
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি সত্ত্বেও এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শেষ ম্যাচেও হার এড়াতে পারল না শ্রীলংকা। সুপার ওভারে নাটকীয়ভাবে লংকানদের হারাল ভারত।
প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রান করে। জবাবে শ্রীলংকাও ঠিক ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রান করে ম্যাচটি টাই করে।
এরপর সুপার ওভারে শ্রীলংকা ২ রান তোলে। জবাবে ভারত প্রথম বলেই ৩ রান নিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছায়।
এ জয়ে সুপার ফোরে ৩ ম্যাচের সবগুলোতে জিতে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে ফাইনাল খেলতে নামবে ভারত। অন্যদিকে, সুপার ফোরে সবগুলো ম্যাচই হারল শ্রীলংকা। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে ফাইনাল খেলবে পাকিস্তান। ৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে এশিয়া কাপ শেষ করে বাংলাদেশ।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান।
দুবাইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার শুভমান গিলকে (৪ রান) হারালেও অভিষেক শর্মা ঝড়ে পাওয়ার প্লেতে ৭১ রান তোলে ভারত। এ সময় ২২ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের পঞ্চম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন অভিষেক। চলতি আসরে এ নিয়ে টানা তৃতীয় অর্ধশতক করলেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।
নবম ওভারে শ্রীলংকা অধিনায়ক ও স্পিনার চারিথ আসালঙ্কার বলে আউট হওয়ার আগে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩১ বলে ৬১ রান করেন অভিষেক।
দ্বিতীয় উইকেটে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে ৩৩ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়েন অভিষেক। জুটিতে ১৩ বলে ১২ রান অবদান রাখেন সূর্য।
দলীয় ৯২ রানের মধ্যে সূর্য ও অভিষেক ফেরার পর ভারতের রানের চাকা সচল রাখেন তিলক ভার্মা ও সঞ্জু স্যামসন। তাদের ৪২ বলে ৬৬ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের পথ পায় ভারত। ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ২৩ বলে ৩৯ রান করে আউট হন স্যামসন।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে অক্ষর প্যাটেলকে নিয়ে ২৩ বলে ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভারতকে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন তিলক। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় তিলক ৩৪ বলে ৪৯ এবং ১টি করে চার-ছক্কায় প্যাটেল ১৫ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। শ্রীলংকার পাঁচ বোলার ১টি করে উইকেট নেন।
জবাবে ইনিংসের চতুর্থ বলে ওপেনার কুশল মেন্ডিসকে হারায় শ্রীলংকা। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ বলে ১২৭ রানের জুটি গড়েন নিশাঙ্কা ও কুশল পেরেরা। ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩২ বলে ৫৮ রানে থামেন পেরেরা।
পেরোর পর আসালঙ্কা ৫ ও কামিন্দু মেন্ডিস ৩ রানে আউট হলেও অন্যপ্রান্তে ৫২ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন নিশাঙ্কা। তার সেঞ্চুরিতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রান দরকার পড়ে লংকানদের। ওভারের প্রথম বলে নিশাঙ্কা ফেরার পরের পাঁচ বল থেকে ১১ রান তুলে ম্যাচ টাই করে শ্রীলংকা। এতে ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে। ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৫৮ বলে ১০৭ রান করেন নিশাঙ্কা।
সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে ২ উইকেটে ২ রান করে শ্রীলংকা। ৩ রানের টার্গেট প্রথম ডেলিভারিতেই স্পর্শ করে ভারত।

ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি সত্ত্বেও এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শেষ ম্যাচেও হার এড়াতে পারল না শ্রীলংকা। সুপার ওভারে নাটকীয়ভাবে লংকানদের হারাল ভারত।
প্রথমে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রান করে। জবাবে শ্রীলংকাও ঠিক ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রান করে ম্যাচটি টাই করে।
এরপর সুপার ওভারে শ্রীলংকা ২ রান তোলে। জবাবে ভারত প্রথম বলেই ৩ রান নিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছায়।
এ জয়ে সুপার ফোরে ৩ ম্যাচের সবগুলোতে জিতে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে ফাইনাল খেলতে নামবে ভারত। অন্যদিকে, সুপার ফোরে সবগুলো ম্যাচই হারল শ্রীলংকা। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে ফাইনাল খেলবে পাকিস্তান। ৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থেকে এশিয়া কাপ শেষ করে বাংলাদেশ।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর দুবাইয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান।
দুবাইয়ে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারে ওপেনার শুভমান গিলকে (৪ রান) হারালেও অভিষেক শর্মা ঝড়ে পাওয়ার প্লেতে ৭১ রান তোলে ভারত। এ সময় ২২ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের পঞ্চম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন অভিষেক। চলতি আসরে এ নিয়ে টানা তৃতীয় অর্ধশতক করলেন এই বাঁ-হাতি ব্যাটার।
নবম ওভারে শ্রীলংকা অধিনায়ক ও স্পিনার চারিথ আসালঙ্কার বলে আউট হওয়ার আগে ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩১ বলে ৬১ রান করেন অভিষেক।
দ্বিতীয় উইকেটে ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে ৩৩ বলে ৫৯ রানের জুটি গড়েন অভিষেক। জুটিতে ১৩ বলে ১২ রান অবদান রাখেন সূর্য।
দলীয় ৯২ রানের মধ্যে সূর্য ও অভিষেক ফেরার পর ভারতের রানের চাকা সচল রাখেন তিলক ভার্মা ও সঞ্জু স্যামসন। তাদের ৪২ বলে ৬৬ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের পথ পায় ভারত। ১টি চার ও ৩টি ছক্কায় ২৩ বলে ৩৯ রান করে আউট হন স্যামসন।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে অক্ষর প্যাটেলকে নিয়ে ২৩ বলে ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ভারতকে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২০২ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন তিলক। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় তিলক ৩৪ বলে ৪৯ এবং ১টি করে চার-ছক্কায় প্যাটেল ১৫ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন। শ্রীলংকার পাঁচ বোলার ১টি করে উইকেট নেন।
জবাবে ইনিংসের চতুর্থ বলে ওপেনার কুশল মেন্ডিসকে হারায় শ্রীলংকা। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৭০ বলে ১২৭ রানের জুটি গড়েন নিশাঙ্কা ও কুশল পেরেরা। ৮টি চার ও ১টি ছক্কায় ৩২ বলে ৫৮ রানে থামেন পেরেরা।
পেরোর পর আসালঙ্কা ৫ ও কামিন্দু মেন্ডিস ৩ রানে আউট হলেও অন্যপ্রান্তে ৫২ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন নিশাঙ্কা। তার সেঞ্চুরিতে শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রান দরকার পড়ে লংকানদের। ওভারের প্রথম বলে নিশাঙ্কা ফেরার পরের পাঁচ বল থেকে ১১ রান তুলে ম্যাচ টাই করে শ্রীলংকা। এতে ম্যাচটি গড়ায় সুপার ওভারে। ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৫৮ বলে ১০৭ রান করেন নিশাঙ্কা।
সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে ২ উইকেটে ২ রান করে শ্রীলংকা। ৩ রানের টার্গেট প্রথম ডেলিভারিতেই স্পর্শ করে ভারত।

পাওয়ারপ্লের আগেই তারা ৫২ রান তুলে জয়ের ভিত গড়ে ফেলে। অধিনায়ক মিচেল মার্শ মাত্র ২৮ বলে ৭ চার ও ৪ ছক্কায় ৬০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন। জস ইংলিস, কুপার কনোলি ও মার্শকে ফিরিয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি। টিম ডেভিড মাত্র ৩ বল খেলেই দুটি ছক্কা হাঁ
১৭ ঘণ্টা আগে
কুরাসাওয়ের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বদলি নেমে এক গোল ও দুই গোলে সহায়তা করেছিলেন উন্দাভ। এবার পুরো তিন পয়েন্ট এনে দিয়ে জার্মানির নায়ক হয়ে উঠলেন ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
২১ ঘণ্টা আগে
কানসাস সিটিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ইকুয়েডরের একের পর এক আক্রমণ প্রতিহত করে ১৫টি সেভ করেন ৩৭ বছর বয়সী রুম। অতিরিক্ত সময় ছাড়া বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে এত বেশি সেভের নজির এর আগে ছিল না।
২১ ঘণ্টা আগে
ঐতিহাসিক এই ম্যাচটি দেখার মাধ্যমে উপস্থিত ও টেলিভিশন পর্দার ফুটবলপ্রেমীরা একবিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা এক ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন। ১৯৩০ সালে মেক্সিকো-ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্র-বেলজিয়াম ম্যাচ দিয়ে যে বিশ্বকাপের যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ স্পর্শ করল ১০০০ ম্যাচের মাইলফলক। প্রথম বিশ্বকাপ মাত্র ১৩ দল নিয়ে শ
১ দিন আগে