
ক্রীড়া ডেস্ক

টেস্ট আর ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের রানখরা অব্যাহত রয়েছে। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ালেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি সিরিজও শুরু হলো হার দিয়ে। জিম্বাবুয়ের তোলা ৬ উইকেটে ১৭০ রানের জবাবে বাংলাদেশ থেমেছে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে। দল হেরেছে ৩২ রানে।
বুধবার (১৫ জুলাই) জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় টসে জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। বাংলাদেশি বোলারদের তাসকিন আহমেদ আর নাহিদ রানা বাদে আর কেউ খুব ভালো বল করতে না পারলে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না বাংলাদেশি ব্যাটাররা। ৩ ওভার ৩ বলে ২৫ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ৩০ আর ৩৪ রানের মাথায় আরও দুই উইকেটের পতন। চতুর্থ আর পঞ্চম উইকেটের পতন আবার ৭৩ আর ৭৮ রানে।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ইয়াসির আলী আর শেখ মেহেদি হাসান ৩৭ বলে ৫২ রান করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। সে জুটি ভাঙতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। ৮ রানের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮ বলে ৫৪ রান করেন ইয়াসির আলী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে শেখ মেহেদির ব্যাট থেকে। ৮ বলে ১৬ রান করেন ওপেনার তানজিদ তামিম, ১৩ বলে ১৪ রান করেন অধিনায়ক হৃদয়, আরেক ওপেনার সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে ১২ রান। বাকি ৬ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি আর রিচার্ড এনগারাভা। প্রথমজন ৪ ওভারে রান দেন মাত্র ১৭, দ্বিতীয়জন ২৬। এ ছাড়া একটি উইকেট নিয়েছেন মিল্টন শুমবা। উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান রানআউট হয়েছেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি। ২১ বলে ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তারা। মারুমানি ৯ বলে ১৪ রান করেন। চতুর্থ ওভারে নাহিদ রানার বলে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স ৩২ বলে ৩৮ রানের জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন। মায়ার্স ২০ বলে ২০ রান করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হন। অন্যদিকে বেনেট ৩০ বলে ৪৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এক ছক্কা ও ছয় চারে সাজানো তার ইনিংসের ইতি টানেন নাহিদ রানা।
অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে ২০ রান করে দলের রান বাড়ান। সাইফউদ্দিনের স্লোয়ার বলে তাওহীদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। এরপর রায়ান বার্ল ২৫ বলে অপরাজিত ৩০ আর ব্র্যাড ইভান্স ১০ বলে ১৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। দুজনে মাত্র ১৫ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন। নাহিদ রানার শেষ ওভার থেকে ১৮ রান নিয়ে তারা জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৭০-এ পৌঁছে দেন।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার নাহিদ রানা। চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এই গতিময় পেসার। ইনিংসের শেষ স্পেলে টানা দুই বলে মিল্টন শুম্বা (১১) ও তাশিঙ্গা মুসেকিয়ার উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন তিনি। তবে পরের বলে চার মেরে সেই সম্ভাবনা নষ্ট করেন ব্র্যাড ইভান্স। ৩ ওভার পর্যন্ত তার বোলিং ফিগার ছিল ৮ রানে ৪ উইকেট। শেষ ওভারে দুই জিম্বাবুইয়ান ব্যাটারের তোপে ১৮ রান হজম করতে হয় তাকে।
এর বাইরে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। তাসকিন আহমেদ কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের বেঁধে রেখেছিলেন। এর বাইরে নাসুম আহমেদের ৩ ওভারে আসে ৩২ রান, শেখ মেহেদির ৪ ওভারে ৪১। সাইফ করেছিলেন এক ওভার, ১০ রান দেন তিনি।
দারুণ বোলিং করে ম্যাচসেরা হয়েছেন জিম্বাবুয়ের রিচার্ড এনগারাভা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি একই ভেন্যুতে হবে আগামী শুক্রবার।

টেস্ট আর ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশি ব্যাটারদের রানখরা অব্যাহত রয়েছে। তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ালেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় টি-টোয়েন্টি সিরিজও শুরু হলো হার দিয়ে। জিম্বাবুয়ের তোলা ৬ উইকেটে ১৭০ রানের জবাবে বাংলাদেশ থেমেছে ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে। দল হেরেছে ৩২ রানে।
বুধবার (১৫ জুলাই) জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় টসে জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠান। বাংলাদেশি বোলারদের তাসকিন আহমেদ আর নাহিদ রানা বাদে আর কেউ খুব ভালো বল করতে না পারলে জিম্বাবুয়ে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই স্বাচ্ছন্দ্য ছিলেন না বাংলাদেশি ব্যাটাররা। ৩ ওভার ৩ বলে ২৫ রানে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ৩০ আর ৩৪ রানের মাথায় আরও দুই উইকেটের পতন। চতুর্থ আর পঞ্চম উইকেটের পতন আবার ৭৩ আর ৭৮ রানে।
এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ইয়াসির আলী আর শেখ মেহেদি হাসান ৩৭ বলে ৫২ রান করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। সে জুটি ভাঙতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ইনিংস। ৮ রানের মধ্যে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮ বলে ৫৪ রান করেন ইয়াসির আলী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে শেখ মেহেদির ব্যাট থেকে। ৮ বলে ১৬ রান করেন ওপেনার তানজিদ তামিম, ১৩ বলে ১৪ রান করেন অধিনায়ক হৃদয়, আরেক ওপেনার সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে আসে ১৫ বলে ১২ রান। বাকি ৬ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।
জিম্বাবুয়ের পক্ষে ৪টি করে উইকেট নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি আর রিচার্ড এনগারাভা। প্রথমজন ৪ ওভারে রান দেন মাত্র ১৭, দ্বিতীয়জন ২৬। এ ছাড়া একটি উইকেট নিয়েছেন মিল্টন শুমবা। উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান রানআউট হয়েছেন।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি। ২১ বলে ৩৭ রানের উদ্বোধনী জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তারা। মারুমানি ৯ বলে ১৪ রান করেন। চতুর্থ ওভারে নাহিদ রানার বলে সাইফ হাসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।
এরপর ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স ৩২ বলে ৩৮ রানের জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন। মায়ার্স ২০ বলে ২০ রান করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের শিকার হন। অন্যদিকে বেনেট ৩০ বলে ৪৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এক ছক্কা ও ছয় চারে সাজানো তার ইনিংসের ইতি টানেন নাহিদ রানা।
অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ১৩ বলে ২০ রান করে দলের রান বাড়ান। সাইফউদ্দিনের স্লোয়ার বলে তাওহীদ হৃদয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। এরপর রায়ান বার্ল ২৫ বলে অপরাজিত ৩০ আর ব্র্যাড ইভান্স ১০ বলে ১৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। দুজনে মাত্র ১৫ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন। নাহিদ রানার শেষ ওভার থেকে ১৮ রান নিয়ে তারা জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৭০-এ পৌঁছে দেন।
বাংলাদেশের পক্ষে সবচেয়ে সফল বোলার নাহিদ রানা। চার ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন এই গতিময় পেসার। ইনিংসের শেষ স্পেলে টানা দুই বলে মিল্টন শুম্বা (১১) ও তাশিঙ্গা মুসেকিয়ার উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন তিনি। তবে পরের বলে চার মেরে সেই সম্ভাবনা নষ্ট করেন ব্র্যাড ইভান্স। ৩ ওভার পর্যন্ত তার বোলিং ফিগার ছিল ৮ রানে ৪ উইকেট। শেষ ওভারে দুই জিম্বাবুইয়ান ব্যাটারের তোপে ১৮ রান হজম করতে হয় তাকে।
এর বাইরে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন। তাসকিন আহমেদ কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের বেঁধে রেখেছিলেন। এর বাইরে নাসুম আহমেদের ৩ ওভারে আসে ৩২ রান, শেখ মেহেদির ৪ ওভারে ৪১। সাইফ করেছিলেন এক ওভার, ১০ রান দেন তিনি।
দারুণ বোলিং করে ম্যাচসেরা হয়েছেন জিম্বাবুয়ের রিচার্ড এনগারাভা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি একই ভেন্যুতে হবে আগামী শুক্রবার।

বুধবার বুলাওয়েতে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। চোট কাটিয়ে উঠতে না পারায় এই ম্যাচে খেলছেন না নিয়মিত টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস। উইকেটকিপারের দায়িত্ব পালন করছেন নুরুল হাসান সোহান।
১০ ঘণ্টা আগে
একদিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে বহু প্রতীক্ষিত শিরোপার স্বপ্ন। একদিকে মেসির শেষ বিশ্বকাপ অভিযানের আবেগ। অন্যদিকে কেইন-বেলিংহামদের নতুন ইতিহাস লেখার আকাঙ্ক্ষা।
১৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ শেষে তিনি জানান, সুযোগ হলে ফাইনালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে চান। তবে এর পেছনে ফুটবলীয় কোনো হিসাব নয়, বরং রয়েছে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পর্ক।
১৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে ছিলেন এল সালভাদরের ইভান বার্টন। তার পেনাল্টির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে দেশম প্রশ্ন তুলেছেন, বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল পরিচালনার মতো মান আদৌ রেফারির ছিল কি না। তবে একই সঙ্গে স্পেনের শ্রেষ্ঠত্ব স্বীকার করে হারের দায়ও নিজেদের কাঁধেই নিয়েছেন অভিজ্ঞ এই ফরাসি কোচ।
১৫ ঘণ্টা আগে