ইরানের দেয়াল ভাঙতে পারেনি বেলজিয়াম, দ্বিতীয় ম্যাচও ড্র

ক্রীড়া ডেস্ক
আপডেট : ২২ জুন ২০২৬, ০৮: ২৮
গোলরক্ষকের অসাধারণ দৃঢ়তায় বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র করেছে ইরান। ছবি: সংগৃহীত

কাগজে-কলমে যেমন শক্তিশালী, মাঠেও বেলজিয়াম খেলল তেমনই। ইরানের ৩২ শতাংশের বিপরীতে বল দখল রাখল ৬৮ শতাংশ সময়। গোলের জন্য শট ২২টি, যার মধ্যে লক্ষ্যে থাকল অন্তত ৭টি। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দের পাশাপাশি রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পায়নি বেলজিয়াম।

এদিকে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে উলটো ইরানি খেলোয়াড়কে ঠেকাতে গিয়ে লাল কার্ড খেয়ে বসেন এনগয়। ফলে শেষ ২৩ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বেলজিয়ামকে। এ সময় ইরান কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেনি। ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়েছে।

জি গ্রুপে দুই দলই দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নেমেছিল একটি করে ড্র নিয়ে। আরও একবার শিরোপার আশায় বিশ্বকাপে আসা বেলজিয়ামের জন্য জয়ের বিকল্প ছিল না। যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানও কাউকে ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে আসেনি বিশ্বকাপে। নিজ নিজ কৌশলে দুই দলই দ্বিতীয় এ ম্যাচে উজাড় করে দিয়েছে নিজেদের।

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ম্যাচ জুড়েই আধিপত্য ছিল বেলজিয়ামের। কিন্তু ম্যাচের নায়ক ছিলেন ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা। দুর্দান্ত সাতটি সেভ করে তিনি একাই বেলজিয়ামের আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাক্সিম ডি কুইপারের শটটি যেভাবে তিনি অবিশ্বাস্য রিফ্লেক্সে ফিরিয়েছেন, তা বিশ্বকাপের সেরা সেভের দাবিদার হয়ে উঠেছে।

টানা আক্রমণ চালিয়ে যেতে না পারলেও বারবার লং পাস ও সেটপিস থেকে চাপ তৈরি করছিলেন ইরানের খেলোয়াড়রা। ২৫তম মিনিটে এহসান হাজিসাফির চমৎকার রিভার্স পাস থেকে মেহদি তারেমি বল জালেও পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। ভিএআর পরীক্ষার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। এরপরও বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে সামাল দিতে হয়েছে একাধিক শক্তিশালী আক্রমণ।

এর মধ্যেই ৬৭তম মিনিটে বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার এনগয়ের অসতর্কতায় বল পেয়ে যান তারেমি। তিনি এগিয়ে যেতে থাকলে তাকে ফাউল করেন এনগয়। রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। ফলে শেষ সময়টুকু ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় বেলজিয়ামকে।

এই ড্রয়ের ফলে ইরান টানা দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট সংগ্রহ করে গ্রুপ জি-এর শীর্ষে উঠে এসেছে। বেলজিয়াম রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। দুই দলেরই সংগ্রহ এখন ২ পয়েন্ট।

Ad
Ad
ad
ad
ad

খেলা থেকে আরও পড়ুন

ডারউইনে অবিশ্বাস্য বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়াকে নাস্তানাবুদ করে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

২ দিন আগে

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশের টার্গেট ৫৭

শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।

২ দিন আগে

ডারউইনে তৃতীয় দিন শেষে জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।

৩ দিন আগে

বাংলাদেশের রানের পাহাড়, অস্ট্রেলিয়াকে ২২৮ রানের লিড

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

৩ দিন আগে