
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে আইরিশ অফ স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনের ঘূর্ণিতে অলআউট হওয়ার আগে বড় স্কোরের শক্ত ভিত পায় স্বাগতিকরা।
প্রথম দিনের সাবধানী শুরুর পর দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের ইনিংসের মূল চালিকাশক্তি ছিল মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ব্যাট। বিশেষ করে নিজের শততম টেস্টে ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ মুশফিকুর রহিম।
লিটন-মুশফিকের দাপট দিনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী মেলে ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ২১৪ বল মোকাবিলা করে ১০৬ রানের ধ্রুপদী এক ইনিংস খেলেন মুশফিক। ধৈর্য, সঠিক শট নির্বাচন এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে সাজানো তার এই ইনিংসটি থামে হাম্প্রিজের বলে বালবিরনির হাতে ক্যাচ দিয়ে। আউট হওয়ার আগে অবশ্য তিনি গড়েছেন ইতিহাস—বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি।
অন্যদিকে, উইকেটে শান্ত অথচ আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন লিটন দাস। অসাধারণ টাইমিংয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়ে ১৯২ বলে ১২৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
টপ ও মিডল অর্ডারের অবদান এর আগে, ইনিংসের শুরুতে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৩৪) ও সাদমান ইসলাম (৩৫) ভালো শুরু এনে দিলেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। তবে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন মুমিনুল হক। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ১২৮ বলে ৬৩ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ২০২ রানের মাথায় দলীয় স্কোরে তিনি আউট হন।
লোয়ার অর্ডারের লড়াই ও মিরাজের আক্ষেপ লিটন-মুশফিকের বিদায়ের পর লোয়ার অর্ডারে দলের রান বাড়ানোর দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পরিণত ব্যাটিংয়ে এগোতে থাকলেও ফিফটি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে গ্রাহাম হিউমের (হোয়ে) শিকার হন তিনি (৪৭)। শেষ দিকে ইবাদত হোসেনের ১৮ ও হাসান মুরাদের ১১ রানের সুবাদে ৪৭৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
ম্যাকব্রিনের ৬ উইকেট বাংলাদেশের রান উৎসবেও বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন আয়ারল্যান্ডের অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন। একাই ৬ উইকেট শিকার করে তিনি বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দেন। এছাড়া আইরিশদের হয়ে হাম্প্রিজ ও হিউম (হোয়ে) প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট লাভ করেন।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে আইরিশ অফ স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনের ঘূর্ণিতে অলআউট হওয়ার আগে বড় স্কোরের শক্ত ভিত পায় স্বাগতিকরা।
প্রথম দিনের সাবধানী শুরুর পর দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের ইনিংসের মূল চালিকাশক্তি ছিল মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ব্যাট। বিশেষ করে নিজের শততম টেস্টে ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ মুশফিকুর রহিম।
লিটন-মুশফিকের দাপট দিনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী মেলে ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ২১৪ বল মোকাবিলা করে ১০৬ রানের ধ্রুপদী এক ইনিংস খেলেন মুশফিক। ধৈর্য, সঠিক শট নির্বাচন এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে সাজানো তার এই ইনিংসটি থামে হাম্প্রিজের বলে বালবিরনির হাতে ক্যাচ দিয়ে। আউট হওয়ার আগে অবশ্য তিনি গড়েছেন ইতিহাস—বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি।
অন্যদিকে, উইকেটে শান্ত অথচ আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন লিটন দাস। অসাধারণ টাইমিংয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়ে ১৯২ বলে ১২৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
টপ ও মিডল অর্ডারের অবদান এর আগে, ইনিংসের শুরুতে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৩৪) ও সাদমান ইসলাম (৩৫) ভালো শুরু এনে দিলেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। তবে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন মুমিনুল হক। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ১২৮ বলে ৬৩ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ২০২ রানের মাথায় দলীয় স্কোরে তিনি আউট হন।
লোয়ার অর্ডারের লড়াই ও মিরাজের আক্ষেপ লিটন-মুশফিকের বিদায়ের পর লোয়ার অর্ডারে দলের রান বাড়ানোর দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পরিণত ব্যাটিংয়ে এগোতে থাকলেও ফিফটি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে গ্রাহাম হিউমের (হোয়ে) শিকার হন তিনি (৪৭)। শেষ দিকে ইবাদত হোসেনের ১৮ ও হাসান মুরাদের ১১ রানের সুবাদে ৪৭৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।
ম্যাকব্রিনের ৬ উইকেট বাংলাদেশের রান উৎসবেও বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন আয়ারল্যান্ডের অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন। একাই ৬ উইকেট শিকার করে তিনি বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দেন। এছাড়া আইরিশদের হয়ে হাম্প্রিজ ও হিউম (হোয়ে) প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট লাভ করেন।

ম্যাচ শুরুর পরপরই আক্রমণে উঠে আসে প্যারাগুয়ে। তুরস্কের রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে মাত্র ৬৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেন মাতিয়াস গালারজা। এটি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দ্রুততম গোল। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারির ৭১ সেকেন্ডে গোল করেন।
১ দিন আগে
প্রায় এক শতাব্দী পর বিশ্বকাপে টানা দুই জয়ের কীর্তি— ১৯৩০ সালের পর এমন অর্জনের সাক্ষী হলো যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের পর এবার অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।
১ দিন আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচকে ব্রাজিলের চেয়েও কঠিন বলে আগেই মন্তব্য করেছিলেন মরক্কোর মিডফিল্ডার আজ্জেদিন উনাহি। বোস্টন স্টেডিয়ামে সেই মন্তব্যের প্রতিফলনই দেখা গেল মাঠের খেলায়। মাত্র ৭১ সেকেন্ডে পাওয়া দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো।
১ দিন আগে
ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ম্যাচটি ছিল ব্রাজিলের জন্য অনেকটা ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই। মরক্কোর বিপক্ষে পয়েন্ট হারানোর পর এই ম্যাচে জয় ছাড়া অন্য কোনো ফল তাদের জন্য স্বস্তির ছিল না। র্যাঙ্কিংয়ে অনেক পিছিয়ে থাকা হাইতির বিপক্ষে তাই শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ দিন আগে