
ক্রীড়া ডেস্ক

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলেই ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে। আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটি শুধু বিশ্বকাপে অভিষেকই করেনি, নকআউট পর্বেও জায়গা করে নিয়েছে। এবার তাদের সামনে আরও বড় পরীক্ষা— বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
তবে প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক, কেপ ভার্দের আত্মবিশ্বাসে কোনো ঘাটতি নেই। দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসে মারিয়া নেভেস তো সরাসরি ভবিষ্যদ্বাণীই করে বসেছেন, ‘আমার মনে হয়, কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে।’
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেভেস বলেন, ‘আমরা জয়ের জন্যই খেলতে নামি। কোনো দলকে নিয়ে যখন প্রত্যাশা কম থাকে, কিন্তু সেই দলের জেতার প্রবল ইচ্ছা থাকে, তখন অসম্ভবও সম্ভব হতে পারে। কেপ ভার্দের মতো ছোট একটি দেশের সব সময় মানুষকে চমকে দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত।’
ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের ব্যবধানই বলে দেয় ম্যাচটি কতটা কঠিন হতে যাচ্ছে। আর্জেন্টিনা বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর দল, আর কেপ ভার্দে তাদের চেয়ে ৬৩ ধাপ পিছিয়ে। এমনকি আফ্রিকার মধ্যেও তারা ১৩তম স্থানে। তবু প্রেসিডেন্টের বিশ্বাস, তার দলের জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ।
নেভেসের ভাষায়, ‘আমাদের দলের শতভাগ বিশ্বাস আছে, শতভাগ আশা আছে এবং তারা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেবে। তাই আমাদের জয়ের সম্ভাবনাও শতভাগ।’

বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের পথচলাও এই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করেছে। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তারা শক্তিশালী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দেয়। সেই ম্যাচে ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন দলের নায়ক।
দ্বিতীয় ম্যাচে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে সবাইকে চমকে দেয় তারা। এরপর শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষেও গোলশূন্য ড্র করে গ্রুপ এইচ-এর রানার্সআপ হিসেবে নকআউটে ওঠে। স্পেনের কাছে উরুগুয়ের পরাজয়ও তাদের শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
শুক্রবার মিয়ামিতে কেপ ভার্দের প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। তবে নেভেস বলছেন, বিশ্বকাপে তাদের লক্ষ্যই ছিল চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হওয়া।
তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই লিখতে বিশ্বকাপে এসেছি। সেই ভাগ্য আমাদের চ্যাম্পিয়নদের সামনে দাঁড় করিয়েছে। তাই আর্জেন্টিনা ও মেসির বিপক্ষেও আমরা একই দৃঢ়তা, একই মানসিকতা এবং জয়ের ইচ্ছা নিয়েই খেলব।’
একই ধরনের আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন কেপ ভার্দের কোচ পেদ্রো লেইতাও ব্রিতো, যিনি ‘বুবিস্তা’ নামেই বেশি পরিচিত। সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই।’
মিডফিল্ডার ডেরয় দুয়ার্তেও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচটিকে ‘স্বপ্নের মতো’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার স্বীকারোক্তি, ম্যাচটি কঠিন হবে, তবে ‘বিশ্বাস রাখতে হবে, কারণ ফুটবলে সবই সম্ভব।’
আর যদি শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কাছে হারতে হয়? প্রেসিডেন্ট নেভেসের কাছে তাতেও কোনো আক্ষেপ নেই।
‘ফল যা-ই হোক, আমরা মাথা উঁচু করেই বিশ্বকাপ ছাড়ব। কারণ আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করেছি,’— বলেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট।

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলেই ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে। আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট দ্বীপরাষ্ট্রটি শুধু বিশ্বকাপে অভিষেকই করেনি, নকআউট পর্বেও জায়গা করে নিয়েছে। এবার তাদের সামনে আরও বড় পরীক্ষা— বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
তবে প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক, কেপ ভার্দের আত্মবিশ্বাসে কোনো ঘাটতি নেই। দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসে মারিয়া নেভেস তো সরাসরি ভবিষ্যদ্বাণীই করে বসেছেন, ‘আমার মনে হয়, কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারাতে পারে।’
বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেভেস বলেন, ‘আমরা জয়ের জন্যই খেলতে নামি। কোনো দলকে নিয়ে যখন প্রত্যাশা কম থাকে, কিন্তু সেই দলের জেতার প্রবল ইচ্ছা থাকে, তখন অসম্ভবও সম্ভব হতে পারে। কেপ ভার্দের মতো ছোট একটি দেশের সব সময় মানুষকে চমকে দেওয়ার চেষ্টা করা উচিত।’
ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের ব্যবধানই বলে দেয় ম্যাচটি কতটা কঠিন হতে যাচ্ছে। আর্জেন্টিনা বর্তমানে বিশ্বের এক নম্বর দল, আর কেপ ভার্দে তাদের চেয়ে ৬৩ ধাপ পিছিয়ে। এমনকি আফ্রিকার মধ্যেও তারা ১৩তম স্থানে। তবু প্রেসিডেন্টের বিশ্বাস, তার দলের জয়ের সম্ভাবনা শতভাগ।
নেভেসের ভাষায়, ‘আমাদের দলের শতভাগ বিশ্বাস আছে, শতভাগ আশা আছে এবং তারা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেবে। তাই আমাদের জয়ের সম্ভাবনাও শতভাগ।’

বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের পথচলাও এই আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করেছে। গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে তারা শক্তিশালী স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দেয়। সেই ম্যাচে ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা ছিলেন দলের নায়ক।
দ্বিতীয় ম্যাচে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করে সবাইকে চমকে দেয় তারা। এরপর শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষেও গোলশূন্য ড্র করে গ্রুপ এইচ-এর রানার্সআপ হিসেবে নকআউটে ওঠে। স্পেনের কাছে উরুগুয়ের পরাজয়ও তাদের শেষ ৩২ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
শুক্রবার মিয়ামিতে কেপ ভার্দের প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। তবে নেভেস বলছেন, বিশ্বকাপে তাদের লক্ষ্যই ছিল চ্যাম্পিয়নদের মুখোমুখি হওয়া।
তিনি বলেন, ‘আমরা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই লিখতে বিশ্বকাপে এসেছি। সেই ভাগ্য আমাদের চ্যাম্পিয়নদের সামনে দাঁড় করিয়েছে। তাই আর্জেন্টিনা ও মেসির বিপক্ষেও আমরা একই দৃঢ়তা, একই মানসিকতা এবং জয়ের ইচ্ছা নিয়েই খেলব।’
একই ধরনের আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছেন কেপ ভার্দের কোচ পেদ্রো লেইতাও ব্রিতো, যিনি ‘বুবিস্তা’ নামেই বেশি পরিচিত। সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাদের কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই।’
মিডফিল্ডার ডেরয় দুয়ার্তেও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচটিকে ‘স্বপ্নের মতো’ বলে উল্লেখ করেছেন। তার স্বীকারোক্তি, ম্যাচটি কঠিন হবে, তবে ‘বিশ্বাস রাখতে হবে, কারণ ফুটবলে সবই সম্ভব।’
আর যদি শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনার কাছে হারতে হয়? প্রেসিডেন্ট নেভেসের কাছে তাতেও কোনো আক্ষেপ নেই।
‘ফল যা-ই হোক, আমরা মাথা উঁচু করেই বিশ্বকাপ ছাড়ব। কারণ আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করেছি,’— বলেন কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্ট।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
১ দিন আগে
৬ মিনিটের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্রাজিলকে জয়সূচক গোল এনে দিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি। জাপানের রক্ষণদুর্গ ভেঙে ২-১ গোলের জয় নিয়ে হেক্সা মিশনে ব্রাজিল উঠল শেষ ষোলোতে।
১ দিন আগে
নকআউট মিশনেও নেইমারকে ছাড়াই মাঠে নেমছে ব্রাজিল। কার্লোস আনিচেলত্তির দল বলের দখল আর আক্রমণের ধারা অব্যাহত রেখেছিল। কিন্তু প্রথমার্ধেই গোল করে এগিয়ে গেছে এশিয়ার পরাশক্তি জাপান।
১ দিন আগে
দলকে ঘিরে সমালোচনা কিংবা প্রশংসা—কোনোটিকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘অন্যরা কী বলছেন, সেটার পুনরাবৃত্তি আমরা করছি না। আমরা পুরোপুরি ম্যাচ, প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা এবং কীভাবে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সমস্যাগুলো এড়ানো যায়—সেদিকেই মনোযোগ দিচ্ছি।
২ দিন আগে