
ক্রীড়া প্রতিবেদক

ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুইবারের শিরোপাজয়ী বাংলাদেশ এবার হ্যাটট্রিক মিশনে নামছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে মাঠে নামবে মারিয়া মান্দার দল।
ভারতের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ। ২০১৬ সালের পর এবারই প্রথম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও তাদের ইউটিউব চ্যানেল।

২০২২ ও ২০২৪ সালে শিরোপা জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য পূরণ থেকে এখন মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছে দলটি। তবে এবারের আসরে গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে ৩-০ গোলে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতাও রয়েছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের।
তবু চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। অধিনায়ক মারিয়া মান্দা বলেছেন, ‘মানসিকভাবে আমরা সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছি। সামনে যাই আসুক, সেটি মোকাবিলা করতে হবে। এই সুযোগ আমরা অর্জন করেছি, তাই মাঠে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ম্যাচের বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে আমরা ভাবছি না। পুরো মনোযোগ ম্যাচ ও পারফরম্যান্সে।’
শিরোপার লড়াইয়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন তারা। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ভারত গ্রুপ পর্বেই করেছে ১৪ গোল এবং এখনো কোনো গোল হজম করেনি। তবে সর্বশেষ দুই আসরে ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। সেই দুইবারই নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
ফাইনালের আগে গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার ও অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। পরে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে দুই দলের কোচ ও অধিনায়ক উপস্থিত ছিলেন।
ফাইনালে ওঠার পরও আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ দেখছেন না বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা ফাইনালে উঠেছি। হ্যাঁ, এটুকুই। আমার শুধু এটাই বলার আছে যে আমরা ফাইনালে।’
ফলাফলকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বাটলার বলেন, ‘যখন আপনি প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে খেলেন, তখন সুন্দর ফুটবল খেলার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো জয় নিশ্চিত করা। অনেক বড় বড় দলও সেমিফাইনাল বা ফাইনালের পথে সব সময় সেরা ফুটবল খেলে না, বরং পরিস্থিতি সামলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করাটাই আসল।’
মাঠের ভেতর ও বাইরের নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে দলের ফাইনালে ওঠাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন এই ব্রিটিশ কোচ। তিনি বলেন, ‘মাঠের ভেতরে ও বাইরে আমাদের অনেক সমস্যা এবং ইনজুরি ছিল, কিন্তু তারপরও আমরা এমন ফলাফল এনেছি যা অনেকে আশা করেনি। মেয়েরা অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা ও মানসিক শক্তির পরিচয় দিয়েছে। আর এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
দলই বড়, সুপারস্টার নয়
বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসা ঋতুপর্ণা চাকমা। তবে কোনো ব্যক্তিনির্ভর ফুটবলে বিশ্বাস করেন না বাটলার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো সুপারস্টার নিয়ে কাজ করি না। আমি দলকে সব সময় বিনয়ী ও নম্র থাকতে বলি এবং ধাপে ধাপে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে শেখাই।’
চলতি টুর্নামেন্টে একাদশ নির্বাচনে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা বাটলার ফাইনালেও প্রয়োজন অনুযায়ী কৌশল বদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা সেমিফাইনাল ও ফাইনালের কথা মাথায় রেখেই ধাপে ধাপে এগিয়েছি এবং বিভিন্ন দল সাজিয়েছি। আমি প্রয়োজনে দ্রুত খেলোয়াড় পরিবর্তন করতে ভয় পাই না, কারণ আমাদের এমন খেলোয়াড় দরকার, যারা মাঠের খেলায় তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।’
ভারতের রক্ষণ ভাঙতে আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত কোনো গোল না খাওয়া ভারতের রক্ষণভাগকে ভাঙতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চায় বাংলাদেশ। ফাইনালকে ‘জীবন-মরণ’ লড়াই আখ্যা দিয়ে বাটলার বলেন, “এটি ফাইনাল ম্যাচ, আমাদের জন্য এটি ‘জীবন-মরণ’ লড়াই। আমাদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি ভারতের রক্ষণভাগ আমরা ভাঙতে পারব। শুরুতে আমরা কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারলে ম্যাচের চিত্র বদলে যেতে পারে।”
বাংলাদেশের সামনে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ দেখছেন এই কোচ। গতকাল সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি বলেন, ‘আমার সত্যিই মনে হচ্ছে যে আগামীকাল আমাদের সামনে আবারও নতুন ইতিহাস গড়ার একটি বড় সুযোগ রয়েছে। আমি আমার ক্যারিয়ারে অনেক বড় বড় ফাইনাল খেলেছি এবং সেই অভিজ্ঞতা যদি এই মেয়েদের কাজে লাগে, তবে সেটি একটি চমৎকার বিষয় হবে।’

ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুইবারের শিরোপাজয়ী বাংলাদেশ এবার হ্যাটট্রিক মিশনে নামছে। আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে ফাইনালে মাঠে নামবে মারিয়া মান্দার দল।
ভারতের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ। ২০১৬ সালের পর এবারই প্রথম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত। ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও তাদের ইউটিউব চ্যানেল।

২০২২ ও ২০২৪ সালে শিরোপা জয়ের পর টানা তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে টুর্নামেন্টে অংশ নেয় বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্য পূরণ থেকে এখন মাত্র এক ধাপ দূরে রয়েছে দলটি। তবে এবারের আসরে গ্রুপ পর্বে ভারতের কাছে ৩-০ গোলে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতাও রয়েছে লাল-সবুজ প্রতিনিধিদের।
তবু চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ। অধিনায়ক মারিয়া মান্দা বলেছেন, ‘মানসিকভাবে আমরা সব ধরনের পরিস্থিতির জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছি। সামনে যাই আসুক, সেটি মোকাবিলা করতে হবে। এই সুযোগ আমরা অর্জন করেছি, তাই মাঠে সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। ম্যাচের বাইরের কোনো বিষয় নিয়ে আমরা ভাবছি না। পুরো মনোযোগ ম্যাচ ও পারফরম্যান্সে।’
শিরোপার লড়াইয়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল ভারত। রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন তারা। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত অপরাজিত থাকা ভারত গ্রুপ পর্বেই করেছে ১৪ গোল এবং এখনো কোনো গোল হজম করেনি। তবে সর্বশেষ দুই আসরে ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। সেই দুইবারই নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
ফাইনালের আগে গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার ও অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। পরে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে দুই দলের কোচ ও অধিনায়ক উপস্থিত ছিলেন।
ফাইনালে ওঠার পরও আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ দেখছেন না বাংলাদেশ কোচ পিটার বাটলার। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা ফাইনালে উঠেছি। হ্যাঁ, এটুকুই। আমার শুধু এটাই বলার আছে যে আমরা ফাইনালে।’
ফলাফলকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে বাটলার বলেন, ‘যখন আপনি প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে খেলেন, তখন সুন্দর ফুটবল খেলার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো জয় নিশ্চিত করা। অনেক বড় বড় দলও সেমিফাইনাল বা ফাইনালের পথে সব সময় সেরা ফুটবল খেলে না, বরং পরিস্থিতি সামলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করাটাই আসল।’
মাঠের ভেতর ও বাইরের নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে দলের ফাইনালে ওঠাকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন এই ব্রিটিশ কোচ। তিনি বলেন, ‘মাঠের ভেতরে ও বাইরে আমাদের অনেক সমস্যা এবং ইনজুরি ছিল, কিন্তু তারপরও আমরা এমন ফলাফল এনেছি যা অনেকে আশা করেনি। মেয়েরা অসাধারণ চারিত্রিক দৃঢ়তা ও মানসিক শক্তির পরিচয় দিয়েছে। আর এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
দলই বড়, সুপারস্টার নয়
বাংলাদেশ দলের অন্যতম ভরসা ঋতুপর্ণা চাকমা। তবে কোনো ব্যক্তিনির্ভর ফুটবলে বিশ্বাস করেন না বাটলার। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো সুপারস্টার নিয়ে কাজ করি না। আমি দলকে সব সময় বিনয়ী ও নম্র থাকতে বলি এবং ধাপে ধাপে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে শেখাই।’
চলতি টুর্নামেন্টে একাদশ নির্বাচনে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা বাটলার ফাইনালেও প্রয়োজন অনুযায়ী কৌশল বদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা সেমিফাইনাল ও ফাইনালের কথা মাথায় রেখেই ধাপে ধাপে এগিয়েছি এবং বিভিন্ন দল সাজিয়েছি। আমি প্রয়োজনে দ্রুত খেলোয়াড় পরিবর্তন করতে ভয় পাই না, কারণ আমাদের এমন খেলোয়াড় দরকার, যারা মাঠের খেলায় তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।’
ভারতের রক্ষণ ভাঙতে আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত কোনো গোল না খাওয়া ভারতের রক্ষণভাগকে ভাঙতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে চায় বাংলাদেশ। ফাইনালকে ‘জীবন-মরণ’ লড়াই আখ্যা দিয়ে বাটলার বলেন, “এটি ফাইনাল ম্যাচ, আমাদের জন্য এটি ‘জীবন-মরণ’ লড়াই। আমাদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি ভারতের রক্ষণভাগ আমরা ভাঙতে পারব। শুরুতে আমরা কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করতে পারলে ম্যাচের চিত্র বদলে যেতে পারে।”
বাংলাদেশের সামনে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ দেখছেন এই কোচ। গতকাল সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি বলেন, ‘আমার সত্যিই মনে হচ্ছে যে আগামীকাল আমাদের সামনে আবারও নতুন ইতিহাস গড়ার একটি বড় সুযোগ রয়েছে। আমি আমার ক্যারিয়ারে অনেক বড় বড় ফাইনাল খেলেছি এবং সেই অভিজ্ঞতা যদি এই মেয়েদের কাজে লাগে, তবে সেটি একটি চমৎকার বিষয় হবে।’

পর্তুগিজ এই কোচের মতে, কোনো ফাউল হয়ে থাকলে সেটি খেলা চলাকালীনই নির্ধারণ করা উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর ভিডিও প্রযুক্তির সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তা বাতিল করা ফুটবলের স্বাভাবিক ধারার সঙ্গে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
৩ দিন আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার পর এবার সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট— দুটিই করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে রেকর্ডগড়া এই ম্যাচেই পেনাল্টি মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত নজিরও গড়েছেন তিনি।
৩ দিন আগে
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
৩ দিন আগে
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
৩ দিন আগে