
ক্রীড়া ডেস্ক

৯ ব্যাটারের রান ১, ৭, ০, ৪, ৪, ২, ০, ৪, ৬। মোট ২৮। এই ৯ ব্যাটারের ব্যক্তিগত রানের তুলনায় বরং অতিরিক্ত থেকেই এসেছে বেশি রান— ৯! স্বাভাবিকভাবেই পারভেজ হোসেন ইমনের ২১ রান কিংবা এক পাশ থেকে ১৮তম ওভার পর্যন্ত লড়াই করে সাইফ হাসানের ৬৯ রানের ইনিংস কোনো কাজে আসেনি। ভারতের কাছে ৪১ রানের বড় ব্যবধানেই হেরেছে বাংলাদেশ।
এই জয়ের ফলে এশিয়া কাপের ফাইনালেও পৌঁছে গেছে ভারত। এখন বাংলাদেশ আর পাকিস্তানকে লড়াই করতে হবে ফাইনালের দ্বিতীয় দল হওয়ার জন্য। পরের ম্যাচে মুখোমুখি এ দুই দলের লড়াই তাই এশিয়া কাপের অঘোষিত সেমিফাইনালে পরিণত হলো।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সুপার ফোরে দুই দলেরই দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত। টসে জিতে বোলিং বেছে নেওয়ার পর ওপেনারদের ঝড়ের পরও ভারতকে ১৬৮ রানে বেঁধে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে আরও অনেক ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটারদের নিদারুণ ব্যর্থতায় বড় পরাজয় সঙ্গী হলো বাংলাদেশের।
১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার হন ওপেনার তানজিদ হাসান। ৩ বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ হোসেন ইমনকে সঙ্গী করে ৩০ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে কুলদীপ যাদবের বলে আউট হয়ে যান ইমন। ১৯ বলে ২১ রান করেছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসে এর পরের অংশ কেবল এক পাশ থেকে সাইফ হাসানের নিঃসঙ্গ শেরপার মতো লড়াইয়ের গল্প। একদিকে যেমন উইকেটে টিকে ছিলেন তিনি, অন্যদিকে ব্যাটও চালিয়ে গেছেন সপাটে। অন্য পাশ থেকে আর একজন ব্যাটারও তাকে ন্যূনতম সঙ্গ দিয়ে যেতে পারেননি।
১০ বলে ৭ করে আউট হয়েছেন শ্রীলংকা ম্যাচের দুর্দান্ত ব্যাটিং করা তাওহীদ হৃদয়। ৩ বল খেলে কোনো রান না করেই আউট শামীম হোসেন। ইনজুরির কারণে এ ম্যাচ না খেলা লিটন দাসের পরিবর্তে অধিনায়কত্বের আর্ম ব্যান্ড পরা জাকের আলী করেছেন ৫ বলে ৪ রান।
টুর্নামেন্টে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনও করেছেন ৪ রান, বল খেলেছেন ৭টি। ৩ বলে ২ রান করে আউট হয়েছেন রিশাদ হোসেন। তানজিম হাসান সাকিব বোল্ড হয়ে গেছেন প্রথম বলেই। শেষ ব্যাটার হিসেবে ১১ বলে ৬ রান করে আউট হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। নাসুম অপরাজিত ছিলেন ৪ বলে ৪ রান করে।
সব ব্যাটারের যাওয়া-আসার মিছিলে একমাত্র ব্যতিক্রম সাইফ হাসান। আস্কিং রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই রান সংগ্রহ করে যাচ্ছিলেন তিনি। ৩৬ বলে অর্ধশত রান পূরণ করেন তিনি। পরের দিকে অবশ্য অন্য ব্যাটারদের ‘আত্মাহুতি’র প্রভাবে তার রানের গতিও কিছুটা কমে গেছে। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে নবম ব্যাটার হিসেবে যখন আউট হয়ে যান তখন তার নামের পাশে ৫১ বলে ৬৯ রান। তিনটি বাউন্ডারির সঙ্গে তিনি হাঁকিয়েছেন পাঁচটি ছক্কা।
শেষ পর্যন্ত ২০তম ওভারের তৃতীয় বলে ১২৭ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। দল হেরেছে ৪১ রানে।
ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সফলতম কুলদীপ যাদব। সমান ওভারে সমান রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন বুমরাহ। বরুণ চক্রবর্তীও নিয়েছেন দুটি উইকেট, ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়েছেন তিনি। একটি করে উইকেট নিয়েছেন অক্ষর প্যাটেল ও তিলক ভার্মা।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনারের ঝোড়ো গতির সূচনায় বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে ভারত। পাওয়ারপ্লেতে আসে ৭২ রান। এরপর বাংলাদেশি বোলাররা কিছুটা চেপে ধরেন ভারতীয় ব্যাটারদের। প্রথম ১০ ওভারে ৯৬ তুলে ফেলা ভারত শেষ ১০ ওভারে তুলতে পারে মাত্র ৭২ রান। তাতে তাদের ইনিংস শেষ হয় ১৬৮ রানে।
ভারতের পক্ষে ওপেনার অভিষেক শর্মা ৩৭ বলে ২০০ প্লাস স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৭৫ রান। এ ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন। ১৯ বলে ২৯ করেছেন আরেক ওপেনার শুভমান গিল। শেষের দিকে ২৯ বলে ৩৮ করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। অক্ষর প্যাটেল ১০ রান করলেও তার জন্য ১৫ বল খেলতে হয় তার। শিভাব দুবে, সূর্যকুমার আর তিলক ভার্সা এক অঙ্কে আউট হয়েছেন।
৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বাংলাদেশি বোলার রিশাদ হোসেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ, তানজিম সাকিব ও সাইফুদ্দিন। তবে উইকেট না পেলেও ২ ওভারে ৭ রান দিয়ে ভারতের সংগ্রহ বেঁধে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন পার্টটাইমার সাইফ হাসান।

৯ ব্যাটারের রান ১, ৭, ০, ৪, ৪, ২, ০, ৪, ৬। মোট ২৮। এই ৯ ব্যাটারের ব্যক্তিগত রানের তুলনায় বরং অতিরিক্ত থেকেই এসেছে বেশি রান— ৯! স্বাভাবিকভাবেই পারভেজ হোসেন ইমনের ২১ রান কিংবা এক পাশ থেকে ১৮তম ওভার পর্যন্ত লড়াই করে সাইফ হাসানের ৬৯ রানের ইনিংস কোনো কাজে আসেনি। ভারতের কাছে ৪১ রানের বড় ব্যবধানেই হেরেছে বাংলাদেশ।
এই জয়ের ফলে এশিয়া কাপের ফাইনালেও পৌঁছে গেছে ভারত। এখন বাংলাদেশ আর পাকিস্তানকে লড়াই করতে হবে ফাইনালের দ্বিতীয় দল হওয়ার জন্য। পরের ম্যাচে মুখোমুখি এ দুই দলের লড়াই তাই এশিয়া কাপের অঘোষিত সেমিফাইনালে পরিণত হলো।
বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সুপার ফোরে দুই দলেরই দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও ভারত। টসে জিতে বোলিং বেছে নেওয়ার পর ওপেনারদের ঝড়ের পরও ভারতকে ১৬৮ রানে বেঁধে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের বোলাররা। তবে আরও অনেক ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও ব্যাটারদের নিদারুণ ব্যর্থতায় বড় পরাজয় সঙ্গী হলো বাংলাদেশের।
১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই জাসপ্রিত বুমরাহর শিকার হন ওপেনার তানজিদ হাসান। ৩ বলে মাত্র ১ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ হোসেন ইমনকে সঙ্গী করে ৩০ বলে ৪২ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার সাইফ হাসান। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে কুলদীপ যাদবের বলে আউট হয়ে যান ইমন। ১৯ বলে ২১ রান করেছিলেন তিনি।
বাংলাদেশের ব্যাটিং ইনিংসে এর পরের অংশ কেবল এক পাশ থেকে সাইফ হাসানের নিঃসঙ্গ শেরপার মতো লড়াইয়ের গল্প। একদিকে যেমন উইকেটে টিকে ছিলেন তিনি, অন্যদিকে ব্যাটও চালিয়ে গেছেন সপাটে। অন্য পাশ থেকে আর একজন ব্যাটারও তাকে ন্যূনতম সঙ্গ দিয়ে যেতে পারেননি।
১০ বলে ৭ করে আউট হয়েছেন শ্রীলংকা ম্যাচের দুর্দান্ত ব্যাটিং করা তাওহীদ হৃদয়। ৩ বল খেলে কোনো রান না করেই আউট শামীম হোসেন। ইনজুরির কারণে এ ম্যাচ না খেলা লিটন দাসের পরিবর্তে অধিনায়কত্বের আর্ম ব্যান্ড পরা জাকের আলী করেছেন ৫ বলে ৪ রান।
টুর্নামেন্টে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনও করেছেন ৪ রান, বল খেলেছেন ৭টি। ৩ বলে ২ রান করে আউট হয়েছেন রিশাদ হোসেন। তানজিম হাসান সাকিব বোল্ড হয়ে গেছেন প্রথম বলেই। শেষ ব্যাটার হিসেবে ১১ বলে ৬ রান করে আউট হয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। নাসুম অপরাজিত ছিলেন ৪ বলে ৪ রান করে।
সব ব্যাটারের যাওয়া-আসার মিছিলে একমাত্র ব্যতিক্রম সাইফ হাসান। আস্কিং রান রেটের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই রান সংগ্রহ করে যাচ্ছিলেন তিনি। ৩৬ বলে অর্ধশত রান পূরণ করেন তিনি। পরের দিকে অবশ্য অন্য ব্যাটারদের ‘আত্মাহুতি’র প্রভাবে তার রানের গতিও কিছুটা কমে গেছে। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে নবম ব্যাটার হিসেবে যখন আউট হয়ে যান তখন তার নামের পাশে ৫১ বলে ৬৯ রান। তিনটি বাউন্ডারির সঙ্গে তিনি হাঁকিয়েছেন পাঁচটি ছক্কা।
শেষ পর্যন্ত ২০তম ওভারের তৃতীয় বলে ১২৭ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশের ইনিংস। দল হেরেছে ৪১ রানে।
ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সফলতম কুলদীপ যাদব। সমান ওভারে সমান রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন বুমরাহ। বরুণ চক্রবর্তীও নিয়েছেন দুটি উইকেট, ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়েছেন তিনি। একটি করে উইকেট নিয়েছেন অক্ষর প্যাটেল ও তিলক ভার্মা।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দুই ওপেনারের ঝোড়ো গতির সূচনায় বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে ভারত। পাওয়ারপ্লেতে আসে ৭২ রান। এরপর বাংলাদেশি বোলাররা কিছুটা চেপে ধরেন ভারতীয় ব্যাটারদের। প্রথম ১০ ওভারে ৯৬ তুলে ফেলা ভারত শেষ ১০ ওভারে তুলতে পারে মাত্র ৭২ রান। তাতে তাদের ইনিংস শেষ হয় ১৬৮ রানে।
ভারতের পক্ষে ওপেনার অভিষেক শর্মা ৩৭ বলে ২০০ প্লাস স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৭৫ রান। এ ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন। ১৯ বলে ২৯ করেছেন আরেক ওপেনার শুভমান গিল। শেষের দিকে ২৯ বলে ৩৮ করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। অক্ষর প্যাটেল ১০ রান করলেও তার জন্য ১৫ বল খেলতে হয় তার। শিভাব দুবে, সূর্যকুমার আর তিলক ভার্সা এক অঙ্কে আউট হয়েছেন।
৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বাংলাদেশি বোলার রিশাদ হোসেন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মোস্তাফিজ, তানজিম সাকিব ও সাইফুদ্দিন। তবে উইকেট না পেলেও ২ ওভারে ৭ রান দিয়ে ভারতের সংগ্রহ বেঁধে রাখতে ভূমিকা রেখেছেন পার্টটাইমার সাইফ হাসান।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৫ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে