম্যাচে হারলেও টুর্নামেন্টে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এখনও রয়েছে ইকুয়েডরের সামনে। আগামী শনিবার কানসাস সিটিতে তারা মুখোমুখি হবে কুরাসাওয়ের, যারা তাদের প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত উত্তেজনা ধরে রাখা ম্যাচে নাটকীয় জয়ের স্বাদ পেল আইভরি কোস্ট। ইনজুরি টাইমের একেবারে শেষ দিকে আমাদ দিয়ালোর করা একমাত্র গোলে ইকুয়েডরকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে আফ্রিকান জায়ান্টরা।
রোববার গ্রুপ ‘ই’-এর ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ার ঠাসা দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে। প্রায় ৬৮ হাজারের বেশি দর্শকের বেশির ভাগই ছিল ইকুয়েডরের সমর্থক, যারা শুরু থেকেই দলকে জয়ের জন্য জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে শেষ হাসি হাসল আইভরি কোস্টই।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই সতর্কভাবে খেলা শুরু করে। ইকুয়েডর বল দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধে জন ইয়েবোয়াহ ও অ্যালান মিন্দার দুটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে, যা ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত।
অন্যদিকে আইভরি কোস্টও আক্রমণে পিছিয়ে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে ইলি ওয়াহির একটি শক্তিশালী শট ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হলে তারা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারায়।
ম্যাচটি যখন ধীরে ধীরে গোলশূন্য ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নামা ২৩ বছর বয়সী আমাদ দিয়ালো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রস দুর্দান্ত এক শটে জালে জড়িয়ে দেন তিনি, স্তব্ধ করে দেন ইকুয়েডরের সমর্থকদের।
এই জয়ের মাধ্যমে ২০১৪ বিশ্বকাপে জাপানের বিপক্ষে জয়ের পর বিশ্বকাপে আইভরি কোস্টের এটি প্রথম জয়। দীর্ঘ ১২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে তারা আবারও নকআউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।
২০২৪ সালের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়নরা তাদের পরের ম্যাচ খেলবে আগামী শনিবার টরন্টোতে, শক্তিশালী জার্মানির বিপক্ষে। এই গুরুত্বপূর্ণ জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ইকুয়েডরের জন্য এটি বড় ধাক্কা। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনার পর দ্বিতীয় হয়ে বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া দলটি রক্ষণভাগের দৃঢ়তার জন্য পরিচিত ছিল। প্যারিস সেন্ট জার্মেইর উইলিয়ান পাচো ও চেলসির ময়েসেস কাইসেদোদের নিয়ে গড়া দলটি বাছাইপর্বে ১৮ ম্যাচে মাত্র ৫ গোল হজম করেছিল।
তবে প্রথম ম্যাচে হারলেও টুর্নামেন্টে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ এখনও রয়েছে ইকুয়েডরের সামনে। আগামী শনিবার কানসাস সিটিতে তারা মুখোমুখি হবে কুরাসাওয়ের, যারা তাদের প্রথম ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

রোববার (১৪ জুন) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৭৪ রান। সিরিজে প্রথমবার দুই দলের মধ্যে টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতার দেখা মেলে। পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে নিয়ে
১৭ ঘণ্টা আগে
লিটন ছাড়াও এই ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তাওহীদ হৃদয় এবং মোসাদ্দেক হোসেন। তিন ফিফটিতে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৭৪ রান। অস্ট্রেলিয়ার টার্গেট ২৭৫। অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করতে হলে এর আগেই আটকে ফেলতে হবে টাইগার বোলারদের।
১ দিন আগে
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল তুরস্ক। গোলমুখে তাদের শট ছিল আটটি। বিপরীতে মাত্র দুটি শট নিয়েই দুই গোল আদায় করে নেয় অস্ট্রেলিয়া। দলের জয়ে গোল করেন ২০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাফ।
১ দিন আগে
তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে শতরানের জুটির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন লিটন দাস। তবে শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন না, বোঝাই যাচ্ছিল। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে রান নিচ্ছিলেন। কয়েকবার ফিজিওকেও আসতে হলো মাঠে। শেষ পর্যন্ত আর পারলেন না। ৭৩ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত থাকা অবস্থায় মাঠ ছাড়লেন ফিজিওর সঙ্গে।
১ দিন আগে