
ক্রীড়া প্রতিবেদক

লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে প্রথম ঘণ্টায় যেন দুঃস্বপ্নের মতো সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে দ্রুত তিনটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। একসময় ৪ উইকেটে ১০৬ রান থেকে মুহূর্তেই স্কোরবোর্ডে চাপ বাড়ে বাংলাদেশের ওপর।
লাঞ্চের পর প্রথমেই ভাঙে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের প্রতিরোধ। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত (২৯)। এরপর খুররম শেহজাদের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম (২৩)।
দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের বিদায়ের পর দ্রুতই আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজও। খুররম শেহজাদের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে করেন মাত্র ৪ রান। ফলে লাঞ্চের পর ১৫ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এর আগে ৩৩ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১০৬ রানে ছিল বাংলাদেশ। চা-বিরতির সময় ৩৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৬ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম।
তবে ধ্বংসস্তূপে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম। সপ্তম উইকেটে তারা ৮৬ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে কিছুটা স্বস্তি ফেরান দলে। চা-বিরতিতে যাওয়ার আগে দুজন মিলে ৯৫ বলে ৫২ রান যোগ করেন।
লিটন ৭৭ বলে ৪২ রানে (৩ চার) এবং তাইজুল ৩১ বলে ১১ রানে (১ চার) অপরাজিত আছেন।
এর আগে প্রথম সেশনে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১০১ রান তোলে। শুরুতে মাহমুদুল হাসান জয় শূন্য রানে আউট হন। এরপর তানজিদ হাসান তামিম (২৬) ও মুমিনুল হক (২২) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা বড় হয়নি।
পরে অধিনায়ক শান্ত ও মুশফিকের জুটি কিছুটা আশা জাগালেও লাঞ্চের পর দ্রুত উইকেট পতনে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল।

লাঞ্চ বিরতি থেকে ফিরে প্রথম ঘণ্টায় যেন দুঃস্বপ্নের মতো সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ। পাকিস্তানি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে দ্রুত তিনটি উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। একসময় ৪ উইকেটে ১০৬ রান থেকে মুহূর্তেই স্কোরবোর্ডে চাপ বাড়ে বাংলাদেশের ওপর।
লাঞ্চের পর প্রথমেই ভাঙে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের প্রতিরোধ। মোহাম্মদ আব্বাসের বলে উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত (২৯)। এরপর খুররম শেহজাদের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম (২৩)।
দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের বিদায়ের পর দ্রুতই আউট হন মেহেদী হাসান মিরাজও। খুররম শেহজাদের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে করেন মাত্র ৪ রান। ফলে লাঞ্চের পর ১৫ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এর আগে ৩৩ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ১০৬ রানে ছিল বাংলাদেশ। চা-বিরতির সময় ৩৯ ওভারে ৬ উইকেটে ১১৬ রান নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। ক্রিজে আছেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম।
তবে ধ্বংসস্তূপে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম। সপ্তম উইকেটে তারা ৮৬ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে কিছুটা স্বস্তি ফেরান দলে। চা-বিরতিতে যাওয়ার আগে দুজন মিলে ৯৫ বলে ৫২ রান যোগ করেন।
লিটন ৭৭ বলে ৪২ রানে (৩ চার) এবং তাইজুল ৩১ বলে ১১ রানে (১ চার) অপরাজিত আছেন।
এর আগে প্রথম সেশনে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে ১০১ রান তোলে। শুরুতে মাহমুদুল হাসান জয় শূন্য রানে আউট হন। এরপর তানজিদ হাসান তামিম (২৬) ও মুমিনুল হক (২২) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা বড় হয়নি।
পরে অধিনায়ক শান্ত ও মুশফিকের জুটি কিছুটা আশা জাগালেও লাঞ্চের পর দ্রুত উইকেট পতনে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ দল।

নকআউট মিশনেও নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নেমছে ব্রাজিল। কার্লোস আনিচেলত্তির দল বলের দখল আর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিল। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল করে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান।
১ দিন আগে
দলকে ঘিরে সমালোচনা কিংবা প্রশংসা—কোনোটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘অন্যরা কী বলছেন, সেটার পুনরাবৃত্তি আমরা করছি না। আমরা পুরোপুরি ম্যাচ, প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এবং কীভাবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়—সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।
২ দিন আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার চেষ্টা করে। দক্ষিণ আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে রক্ষণে জোর দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকের কৌশল বেছে নিয়েছিল। জবাবে কানাডা প্রথম থেকেই দারুণ প্রেসিংয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। তবে দুই দলেরই রক্ষণভাগ শক্তিশালী হওয়ায় কেউ খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।
২ দিন আগে
চার বছর পর পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেছে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টের পর দুই দল তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে।
৩ দিন আগে