
ক্রীড়া ডেস্ক

ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম একপাশ আগলে রেখে ব্যাট করে যাচ্ছিলেন দুর্দান্ত গতিতে। দলীয় ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে যখন আউট হলেন, নামের পাশে ৬২ বলে ৮৯। রোমারিও শেফার্ডের বলটা ঠিকমতো টাইমিং না হওয়ায় সেঞ্চুরির আক্ষেপটা থেকেই গেল। তবে এখন পর্যন্ত ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসটাও চট্টগ্রামেই খেলে ফেললেন তানজিদ।
এদিকে তানজিদের ৮৯ বাদ দিলে ২২ বলে ২৩ করেছেন ওপেনিং থেকে ব্যাটিং অর্ডারের চারে নেমে আসা সাইফ হাসান। দলের আর একজন ব্যাটারও দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি। উলটো শেষ ৩২ বলে একদিকে এসেছে মাত্র ৪৪ রান, অন্যদিকে উইকেটও পড়েছে ৭টি। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫১ রানেই থামতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর সাগরিকায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচ হেরে বসায় এখন এ ম্যাচে লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।
সে লক্ষ্যে একাদশকে চার পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে আগের দুই ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটারদের ভুগতে হয়েছে। এক তানজিদ ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট চালাতে পারেননি। আগের মতোই শেষের দিকে গিয়ে উইকেটে ধসও নামে। ফলে দেড়শ রান পেরোতে না পেরোতেই শেষ হয়েছে ইনিংস।
ইনিংসের শুরু থেকেই তানজিদ চালিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। কিছুটা সফলও হয়েছেন তিনি। কিন্তু অন্য পাশ থেকে সমর্থন পাননি একেবারেই। দলীয় ২২ রানের মাথায় ১০ বলে ৯ করে আউট হন এ ম্যাচে একাদশে ফেরা পারভেজ হোসেন ইমন। অধিনায়ক লিটন আউট হন ৪৪ রানের মাথায়, ৯ বলে ৬ করেছিলেন তিনি।
তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসানকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। সাইফ দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকলেও খুব স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। ২২ বলে ২৩ রানে শেষ হয় তার সংগ্রামী ইনিংস। দলের রান তখন ১০৭। এরপর শুরু ব্যাটারদের যাওয়া-আসার মিছিল।
রিশাদ হোসেন করেন ৩ বলে ৩। নুরুল হাসান সোহান আর নাসুম আহমেদ দুজনেই ৩ বলে ১ রান করেন। ৩ বলে ৫ করেন জাকের আলী। শরিফুল পেয়েছেন গোল্ডেন ডাক। শেষের দিকে তাসকিন কেবল ১ ছক্কায় ৪ বলে ৯ রান করতে সক্ষম হয়েছেন। তাতে ইনিংসের শেষ বলে ১৫১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
উইন্ডিজ বোলারদের মধ্যে ২ ওভার মিলিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন রোমারিও শেফার্ড। ৪ ওভারে ৩৬ রানে ৩ উইকেট তার নামের পাশে। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জেসন হোল্ডার আর খ্যারি পিয়ের। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আকিল হোসেন ও রোস্টন চেজ।

ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম একপাশ আগলে রেখে ব্যাট করে যাচ্ছিলেন দুর্দান্ত গতিতে। দলীয় ইনিংসের শেষ ওভারের প্রথম বলে যখন আউট হলেন, নামের পাশে ৬২ বলে ৮৯। রোমারিও শেফার্ডের বলটা ঠিকমতো টাইমিং না হওয়ায় সেঞ্চুরির আক্ষেপটা থেকেই গেল। তবে এখন পর্যন্ত ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসটাও চট্টগ্রামেই খেলে ফেললেন তানজিদ।
এদিকে তানজিদের ৮৯ বাদ দিলে ২২ বলে ২৩ করেছেন ওপেনিং থেকে ব্যাটিং অর্ডারের চারে নেমে আসা সাইফ হাসান। দলের আর একজন ব্যাটারও দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি। উলটো শেষ ৩২ বলে একদিকে এসেছে মাত্র ৪৪ রান, অন্যদিকে উইকেটও পড়েছে ৭টি। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৫১ রানেই থামতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের পাহাড়তলীর সাগরিকায় বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচ হেরে বসায় এখন এ ম্যাচে লক্ষ্য হোয়াইটওয়াশ এড়ানো।
সে লক্ষ্যে একাদশকে চার পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে আগের দুই ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটারদের ভুগতে হয়েছে। এক তানজিদ ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাট চালাতে পারেননি। আগের মতোই শেষের দিকে গিয়ে উইকেটে ধসও নামে। ফলে দেড়শ রান পেরোতে না পেরোতেই শেষ হয়েছে ইনিংস।
ইনিংসের শুরু থেকেই তানজিদ চালিয়ে খেলার চেষ্টা করেছেন। কিছুটা সফলও হয়েছেন তিনি। কিন্তু অন্য পাশ থেকে সমর্থন পাননি একেবারেই। দলীয় ২২ রানের মাথায় ১০ বলে ৯ করে আউট হন এ ম্যাচে একাদশে ফেরা পারভেজ হোসেন ইমন। অধিনায়ক লিটন আউট হন ৪৪ রানের মাথায়, ৯ বলে ৬ করেছিলেন তিনি।
তৃতীয় উইকেটে সাইফ হাসানকে নিয়ে ৬৩ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। সাইফ দীর্ঘ সময় উইকেটে থাকলেও খুব স্বচ্ছন্দ ছিলেন না। ২২ বলে ২৩ রানে শেষ হয় তার সংগ্রামী ইনিংস। দলের রান তখন ১০৭। এরপর শুরু ব্যাটারদের যাওয়া-আসার মিছিল।
রিশাদ হোসেন করেন ৩ বলে ৩। নুরুল হাসান সোহান আর নাসুম আহমেদ দুজনেই ৩ বলে ১ রান করেন। ৩ বলে ৫ করেন জাকের আলী। শরিফুল পেয়েছেন গোল্ডেন ডাক। শেষের দিকে তাসকিন কেবল ১ ছক্কায় ৪ বলে ৯ রান করতে সক্ষম হয়েছেন। তাতে ইনিংসের শেষ বলে ১৫১ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।
উইন্ডিজ বোলারদের মধ্যে ২ ওভার মিলিয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন রোমারিও শেফার্ড। ৪ ওভারে ৩৬ রানে ৩ উইকেট তার নামের পাশে। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জেসন হোল্ডার আর খ্যারি পিয়ের। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আকিল হোসেন ও রোস্টন চেজ।

অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। আগামী ২৫ জুন গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই বিশ্বকাপে ফিরতে যাচ্ছেন নেইমার।
২১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শুরুর পরপরই আক্রমণে উঠে আসে প্যারাগুয়ে। তুরস্কের রক্ষণভাগকে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে মাত্র ৬৫ সেকেন্ডের মাথায় গোল করেন মাতিয়াস গালারজা। এটি এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম দ্রুততম গোল। এর আগে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারির ৭১ সেকেন্ডে গোল করেন।
১ দিন আগে
প্রায় এক শতাব্দী পর বিশ্বকাপে টানা দুই জয়ের কীর্তি— ১৯৩০ সালের পর এমন অর্জনের সাক্ষী হলো যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের পর এবার অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের এক ম্যাচ হাতে রেখেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।
১ দিন আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচকে ব্রাজিলের চেয়েও কঠিন বলে আগেই মন্তব্য করেছিলেন মরক্কোর মিডফিল্ডার আজ্জেদিন উনাহি। বোস্টন স্টেডিয়ামে সেই মন্তব্যের প্রতিফলনই দেখা গেল মাঠের খেলায়। মাত্র ৭১ সেকেন্ডে পাওয়া দ্রুততম গোলে স্কটল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয় তুলে নিয়েছে মরক্কো।
১ দিন আগে