
ক্রীড়া ডেস্ক

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ গোলে শেষ হলো সমতায়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দলই জালের দেখা পেল না। শেষ পর্যন্ত খেলার ফল নির্ধারণ করতে হলো টাইব্রেকার। সেখানে অস্ট্রেলিয়াকে স্নায়ুর লড়াইয়ে হারিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিলো মোহাম্মদ সালাহর মিসর। সে ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে হবে তাদের।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাতে নকআউট পর্বে রাউন্ড অব ৩২-এর ১৪তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মিসর ও অস্ট্রেলিয়া। এ ম্যাচে জয়ের মাধ্যমে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোনো নকআউট ম্যাচ জিতল মিসর।
ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মিসর এগিয়ে যায় মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায়। ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন সালাহ। সেখান থেকে বল পেয়ে প্রথম শট নেন ইমান আশুর। সেটি ব্লক হলেও বল আবার পেয়ে করিম হাফেজ দারুণ এক ক্রস তোলেন। সেই ক্রসে হেড করলে তা জালে জড়িয়ে যায়। চলতি বিশ্বকাপে এটি আশুরের দ্বিতীয় গোল। তার আগে কেবল আবদেলরহমান ফাওজি (১৯৩৪) আর সালাহ বিশ্বকাপের এক আসরে মিসরের পক্ষে একাধিক গোল পেয়েছেন।
গোল হজম করে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা। বলের দখল রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ করেছে মিসরই। তবে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতি থেকে ফিরে আর লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৫৫তম মিরিটে এইডেন ও’নিল বাঁ দিক থেকে ফ্রি-কিক নিলে সেটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মোহাম্মদ হানি। এ বিশ্বকাপে এর আগেও তিনি একটি আত্মঘাতী গোল করেছেন।
ম্যাচ সমতায় আসার পর মিসর যেন গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। কিন্তু সুস্পষ্ট সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা, মেলেনি গোলের দেখাও। ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে রামি রাবিয়ার হেড চলে যাচ্ছিল জালের দিকে। সেটি অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। ১-১ গোলে শেষ হয় ৯০ মিনিটের খেলা।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই মোহাম্মদ সালাহ পেয়েছিলেন গোলের সুযোগ। মারমুশের পাস থেকে ভলি করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই শট লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ১২০ মিনিটের খেলাও শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতা ভাঙতে পারেনি।
এ পর্যায়ে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সুটারের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর জ্যাকসন আরভিন ও আওয়ার মাবিল গোল করেন। বিপরীতে সালাহসহ মিসরের প্রথম তিনজনই বল জালে জড়ান। চতুর্থ শটে লুকাস হ্যারিংটনের শট ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে এলে ৩-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। মিসরের পক্ষে চতুর্থ শটে আবদেল মাগিদ বল জালে জড়ালে ৪-২ ব্যবদানে জয় নিশ্চিত হয় মিসরের।
এ জয়ের মাধ্যমে প্রথমবার বিশ্বকাপের প্রথম কোনো নকআউট ম্যাচ জয়ের আনন্দে মেতেছে মিসর। এরপর রাউন্ড অব সিক্সটিনে তারা খেলবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে সে ম্যাচে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারাতে হবে তাদের।

নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা ১-১ গোলে শেষ হলো সমতায়। অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দলই জালের দেখা পেল না। শেষ পর্যন্ত খেলার ফল নির্ধারণ করতে হলো টাইব্রেকার। সেখানে অস্ট্রেলিয়াকে স্নায়ুর লড়াইয়ে হারিয়ে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিলো মোহাম্মদ সালাহর মিসর। সে ম্যাচে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হতে হবে তাদের।
বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাতে নকআউট পর্বে রাউন্ড অব ৩২-এর ১৪তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল মিসর ও অস্ট্রেলিয়া। এ ম্যাচে জয়ের মাধ্যমে প্রথমবার বিশ্বকাপের কোনো নকআউট ম্যাচ জিতল মিসর।
ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মিসর এগিয়ে যায় মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায়। ফ্রি-কিক নিয়েছিলেন সালাহ। সেখান থেকে বল পেয়ে প্রথম শট নেন ইমান আশুর। সেটি ব্লক হলেও বল আবার পেয়ে করিম হাফেজ দারুণ এক ক্রস তোলেন। সেই ক্রসে হেড করলে তা জালে জড়িয়ে যায়। চলতি বিশ্বকাপে এটি আশুরের দ্বিতীয় গোল। তার আগে কেবল আবদেলরহমান ফাওজি (১৯৩৪) আর সালাহ বিশ্বকাপের এক আসরে মিসরের পক্ষে একাধিক গোল পেয়েছেন।
গোল হজম করে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি তারা। বলের দখল রেখে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ করেছে মিসরই। তবে ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতি থেকে ফিরে আর লিড ধরে রাখতে পারেনি তারা। ৫৫তম মিরিটে এইডেন ও’নিল বাঁ দিক থেকে ফ্রি-কিক নিলে সেটি ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে দেন মোহাম্মদ হানি। এ বিশ্বকাপে এর আগেও তিনি একটি আত্মঘাতী গোল করেছেন।
ম্যাচ সমতায় আসার পর মিসর যেন গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে। কিন্তু সুস্পষ্ট সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তারা, মেলেনি গোলের দেখাও। ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে রামি রাবিয়ার হেড চলে যাচ্ছিল জালের দিকে। সেটি অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ। ১-১ গোলে শেষ হয় ৯০ মিনিটের খেলা।
অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই মোহাম্মদ সালাহ পেয়েছিলেন গোলের সুযোগ। মারমুশের পাস থেকে ভলি করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই শট লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। ১২০ মিনিটের খেলাও শেষ পর্যন্ত ১-১ সমতা ভাঙতে পারেনি।
এ পর্যায়ে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ার হ্যারি সুটারের শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর জ্যাকসন আরভিন ও আওয়ার মাবিল গোল করেন। বিপরীতে সালাহসহ মিসরের প্রথম তিনজনই বল জালে জড়ান। চতুর্থ শটে লুকাস হ্যারিংটনের শট ক্রসবারে আঘাত করে ফিরে এলে ৩-২ গোলে পিছিয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। মিসরের পক্ষে চতুর্থ শটে আবদেল মাগিদ বল জালে জড়ালে ৪-২ ব্যবদানে জয় নিশ্চিত হয় মিসরের।
এ জয়ের মাধ্যমে প্রথমবার বিশ্বকাপের প্রথম কোনো নকআউট ম্যাচ জয়ের আনন্দে মেতেছে মিসর। এরপর রাউন্ড অব সিক্সটিনে তারা খেলবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে হলে সে ম্যাচে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারাতে হবে তাদের।

ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। মানজাম্বির পাস থেকে গোল করে দলকে লিড এনে দেন স্ট্রাইকার ব্রিল এমবোলো। পিছিয়ে পড়ার পর আলজেরিয়া সমতায় ফেরার চেষ্টা করলেও প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।
১ দিন আগে
রিয়াল মাদ্রিদে দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলা রোনালদো ও মদরিচ এবার প্রতিপক্ষ হিসেবে মুখোমুখি হন। ম্যাচ শেষে সাবেক সতীর্থকে বিদায় জানিয়ে রোনালদো বলেন, “হ্যাঁ, আমি তাকে বিদায় বলেছি। সে ফুটবলের একজন কিংবদন্তি। এখনও তাই আছে।”
১ দিন আগে
ইউরো ২০২৪ জয়ের পর থেকেই বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছিল স্পেন। তবে ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপের নকআউটে কোনো জয় ছিল না তাদের।
১ দিন আগে
টরন্টোর মাঠে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোরে বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের ম্যাচে মাঠে নেমেছিল পর্তুগাল আর ক্রোয়েশিয়া। দুই দলের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শেষ পর্যন্ত ভিএআর হস্তক্ষেপে নির্ধারিত হয়েছে বিজয়ী, ২-১ গোলে জয় পেয়েছে পর্তুগাল।
১ দিন আগে