
ক্রীড়া প্রতিবেদক

মাত্র ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ, ঠিক তখনই দলের ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হন লিটন দাস। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ শতক। তার অনবদ্য ইনিংসে ভর করেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ।
শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। শূন্য রানে ফেরেন তিনি।
এরপর অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হক দ্বিতীয় উইকেটে ৪৪ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ২৬ রান করে তানজিদ এবং ২২ রান করে মুমিনুল ফিরলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। ভালো খেলতে থাকা শান্ত ২৯ রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন মুশফিকুর রহিম (২৩)। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ মাত্র ৪ রান করে আউট হলে ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় বাংলাদেশের ইনিংস।
সেখান থেকেই শুরু হয় ‘লিটন শো’। এক প্রান্ত আগলে রেখে পাকিস্তানি বোলারদের বিপক্ষে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। তাইজুল ৪০ বলে ১৬ রান করে সাজিদের বলে বোল্ড হন।
পরে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামকে নিয়ে রান বাড়াতে থাকেন লিটন। তাসকিনের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়েন তিনি।
ধৈর্যের পরীক্ষায় উতরে গিয়ে ১৩৫ বলে নিজের শতক পূর্ণ করেন লিটন দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি তার তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ের তিন বল পর শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন নাহিদ রানা। ৭৭ ওভারে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস ও খুররম শাহজাদ শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। নতুন বলে তাদের গতি ও সুইংয়ে বেশ ভুগতে হয় বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটারদের। তবে লিটনের দায়িত্বশীল ইনিংসে বড় বিপর্যয় কাটিয়ে লড়াইয়ে ফেরে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত খুররম শাহজাদ ৪টি উইকেট শিকার করেন, মোহাম্মদ আব্বাস নেন ৩টি। এ ছাড়া হাসান আলী ২টি এবং সাজিদ খান ১টি উইকেট তুলে নেন।

মাত্র ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে যখন দ্রুত গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ, ঠিক তখনই দলের ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হন লিটন দাস। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলে তুলে নেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ শতক। তার অনবদ্য ইনিংসে ভর করেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রানের লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ।
শনিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই মোহাম্মদ আব্বাসের শিকার হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। শূন্য রানে ফেরেন তিনি।
এরপর অভিষিক্ত তানজিদ হাসান তামিম ও মুমিনুল হক দ্বিতীয় উইকেটে ৪৪ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ২৬ রান করে তানজিদ এবং ২২ রান করে মুমিনুল ফিরলে আবারও চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেননি কেউই। ভালো খেলতে থাকা শান্ত ২৯ রানে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। পরে খুররম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হন মুশফিকুর রহিম (২৩)। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ মাত্র ৪ রান করে আউট হলে ১১৬ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় বাংলাদেশের ইনিংস।
সেখান থেকেই শুরু হয় ‘লিটন শো’। এক প্রান্ত আগলে রেখে পাকিস্তানি বোলারদের বিপক্ষে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। সপ্তম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি। তাইজুল ৪০ বলে ১৬ রান করে সাজিদের বলে বোল্ড হন।
পরে তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামকে নিয়ে রান বাড়াতে থাকেন লিটন। তাসকিনের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ৩৮ রানের জুটি গড়েন তিনি।
ধৈর্যের পরীক্ষায় উতরে গিয়ে ১৩৫ বলে নিজের শতক পূর্ণ করেন লিটন দাস। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি তার তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১২৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ের তিন বল পর শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন নাহিদ রানা। ৭৭ ওভারে ২৭৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস ও খুররম শাহজাদ শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেন। নতুন বলে তাদের গতি ও সুইংয়ে বেশ ভুগতে হয় বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটারদের। তবে লিটনের দায়িত্বশীল ইনিংসে বড় বিপর্যয় কাটিয়ে লড়াইয়ে ফেরে স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত খুররম শাহজাদ ৪টি উইকেট শিকার করেন, মোহাম্মদ আব্বাস নেন ৩টি। এ ছাড়া হাসান আলী ২টি এবং সাজিদ খান ১টি উইকেট তুলে নেন।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে