
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি দ্বিতীয় দফায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি দিয়েছে। বাংলাদেশ কেন ভারতে ম্যাচ খেলতে যেতে চায় না, তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে চিঠিতে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় আইসিসিকে ইমেইল করে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে বিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি বলছে, আগামী শনিবারের (১০ জানুয়ারির) মধ্যে দ্বিতীয় দফায় এ চিঠির জবাব মিলবে বলে বিসিবি আশা করছে।
কেন ভারতে বিশ্বকাপ খেলাকে বাংলাদেশের জন্য অনুকূল মনে করছে না বিসিবি— চিঠিতে তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের পাশাপাশি বিষয়টির পটভূমি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় নথি ও রেফারেন্সও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে বিসিবি সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে একই অনুরোধ জানিয়ে বিসিবি প্রথম চিঠি আইসিসিকে পাঠায় গত রোববার। ওই চিঠি নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বিসিবির ভার্চুয়াল বৈঠক হয় মঙ্গলবার। ক্রিকইনফো জানিয়েছিল, আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এখন আর ভেন্যু পরিবর্তন সম্ভব না। বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না গেলে ম্যাচগুলো ওয়াকওভার দেওয়া হয়েছে ধরে নেওয়া হবে।
এ খবর প্রকাশ হলে বিসিবি অস্বীকার করে। তারা জানায়, আইসিসি সরাসরি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নিতে অপারগতা জানায়নি। পরে বুধবার আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, টুর্নামেন্টের মাত্র এক মাস আগে ভেন্যু বদল করা কঠিন। ভারতে খেলার ব্যাপারে বাংলাদেশ যে নিরাপত্তাশঙ্কার কথা জানিয়েছে, সে রকম কিছু হবে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে আইসিসির জবাবে।
আইসিসির এ জবাব পেয়ে বুধবার বিকেলে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ বিসিবির কয়েকজন পরিচালক। পরে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অটল থাকছে।
এরপরই বিসিবির পক্ষ থেকে ফের আরও বিস্তারিতভাবে প্রেক্ষাপট জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়, যা বৃহস্পতিবার পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। আচমকা এ সিদ্ধান্ত কতটা ক্রিকেটীয়, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বিসিসিআইয়ের এ সিদ্ধান্তের পরই বিসিবি ভারতের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেখান থেকে বাংলাদেশের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়।

ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচ ভারত থেকে সরানোর অনুরোধ জানিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি দ্বিতীয় দফায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) চিঠি দিয়েছে। বাংলাদেশ কেন ভারতে ম্যাচ খেলতে যেতে চায় না, তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা হয়েছে চিঠিতে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় আইসিসিকে ইমেইল করে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে বিসিবির একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সূত্রটি বলছে, আগামী শনিবারের (১০ জানুয়ারির) মধ্যে দ্বিতীয় দফায় এ চিঠির জবাব মিলবে বলে বিসিবি আশা করছে।
কেন ভারতে বিশ্বকাপ খেলাকে বাংলাদেশের জন্য অনুকূল মনে করছে না বিসিবি— চিঠিতে তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের পাশাপাশি বিষয়টির পটভূমি তুলে ধরে প্রয়োজনীয় নথি ও রেফারেন্সও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে বিসিবি সূত্র জানিয়েছে।
এর আগে একই অনুরোধ জানিয়ে বিসিবি প্রথম চিঠি আইসিসিকে পাঠায় গত রোববার। ওই চিঠি নিয়ে আইসিসির সঙ্গে বিসিবির ভার্চুয়াল বৈঠক হয় মঙ্গলবার। ক্রিকইনফো জানিয়েছিল, আইসিসি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এখন আর ভেন্যু পরিবর্তন সম্ভব না। বাংলাদেশ ভারতে খেলতে না গেলে ম্যাচগুলো ওয়াকওভার দেওয়া হয়েছে ধরে নেওয়া হবে।
এ খবর প্রকাশ হলে বিসিবি অস্বীকার করে। তারা জানায়, আইসিসি সরাসরি বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে নিতে অপারগতা জানায়নি। পরে বুধবার আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, টুর্নামেন্টের মাত্র এক মাস আগে ভেন্যু বদল করা কঠিন। ভারতে খেলার ব্যাপারে বাংলাদেশ যে নিরাপত্তাশঙ্কার কথা জানিয়েছে, সে রকম কিছু হবে না বলেও আশ্বস্ত করা হয়েছে আইসিসির জবাবে।
আইসিসির এ জবাব পেয়ে বুধবার বিকেলে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ বিসিবির কয়েকজন পরিচালক। পরে উপদেষ্টা সাংবাদিকদের বলেন, ভারতে বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ অটল থাকছে।
এরপরই বিসিবির পক্ষ থেকে ফের আরও বিস্তারিতভাবে প্রেক্ষাপট জানিয়ে আইসিসিকে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়, যা বৃহস্পতিবার পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায়। আচমকা এ সিদ্ধান্ত কতটা ক্রিকেটীয়, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
বিসিসিআইয়ের এ সিদ্ধান্তের পরই বিসিবি ভারতের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সেখান থেকে বাংলাদেশের ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানায়।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে