
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন মুশফিক। ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি দিয়ে দিনটি রাঙালেন তিনি। গতকাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন শেষে তিনি ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। আজ ৪ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারটি মেডেন দেন মুশফিক। পরের ওভারে আর দেরি করেননি। ক্যারিয়ারের এই মাইলফলক ছুঁতে মুশফিক খেলেন ১৯৫ বল, যাতে ছিল মাত্র ৫টি চারের মার।
মুশফিকের সেঞ্চুরির পরপরই, ক্রিজে থাকা অপর ব্যাটসম্যান লিটন দাস তার ফিফটি (অর্ধশতক) তুলে নিয়েছেন।
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা, এই অর্জনের পাশেই এবার যুক্ত হলো আরও এক স্মরণীয় মাইলফলক। টেস্টে বিশ্বের মাত্র ১১ জন ক্রিকেটারের কাতারে জায়গা করে নিলেন তিনি, যারা নিজেদের ১০০তম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন।
শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার কীর্তি এতদিন ছিল মাত্র ১০ জন ক্রিকেটারের। সেই তালিকার শুরু ১৯৬৮ সালে ইংল্যান্ডের কলিন কাউড্রের হাত ধরে। পরে পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ নিজের অভিষেক টেস্টের মতো শততম টেস্টেও সেঞ্চুরি করে ইতিহাস লিখেছিলেন। গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, ইনজামাম-উল-হক, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা-প্রত্যেকে এই বিশেষ দিনে ব্যাট হাতে ছড়িয়েছেন জাদু। জো রুট তো শততম টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করে একক আধিপত্যই দেখিয়েছেন। একই কীর্তি আছে ডেভিড ওয়ার্নারেরও। আর রিকি পন্টিং তো একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি শততম টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করে অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।
এই সব নামের পাশে আজ যোগ হলো বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম। ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তার এই সেঞ্চুরি তাই হয়ে রইল ঐতিহাসিক। শুধু নিজের নয়, দেশের ক্রিকেটের জন্যও নতুন এক মাইলফলক। যে সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে মুশফিকের নাম বারবার উচ্চারিত হয়, ঠিক সেই সময়ে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি রচনার গল্পটা যেন আরও সুস্পষ্ট করে দিল তার ক্যারিয়ারের সারাংশ, অদম্য মনোযোগ, লড়াই আর অটল দায়িত্ববোধ।
মুশফিকের এই সেঞ্চুরি তাই একটি অর্জনের চেয়েও বেশি কিছু। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্থায়ীভাবে খোদাই হয়ে থাকবে। যে খেলোয়াড় দেশের হয়ে প্রথম ১০০ টেস্ট খেললেন, তিনিই আবার সেই মাইলফলকের দিনে উঁচিয়ে ধরলেন ব্যক্তিগত প্রতিভার আরেক শিখর। মিরপুরের আজকের সকাল তাই শুধু একটি স্কোরবোর্ডের সংখ্যা নয়, বরং আবেগ, ইতিহাস আর অর্জনে ভরপুর এক জাদুময় মুহূর্ত!

শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস গড়লেন মুশফিক। ক্যারিয়ারের ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি দিয়ে দিনটি রাঙালেন তিনি। গতকাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন শেষে তিনি ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। আজ ৪ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। প্রথম ওভারটি মেডেন দেন মুশফিক। পরের ওভারে আর দেরি করেননি। ক্যারিয়ারের এই মাইলফলক ছুঁতে মুশফিক খেলেন ১৯৫ বল, যাতে ছিল মাত্র ৫টি চারের মার।
মুশফিকের সেঞ্চুরির পরপরই, ক্রিজে থাকা অপর ব্যাটসম্যান লিটন দাস তার ফিফটি (অর্ধশতক) তুলে নিয়েছেন।
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলা, এই অর্জনের পাশেই এবার যুক্ত হলো আরও এক স্মরণীয় মাইলফলক। টেস্টে বিশ্বের মাত্র ১১ জন ক্রিকেটারের কাতারে জায়গা করে নিলেন তিনি, যারা নিজেদের ১০০তম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন।
শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার কীর্তি এতদিন ছিল মাত্র ১০ জন ক্রিকেটারের। সেই তালিকার শুরু ১৯৬৮ সালে ইংল্যান্ডের কলিন কাউড্রের হাত ধরে। পরে পাকিস্তানের জাভেদ মিয়াঁদাদ নিজের অভিষেক টেস্টের মতো শততম টেস্টেও সেঞ্চুরি করে ইতিহাস লিখেছিলেন। গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, ইনজামাম-উল-হক, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা-প্রত্যেকে এই বিশেষ দিনে ব্যাট হাতে ছড়িয়েছেন জাদু। জো রুট তো শততম টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করে একক আধিপত্যই দেখিয়েছেন। একই কীর্তি আছে ডেভিড ওয়ার্নারেরও। আর রিকি পন্টিং তো একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি শততম টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করে অনন্য রেকর্ড গড়েছেন।
এই সব নামের পাশে আজ যোগ হলো বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম। ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তার এই সেঞ্চুরি তাই হয়ে রইল ঐতিহাসিক। শুধু নিজের নয়, দেশের ক্রিকেটের জন্যও নতুন এক মাইলফলক। যে সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট অভিজ্ঞতা, পরিশ্রম ও দৃঢ়তার প্রতীক হিসেবে মুশফিকের নাম বারবার উচ্চারিত হয়, ঠিক সেই সময়ে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি রচনার গল্পটা যেন আরও সুস্পষ্ট করে দিল তার ক্যারিয়ারের সারাংশ, অদম্য মনোযোগ, লড়াই আর অটল দায়িত্ববোধ।
মুশফিকের এই সেঞ্চুরি তাই একটি অর্জনের চেয়েও বেশি কিছু। এটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে স্থায়ীভাবে খোদাই হয়ে থাকবে। যে খেলোয়াড় দেশের হয়ে প্রথম ১০০ টেস্ট খেললেন, তিনিই আবার সেই মাইলফলকের দিনে উঁচিয়ে ধরলেন ব্যক্তিগত প্রতিভার আরেক শিখর। মিরপুরের আজকের সকাল তাই শুধু একটি স্কোরবোর্ডের সংখ্যা নয়, বরং আবেগ, ইতিহাস আর অর্জনে ভরপুর এক জাদুময় মুহূর্ত!

ম্যাচ শুরুর পরপরই আক্রমণে উঠে আসে প্যারাগুয়ে। তুরস্কের রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে মাত্র ৬৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেন মাতিয়াস গালারজা। এটি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দ্রুততম গোল। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারির ৭১ সেকেন্ডে গোল করেন।
১ দিন আগে
প্রায় এক শতাব্দী পর বিশ্বকাপে টানা দুই জয়ের কীর্তি— ১৯৩০ সালের পর এমন অর্জনের সাক্ষী হলো যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের পর এবার অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।
১ দিন আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচকে ব্রাজিলের চেয়েও কঠিন বলে আগেই মন্তব্য করেছিলেন মরক্কোর মিডফিল্ডার আজ্জেদিন উনাহি। বোস্টন স্টেডিয়ামে সেই মন্তব্যের প্রতিফলনই দেখা গেল মাঠের খেলায়। মাত্র ৭১ সেকেন্ডে পাওয়া দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো।
১ দিন আগে
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের জন্য অনেকটা ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। মরক্কোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোর পর এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফল তাদের জন্য স্বস্তির ছিল না। র্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা হাইতির বিপক্ষে তাই শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ দিন আগে