রুমের রেকর্ড গড়া দৃঢ়তায় ইকুয়েডরকে আটকে দিলো কুরাসাও

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে ১৫টি সেভ করেন ৩৭ বছর বয়সী রুম। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপে নিজেদের অভিষেক ম্যাচে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল কুরাসাও। সেই দলই এবার রুখে দিল দক্ষিণ আমেরিকার শক্তিশালী ইকুয়েডরকে। গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে ক্যারিবীয় দ্বীপদেশটির সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন গোলরক্ষক এলয় রুম, যিনি একাই গড়েছেন বিশ্বকাপের নতুন রেকর্ড।

কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে ১৫টি সেভ করেন ৩৭ বছর বয়সী রুম। অতিরিক্ত সময় ছাড়া বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত বেশি সেভের নজির এর আগে ছিল না।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে হারিয়ে আসা ইকুয়েডর এবারের আসর শুরু করেছিল আইভরি কোস্টের কাছে ১-০ গোলে হেরে। দ্বিতীয় ম্যাচে জয় তুলে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও কুরাসাওয়ের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের সামনে বারবার ব্যর্থ হয় তারা।

বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের ৩০ নম্বরে থাকা ইকুয়েডরের বিপক্ষে এক পয়েন্ট অর্জন কুরাসাওয়ের জন্য ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকল। ম্যাচ শেষে তাই ড্রয়ের ফলও উদযাপন করেছে দলটি, যেন জয় পেয়েছে। অন্যদিকে ইকুয়েডরের খেলোয়াড়দের মুখে ছিল হতাশার ছাপ।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড থেকে মাত্র এক ধাপ দূরে থেমেছেন রুম। সেই রেকর্ডটি এখনও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের দখলে। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে তিনি ১৬টি সেভ করেছিলেন।

তবে এই ড্রয়ে কোনো দলেরই বিদায় নিশ্চিত হয়নি। নকআউট পর্বে ওঠার আশা এখনও বেঁচে আছে দুই দলেরই। যদিও প্রথম ম্যাচে জার্মানির বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারায় গোল ব্যবধানে পিছিয়ে রয়েছে কুরাসাও।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। প্রথম মিনিটে অধিনায়ক এনার ভালেন্সিয়া গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। এরপর পুরো ম্যাচজুড়ে ভালেন্সিয়া ও মইসেস কাইসেদোদের সামনে বারবার দেয়াল হয়ে দাঁড়ান রুম।

অন্যদিকে কুরাসাওও কয়েকটি আক্রমণ গড়েছিল। তবে শেষ তৃতীয়াংশে গিয়ে ভুল পাস ও লক্ষ্যভ্রষ্ট শটের কারণে সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি, আর ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেন কুরাসাও গোলরক্ষক এলয় রুম।

রাজনীতি/আরআইআর

Ad
Ad
ad
ad
ad

খেলা থেকে আরও পড়ুন

ডারউইনে অবিশ্বাস্য বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়াকে নাস্তানাবুদ করে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

২ দিন আগে

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে বাংলাদেশের টার্গেট ৫৭

শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।

২ দিন আগে

ডারউইনে তৃতীয় দিন শেষে জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।

৩ দিন আগে

বাংলাদেশের রানের পাহাড়, অস্ট্রেলিয়াকে ২২৮ রানের লিড

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

৩ দিন আগে