
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে পুরো দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে পাকিস্তানকে মাত্র ২৩২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। দিনের দুই সেশনেই সমান চারটি করে উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের চাপে রাখে টাইগার বোলাররা।
লিটন কুমার দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের আঘাতে প্রথম সেশনেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শান মাসুদের দল।
দিনের শুরুতেই আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণ সূচনা এনে দেন তাসকিন। লিটনের অসাধারণ ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। এরপর অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান আওয়াইজকেও ফেরান ডানহাতি এই পেসার। দুই ওপেনারকে দ্রুত হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
মিরাজের স্পিনেও ভুগেছে সফরকারীরা। অধিনায়ক শান মাসুদ এবং সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি।
তবে একপ্রান্তে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বাবর আজম। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালিয়ে ৬৩ বলে ফিফটি পূরণ করেন সাবেক এই অধিনায়ক। ১০ চার মেরে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু নাহিদ রানার গতির সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি। মিড-অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাবর।
বাবরের বিদায়ের পর দ্রুতই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের মিডল ও লোয়ার অর্ডার। সালমান আলী আগা (২১), মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৩) ও হাসান আলীকে (১৮) ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে তুলে দেন তাইজুল ইসলাম।
চা বিরতির পর বাকি দুই উইকেটও দ্রুত তুলে নেয় বাংলাদেশ। খুররম শাহজাদকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় শিকার পান নাহিদ রানা। পরে সাজিদ খানকে থার্ড ম্যানে মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন এই গতি তারকা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম। এছাড়া দুটি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
এর আগে, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে একাই প্রতিরোধ গড়েছিলেন লিটন কুমার দাস। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার মধ্যে ১২৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি। ১৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি তার টানা দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি।
তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ এবং শরিফুল ইসলামের সঙ্গে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন লিটন। পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ নেন ৪ উইকেট, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি এবং হাসান আলী ২টি উইকেট শিকার করেন।

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে পুরো দাপট দেখিয়েছে বাংলাদেশ। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে পাকিস্তানকে মাত্র ২৩২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪৬ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা। দিনের দুই সেশনেই সমান চারটি করে উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারীদের চাপে রাখে টাইগার বোলাররা।
লিটন কুমার দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ২৭৮ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে পাকিস্তান। তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজের আঘাতে প্রথম সেশনেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শান মাসুদের দল।
দিনের শুরুতেই আব্দুল্লাহ ফজলকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে দারুণ সূচনা এনে দেন তাসকিন। লিটনের অসাধারণ ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। এরপর অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি করা আজান আওয়াইজকেও ফেরান ডানহাতি এই পেসার। দুই ওপেনারকে দ্রুত হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান।
মিরাজের স্পিনেও ভুগেছে সফরকারীরা। অধিনায়ক শান মাসুদ এবং সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে মধ্যাহ্ন বিরতির আগেই পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান তিনি।
তবে একপ্রান্তে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন বাবর আজম। ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট চালিয়ে ৬৩ বলে ফিফটি পূরণ করেন সাবেক এই অধিনায়ক। ১০ চার মেরে ৬৮ রানের ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু নাহিদ রানার গতির সামনে শেষ পর্যন্ত টিকতে পারেননি। মিড-অনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন বাবর।
বাবরের বিদায়ের পর দ্রুতই ভেঙে পড়ে পাকিস্তানের মিডল ও লোয়ার অর্ডার। সালমান আলী আগা (২১), মোহাম্মদ রিজওয়ান (১৩) ও হাসান আলীকে (১৮) ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে তুলে দেন তাইজুল ইসলাম।
চা বিরতির পর বাকি দুই উইকেটও দ্রুত তুলে নেয় বাংলাদেশ। খুররম শাহজাদকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় শিকার পান নাহিদ রানা। পরে সাজিদ খানকে থার্ড ম্যানে মিরাজের ক্যাচ বানিয়ে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন এই গতি তারকা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন নাহিদ রানা ও তাইজুল ইসলাম। এছাড়া দুটি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
এর আগে, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে একাই প্রতিরোধ গড়েছিলেন লিটন কুমার দাস। টপ অর্ডারের ব্যর্থতার মধ্যে ১২৬ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন তিনি। ১৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসে টেস্ট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি তুলে নেন লিটন। পাকিস্তানের বিপক্ষে এটি তার টানা দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি।
তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ৬০ এবং শরিফুল ইসলামের সঙ্গে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন লিটন। পাকিস্তানের হয়ে খুররম শাহজাদ নেন ৪ উইকেট, মোহাম্মদ আব্বাস ৩টি এবং হাসান আলী ২টি উইকেট শিকার করেন।

নকআউট মিশনেও নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নেমছে ব্রাজিল। কার্লোস আনিচেলত্তির দল বলের দখল আর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিল। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল করে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান।
১ দিন আগে
দলকে ঘিরে সমালোচনা কিংবা প্রশংসা—কোনোটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘অন্যরা কী বলছেন, সেটার পুনরাবৃত্তি আমরা করছি না। আমরা পুরোপুরি ম্যাচ, প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এবং কীভাবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়—সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।
২ দিন আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার চেষ্টা করে। দক্ষিণ আফ্রিকা তুলনামূলকভাবে রক্ষণে জোর দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকের কৌশল বেছে নিয়েছিল। জবাবে কানাডা প্রথম থেকেই দারুণ প্রেসিংয়ে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। তবে দুই দলেরই রক্ষণভাগ শক্তিশালী হওয়ায় কেউ খুব একটা সুবিধা করতে পারছিল না।
২ দিন আগে
চার বছর পর পূর্ণাঙ্গ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেছে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টের পর দুই দল তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে।
৩ দিন আগে