
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপে নিজেদের ধারাবাহিক আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ফরাসিদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে প্যারাগুয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই সুইডেনের ওপর একের পর এক আক্রমণ চালায় ফ্রান্স। তবে প্রথমার্ধের বড় একটা সময় ভাগ্য যেন ফরাসিদের পক্ষে ছিল না। কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়, আর দুটি জোরালো প্রচেষ্টা গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। এছাড়া আরও কয়েকটি সুবর্ণ সুযোগ অল্পের জন্য হাতছাড়া হওয়ায় প্রথমার্ধজুড়ে হতাশাই ছিল ফরাসিদের সঙ্গী।
তবে বিরতির ঠিক আগে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ৪৫তম মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নিখুঁত শটে গোল করেন এমবাপ্পে। গোল করার পরই এক আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয়; সম্প্রতি মাকে হারানো কোচ দিদিয়ের দেশমের কাছে ছুটে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন ফরাসি অধিনায়ক। এমবাপ্পের এই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
বিরতির পর সুইডেন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। উল্টো ৫৩তম মিনিটে সুইডিশ রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা। দুই গোলে এগিয়ে থেকেও খেলার গতি কমায়নি ফ্রান্স, বরং একের পর এক আক্রমণে সুইডেনের ডিফেন্সলাইনকে পুরোপুরি দিশেহারা করে রাখে।
ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে সুইডেনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন এমবাপ্পে। নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি উদযাপনে মাতেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এই জোড়া গোলের সুবাদে চলতি আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে (৬ গোল) উঠে এসেছেন ফরাসি এই পোস্টার বয়। তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসির (০ অ্যাসিস্ট) চেয়ে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে (২ অ্যাসিস্ট)।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শেষ ষোলোর ম্যাচে এবার প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে ব্লুজরা।
রাজনীতি/এসআর

বিশ্বকাপে নিজেদের ধারাবাহিক আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল ফ্রান্স। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সুইডেনকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ফরাসিদের প্রতিপক্ষ হিসেবে থাকছে প্যারাগুয়ে।
ম্যাচের শুরু থেকেই সুইডেনের ওপর একের পর এক আক্রমণ চালায় ফ্রান্স। তবে প্রথমার্ধের বড় একটা সময় ভাগ্য যেন ফরাসিদের পক্ষে ছিল না। কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়, আর দুটি জোরালো প্রচেষ্টা গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। এছাড়া আরও কয়েকটি সুবর্ণ সুযোগ অল্পের জন্য হাতছাড়া হওয়ায় প্রথমার্ধজুড়ে হতাশাই ছিল ফরাসিদের সঙ্গী।
তবে বিরতির ঠিক আগে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ৪৫তম মিনিটে বক্সের বাঁ দিক থেকে বল পেয়ে দারুণ দক্ষতায় দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নিখুঁত শটে গোল করেন এমবাপ্পে। গোল করার পরই এক আবেগঘন দৃশ্যের অবতারণা হয়; সম্প্রতি মাকে হারানো কোচ দিদিয়ের দেশমের কাছে ছুটে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেন ফরাসি অধিনায়ক। এমবাপ্পের এই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
বিরতির পর সুইডেন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে তেমন কোনো কঠিন পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি। উল্টো ৫৩তম মিনিটে সুইডিশ রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড ব্র্যাডলি বারকোলা। দুই গোলে এগিয়ে থেকেও খেলার গতি কমায়নি ফ্রান্স, বরং একের পর এক আক্রমণে সুইডেনের ডিফেন্সলাইনকে পুরোপুরি দিশেহারা করে রাখে।
ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে সুইডেনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন এমবাপ্পে। নিজের দ্বিতীয় ও দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি উদযাপনে মাতেন এই রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এই জোড়া গোলের সুবাদে চলতি আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় লিওনেল মেসির সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে (৬ গোল) উঠে এসেছেন ফরাসি এই পোস্টার বয়। তবে গোলসংখ্যা সমান হলেও অ্যাসিস্টের দিক থেকে মেসির (০ অ্যাসিস্ট) চেয়ে এগিয়ে আছেন এমবাপ্পে (২ অ্যাসিস্ট)।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শেষ ষোলোর ম্যাচে এবার প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে ব্লুজরা।
রাজনীতি/এসআর

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
১ দিন আগে
৬ মিনিটের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্রাজিলকে জয়সূচক গোল এনে দিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। জাপানের রক্ষণদুর্গ ভেঙে ২-১ গোলের জয় নিয়ে হেক্সা মিশনে ব্রাজিল উঠল শেষ ষোলোতে।
১ দিন আগে
নকআউট মিশনেও নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নেমছে ব্রাজিল। কার্লোস আনিচেলত্তির দল বলের দখল আর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিল। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল করে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান।
২ দিন আগে
দলকে ঘিরে সমালোচনা কিংবা প্রশংসা—কোনোটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘অন্যরা কী বলছেন, সেটার পুনরাবৃত্তি আমরা করছি না। আমরা পুরোপুরি ম্যাচ, প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এবং কীভাবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়—সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।
২ দিন আগে