
ক্রীড়া প্রতিবেদক

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা ভুলে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ৯৯ দিন পর ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক মাঠে ফেরাটা মনে রাখার মতোই হলো। বিশেষ করে নতুন পেস সেনসেশন নাহিদ রানার গতির ঝড় রীতিমতো উড়িয়ে দিলো পাকিস্তানি ব্যাটারদের। ১১৪ রানেই অলাউট হয়ে গেছে সফরকারীরা। আধুনিক ক্রিকেট বিবেচনায় ১১৫ রানের ‘মামুলি’ লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে টাইগার ব্যাটাররা।
বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরে মিরপুরে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান টাইগার ক্যাপ্টেন মেহেদি হাসান মিরাজ। প্রথম ৯ ওভার সফরকারী দলের দুই ওপেনার সাহেবজাদা ফারহাদ আর মাজ সাদাকাত দেখেশুনেই খেলেছেন। দশম ওভারে নাহিদ রানা বোলিংয়ে এসেই সব হিসাব পালটে দিয়েছেন।
নাহিদ গতির ঝড়ে ব্যক্তিগত প্রথম ও দলীয় দশম ওভারের শেষ বলে প্যাভিলিয়নে ফেরান ফারহানকে। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইনিংসের ১৮তম ওভার পর্যন্ত নিজের টানা পাঁচ ওভারে পাকিস্তানের প্রথম পাঁচ ব্যাটারকেই তুলে নেন, যার মধ্যে নিখুঁত লাইন-লেন্থে বল করে দুজনকে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন উইকেটের পেছনে।
নাহিদের গতির তোপে বিনা উইকেটে ৪১ থেকে ৫ উইকেটে ৬৯-এ পরিণত হয় পাকিস্তান। ফারহানের পর একে একে নাহিদের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মাজ সাদাকাত, শামিল হুসেইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা।
এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা। নাহিদের গতির পর মিরাজের ঘূর্ণির মুখেও দিশেহারা হয়ে পড়েন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। ১৯তম ওভারে মিরাজের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন আবদুল সামাদ। ২৩তম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে মিরাজ এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন হুসেইন তালাত ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে। ৮১ রানেই অষ্টম উইকেটের পতন ঘটে পাকিস্তানের।
এরপরও যে পাকিস্তানের সংগ্রহ শতকের ঘর পেরিয়েছে, তার পুরো কৃতিত্ব ফাহিম আশরাফের। আটে নামা ফাহিম ৪৭ বলে ৩৭ রান করে আউট হন শেষ ব্যাটার হিসেবে, মোস্তাফিজুর রহমানকে তুলে মারতে গিয়ে। এর আগে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তাসকিন।
শেষ পযন্ত ৩০ ওভার ৪ বলে ১১৪ রানে থেমেছে পাকিস্তানের ইনিংস। ৩৭ রান নিয়ে ফাহিমই ইনিংসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন ওপেনার ফারহান, ১৮ রান করেছেন আরেক ওপেনার সাদাকাত। এর বাইরে কেবল মোহাম্মদ রিজওয়ান দুই অঙ্ক (১০) স্পর্শ করতে পেরেছেন।
নাহিদ রানা ৭ ওভার বল করে ২৪ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এটিই তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এ ছাড়া ২৯ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তানের এ সংগ্রহ যে ‘মামুলি’, তা ব্যাটিংয়ে নেমে প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছেন বাংলাদেশি ব্যাটাররা। ৮ ওভার শেষেই বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭১ রান। ম্যাচ জিততে ৪২ ওভার থেকে লাগবে আর ৪৪ রান।

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা ভুলে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ৯৯ দিন পর ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক মাঠে ফেরাটা মনে রাখার মতোই হলো। বিশেষ করে নতুন পেস সেনসেশন নাহিদ রানার গতির ঝড় রীতিমতো উড়িয়ে দিলো পাকিস্তানি ব্যাটারদের। ১১৪ রানেই অলাউট হয়ে গেছে সফরকারীরা। আধুনিক ক্রিকেট বিবেচনায় ১১৫ রানের ‘মামুলি’ লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে টাইগার ব্যাটাররা।
বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুরে মিরপুরে টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠান টাইগার ক্যাপ্টেন মেহেদি হাসান মিরাজ। প্রথম ৯ ওভার সফরকারী দলের দুই ওপেনার সাহেবজাদা ফারহাদ আর মাজ সাদাকাত দেখেশুনেই খেলেছেন। দশম ওভারে নাহিদ রানা বোলিংয়ে এসেই সব হিসাব পালটে দিয়েছেন।
নাহিদ গতির ঝড়ে ব্যক্তিগত প্রথম ও দলীয় দশম ওভারের শেষ বলে প্যাভিলিয়নে ফেরান ফারহানকে। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ইনিংসের ১৮তম ওভার পর্যন্ত নিজের টানা পাঁচ ওভারে পাকিস্তানের প্রথম পাঁচ ব্যাটারকেই তুলে নেন, যার মধ্যে নিখুঁত লাইন-লেন্থে বল করে দুজনকে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন উইকেটের পেছনে।
নাহিদের গতির তোপে বিনা উইকেটে ৪১ থেকে ৫ উইকেটে ৬৯-এ পরিণত হয় পাকিস্তান। ফারহানের পর একে একে নাহিদের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মাজ সাদাকাত, শামিল হুসেইন, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আগা।
এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা। নাহিদের গতির পর মিরাজের ঘূর্ণির মুখেও দিশেহারা হয়ে পড়েন পাকিস্তানি ব্যাটাররা। ১৯তম ওভারে মিরাজের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন আবদুল সামাদ। ২৩তম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে মিরাজ এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন হুসেইন তালাত ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে। ৮১ রানেই অষ্টম উইকেটের পতন ঘটে পাকিস্তানের।
এরপরও যে পাকিস্তানের সংগ্রহ শতকের ঘর পেরিয়েছে, তার পুরো কৃতিত্ব ফাহিম আশরাফের। আটে নামা ফাহিম ৪৭ বলে ৩৭ রান করে আউট হন শেষ ব্যাটার হিসেবে, মোস্তাফিজুর রহমানকে তুলে মারতে গিয়ে। এর আগে মোহাম্মদ ওয়াসিমকে স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তাসকিন।
শেষ পযন্ত ৩০ ওভার ৪ বলে ১১৪ রানে থেমেছে পাকিস্তানের ইনিংস। ৩৭ রান নিয়ে ফাহিমই ইনিংসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৭ রান করেছেন ওপেনার ফারহান, ১৮ রান করেছেন আরেক ওপেনার সাদাকাত। এর বাইরে কেবল মোহাম্মদ রিজওয়ান দুই অঙ্ক (১০) স্পর্শ করতে পেরেছেন।
নাহিদ রানা ৭ ওভার বল করে ২৪ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এটিই তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। এ ছাড়া ২৯ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন মিরাজ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তানের এ সংগ্রহ যে ‘মামুলি’, তা ব্যাটিংয়ে নেমে প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছেন বাংলাদেশি ব্যাটাররা। ৮ ওভার শেষেই বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৭১ রান। ম্যাচ জিততে ৪২ ওভার থেকে লাগবে আর ৪৪ রান।

টানটান উত্তেজনার এই ম্যাচে জোড়া গোল করে জয়ের নায়ক বনে গেছেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। ইতালির প্রবাসী বাঙালিদের করতালিতে মুখরিত সান মারিনোর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ যেন এক টুকরো 'হোম গ্রাউন্ড'-এর আমেজ খুঁজে পেয়েছিল, আর সেই আবহকে স্মরণীয় করে রাখলেন হামজা-মোরসালিনরা।
২০ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার বিটিভি জানিয়েছে, বিটিভি, সময় টিভি ও টি-স্পোর্টসের একটি কনসোর্টিয়াম ফিফার কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছে। তার ফলেই টিভিতে বিশ্বকাপ দেখার সুযোগ উন্মুক্ত হলো দেশের দর্শকদের জন্য।
২ দিন আগে
এটি সাফের অষ্টম আসর। এর আগের সাত আসরের মধ্যে প্রথম পাঁচটিই জিতেছে ভারত। আর শেষ দুটি আসরের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। এই দুবারের আগে কেবল ২০১৬ সালে ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশের মেয়রা। তবে সেবার ভারতের কাছে ৩-১ গোলে হেরে রানার-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
৩ দিন আগে
বাংলাদেশে বসে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল দেখা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল শুরু থেকেই। টেলিভিশনের পর্দায় সে খেলা দেখার অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। তবে ডিজিটাল মাধ্যম তথা ওটিটিতে দেশে বসেই খেলা দেখার নিশ্চয়তা মিলেছে।
৩ দিন আগে