
ক্রীড়া ডেস্ক

আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের পর ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে হংকংকে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হারাল শ্রীলংকা। এ ম্যাচে হেরে তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে শূন্য হাতে বিদায় নিশ্চিত হলো হংকংয়ের। অন্যদিকে সুপার ফোরের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে শ্রীলংকা।
এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান এখন লংকানদের। তাদের শেষ ম্যাচ আফগানিস্তানের সঙ্গে। অন্যদিকে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে। এই দুটি দলেরই পয়েন্ট ২। এ দুই দলের ম্যাচে আফগানিস্তান জিতলে বাংলাদেশ ছিটকে পড়বে সুপার ফোর থেকে, আফগানিস্তান ও শ্রীলংকার সুপার ফোর নিশ্চিত হবে। তবে বাংলাদেশ জিতলে শ্রীলংকা-আফগান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সুপার ফোরের সমীকরণ মেলানোর জন্য।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে হংকং। উদ্বোধনী জুটিতে ২৯ বলে ৪১ রানের সূচনা এনে দেন জিশান আলি ও অংশুমান রাথ। ১৭ বলে ২৩ রান তুলে শ্রীলংকান পেসার দুসমন্থ চামিরার বলে আউট হন জিশান।
তিনে নামা বাবর হায়াত ৪ রানে আউট হলে ৫৭ রানে ২ উইকেট হারায় হংকং। এরপর তৃতীয় উইকেটে ৪৩ বলে ৬১ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর ১০০ পার করেন রাথ ও নিজাকাত খান।
অর্ধশতকের খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৪ বাউন্ডারিতে ৪৬ বলে ৪৮ রান করে চামিরার দ্বিতীয় শিকার হন রাথ। তবে রাথ না পারলেও অর্ধশত রান তুলে নেন নিজাকাত। ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৮ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৪৯ রানে থামে হংকংয়ের ইনিংস।
শ্রীলংকার পক্ষে চামিরা ২৯ রানে ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন ওয়াইনিন্দু হাসারাঙ্গা ও দাসুন শানাকা।
জবাবে ওপেনার নিশাঙ্কার অর্ধশত রানের বিপরীতে বাকি ব্যাটাররা কেউ খুব একটা স্বচ্ছন্দ না হলেও জয়ের পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল শ্রীলংকা। ১১ রান করে দলীয় ২৬ রানের মাথায় আউট হন কুশল পেরেরা। দ্বিতীয় উইকেটে কামিল মিশরার সঙ্গে ৩৬ রানের জুটি গড়েন নিশাঙ্কা। ৬২ রানের মাথায় কামিল আউট হয়ে যান ১৮ বলে ১৯ করে।
এরপর কুশল পেরেরার সঙ্গে ৩৪ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়ে জয়ের অনেকটা কাছে নিয়ে যান নিশাঙ্কা। দলীয় ১১৯ রানের মাথায় থামেন নিশাঙ্কা। তার ৪৪ বলে ৬৮ রানের ইনিংসে ছিল ৬টি বাউন্ডারি আর দুটি ছক্কা।
নিশাঙ্কা আউট হওয়ার পরের বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন কুশল পেরেরা (৬ বলে ২০)। এরপর দ্রুতই আউট হয়ে যান চারিথা আসালঙ্কা (৫ বলে ২) ও কামিন্দু মেন্ডিস (৫ বলে ৫)। সব মিলিয়ে ৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে শ্রীলংকা। শেষ পর্যন্ত সপ্তম উইকেটে দাসুন শানাকাকে নিয়ে ১১ বলে ২৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে শ্রীলংকাকে জয় এনে দেন হাসারাঙ্গা ডি সিলভা। ৯ বলে অনবদ্য ২০ রান করেন হাসারাঙ্গা। ৩ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন শানাকা।
হংকংয়ের ইয়াসিম মুর্তাজা ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন আয়ুশ শুক্লা, এহসান খান ও আইজাজ খান।
৪৪ বলে ৬৮ রানের অনবদ্য ইনিংসের জন্য প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন পাথুম নিশাঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে হংকংয়ের আর কোনো ম্যাচ বাকি নেই। শ্রীলংকার শেষ ম্যাচটি আফগানিস্তানের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর)।

আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের পর ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে হংকংকে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হারাল শ্রীলংকা। এ ম্যাচে হেরে তিন ম্যাচের সবকটিতে হেরে শূন্য হাতে বিদায় নিশ্চিত হলো হংকংয়ের। অন্যদিকে সুপার ফোরের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে শ্রীলংকা।
এশিয়া কাপের ‘বি’ গ্রুপে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান এখন লংকানদের। তাদের শেষ ম্যাচ আফগানিস্তানের সঙ্গে। অন্যদিকে আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে। এই দুটি দলেরই পয়েন্ট ২। এ দুই দলের ম্যাচে আফগানিস্তান জিতলে বাংলাদেশ ছিটকে পড়বে সুপার ফোর থেকে, আফগানিস্তান ও শ্রীলংকার সুপার ফোর নিশ্চিত হবে। তবে বাংলাদেশ জিতলে শ্রীলংকা-আফগান ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সুপার ফোরের সমীকরণ মেলানোর জন্য।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে হংকং। উদ্বোধনী জুটিতে ২৯ বলে ৪১ রানের সূচনা এনে দেন জিশান আলি ও অংশুমান রাথ। ১৭ বলে ২৩ রান তুলে শ্রীলংকান পেসার দুসমন্থ চামিরার বলে আউট হন জিশান।
তিনে নামা বাবর হায়াত ৪ রানে আউট হলে ৫৭ রানে ২ উইকেট হারায় হংকং। এরপর তৃতীয় উইকেটে ৪৩ বলে ৬১ রানের জুটি গড়ে দলের স্কোর ১০০ পার করেন রাথ ও নিজাকাত খান।
অর্ধশতকের খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ৪ বাউন্ডারিতে ৪৬ বলে ৪৮ রান করে চামিরার দ্বিতীয় শিকার হন রাথ। তবে রাথ না পারলেও অর্ধশত রান তুলে নেন নিজাকাত। ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩৮ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৪৯ রানে থামে হংকংয়ের ইনিংস।
শ্রীলংকার পক্ষে চামিরা ২৯ রানে ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন ওয়াইনিন্দু হাসারাঙ্গা ও দাসুন শানাকা।
জবাবে ওপেনার নিশাঙ্কার অর্ধশত রানের বিপরীতে বাকি ব্যাটাররা কেউ খুব একটা স্বচ্ছন্দ না হলেও জয়ের পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল শ্রীলংকা। ১১ রান করে দলীয় ২৬ রানের মাথায় আউট হন কুশল পেরেরা। দ্বিতীয় উইকেটে কামিল মিশরার সঙ্গে ৩৬ রানের জুটি গড়েন নিশাঙ্কা। ৬২ রানের মাথায় কামিল আউট হয়ে যান ১৮ বলে ১৯ করে।
এরপর কুশল পেরেরার সঙ্গে ৩৪ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়ে জয়ের অনেকটা কাছে নিয়ে যান নিশাঙ্কা। দলীয় ১১৯ রানের মাথায় থামেন নিশাঙ্কা। তার ৪৪ বলে ৬৮ রানের ইনিংসে ছিল ৬টি বাউন্ডারি আর দুটি ছক্কা।
নিশাঙ্কা আউট হওয়ার পরের বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন কুশল পেরেরা (৬ বলে ২০)। এরপর দ্রুতই আউট হয়ে যান চারিথা আসালঙ্কা (৫ বলে ২) ও কামিন্দু মেন্ডিস (৫ বলে ৫)। সব মিলিয়ে ৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে শ্রীলংকা। শেষ পর্যন্ত সপ্তম উইকেটে দাসুন শানাকাকে নিয়ে ১১ বলে ২৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে শ্রীলংকাকে জয় এনে দেন হাসারাঙ্গা ডি সিলভা। ৯ বলে অনবদ্য ২০ রান করেন হাসারাঙ্গা। ৩ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন শানাকা।
হংকংয়ের ইয়াসিম মুর্তাজা ২ উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন আয়ুশ শুক্লা, এহসান খান ও আইজাজ খান।
৪৪ বলে ৬৮ রানের অনবদ্য ইনিংসের জন্য প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন পাথুম নিশাঙ্কা। ‘বি’ গ্রুপে হংকংয়ের আর কোনো ম্যাচ বাকি নেই। শ্রীলংকার শেষ ম্যাচটি আফগানিস্তানের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর)।

ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের জন্য অনেকটা ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। মরক্কোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোর পর এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফল তাদের জন্য স্বস্তির ছিল না। র্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা হাইতির বিপক্ষে তাই শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১৪ ঘণ্টা আগে
ফরাসি প্রসিকিউটরদের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১৯ জুন) বিবিসির খবরে বলা হয়, ২০২৩ সালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) এই ডিফেন্ডারের বিরুদ্ধে তার প্যারিসের বাসায় ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন এক তরুণী। তখন উভয়ের বয়স ছিল ২৪ বছর।
১ দিন আগে
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ ‘জি’-এর ম্যাচে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হওয়ার মাত্র দুই দিন আগে লস অ্যাঞ্জেলেস ভ্রমণের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। স্বাগতিক দেশটির এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
১ দিন আগে
তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্নও দেখেছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে স্নায়ুচাপ সামলাতে না পেরে ৭ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংলাদেশকে। ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
১ দিন আগে