
ক্রীড়া ডেস্ক

জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে ধরাশায়ী হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটাও হয়েছিল হেরে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় ম্যাচের পর শেষ ম্যাচেও জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট-ওয়ানডেতে হেরে টি-টোয়েন্টিতে সান্ত্বনার জয় নিয়ে দেশে ফিরছে তাওহীদ হৃদয়ের দল।
রোববার (১৯ জুলাই) বুলাওয়েতে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের ৭ উইকেটে ১৪৩ রানে আটকে রাখে টাইগার বোলাররা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনার পরও তৈরি হয় শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে তারা।
জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৯ রান। হাতে তখনো ৭ উইকেট। সেখানেই দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ের শুরু। ১৯তম ওভারে মাত্র ৪ রান দেন রিচার্ড এনগারাভা, উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন ইয়াসির আলীকে।
শেষ ওভারে গিয়ে বাংলাদেশের দরকার পড়ে ৫ রান। ব্র্যাড ইভান্সের প্রথম বলে ১ রান নেন ওপেনার তানজিদ তামিম। দ্বিতীয় বলে মারতে গিয়ে বলের লাইন মিস করে বোল্ড হন মোসাদ্দেক হোসেন, তৃতীয় বলে ছক্কার আশায় ব্যাট চালিয়ে ডি মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ তুলে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
তখন বাংলাদেশের জন্য সমীকরণ— ৩ বলে প্রয়োজন ৪ রান, হাতে ৩ উইকেট। ইভান্সের হ্যাটট্রিক বলটি ছিল দারুণ। শেখ মেহেদী হাসানের পায়েও লেগেছিল, মনে হচ্ছিল এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়েই গেছেন। কিন্তু ফিল্ডারদের নড়াচড়ার কারণে বল রিলিজের মুহূর্তেই ডেড বল ঘোষণা করেন আম্পায়ার। বিপদের হাত থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।
পরের বলটিই ছিল লো ফুলটস। জিম্বাবুয়ের ফিল্ডিং ছিল আক্রমণাত্মক। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ফিল্ডারদের ৩০ গজ বৃত্তের মধ্যেই রেখেছিলেন বেশি। লো ফুলটস বলটি মেহেদি কাভারের ওপর দিয়ে তুলে মারলে তা সীমানা পেরিয়ে যেতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
ইনিংসের শুরুটাও ছিল এমনই বাজে। পঞ্চম বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। তবে এক প্রান্তে অবিচল থেকে আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ ইমনের সঙ্গে গড়েন ৪৭ বলে ৫৫ রানের জুটি। এরপর তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ৪৪ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। তাতে শেষের দিককার নাটকীয়তা সত্ত্বেও আসে জয়।
ব্যাটারদের মধ্যে পারভেজ ইমন করেন ২২ বলে ২৪ রান, তাওহীদ হৃদয় করেন ১৯ বলে ২৪ রান। ৯ বলে ১০ করেছিলেন ইয়াসির আলী। আর এক প্রান্তে অপরাজিত থেকে দলকে জেতানো তানজিদ তামিম করেন ৫৮ বলে ৬৬ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১৪০ রান করে সিরিজসেরার পুরস্কারও তিনিই তুলে নিয়েছেন।
এর আগে জিম্বাবুয়ে ব্যাটিংয়ে নামলে দলীয় ৬ রানেই ওপেনিং জুটি ভাঙেন বাংলাদেশের স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান, টাডিওয়ানাশে মারুমানিকে আউট করেন ইয়াসির আলীর ক্যাচ বানিয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স মিলে ৫৫ বলে ৭১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন।
দলীয় ৭৭ রানে ব্যক্তিগত ৩৮ বলে ৪৭ রানে থামেন বেনেট। এরপর ওয়ান ডাউনে নামা জিম্বাবুয়ের ডিওন মায়ার্স ছাড়া জিম্বাবুয়ের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। এক প্রান্ত থেকে একাই লড়েন মায়ার্স। ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে তিনি করেন ৭৩ রান। তার ইনিংসের ওপর ভর করেই জিম্বাবুয়ের রান ১৪০ পার হয়।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন। কোনো উইকেট না পেলেও তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে জিম্বাবুয়েকে বেঁধে রাখতে ভূমিকা রাখেন।
এ ম্যাচে জয়ের ফলে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এর আগে তারা ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল একই ব্যবধানে। আর দুই দলের মধ্যে একমাত্র টেস্টেও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে ধরাশায়ী হয়েছিল বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটাও হয়েছিল হেরে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় ম্যাচের পর শেষ ম্যাচেও জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। টেস্ট-ওয়ানডেতে হেরে টি-টোয়েন্টিতে সান্ত্বনার জয় নিয়ে দেশে ফিরছে তাওহীদ হৃদয়ের দল।
রোববার (১৯ জুলাই) বুলাওয়েতে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের ৭ উইকেটে ১৪৩ রানে আটকে রাখে টাইগার বোলাররা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভালো সূচনার পরও তৈরি হয় শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিয়েছে তারা।
জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৯ রান। হাতে তখনো ৭ উইকেট। সেখানেই দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ের শুরু। ১৯তম ওভারে মাত্র ৪ রান দেন রিচার্ড এনগারাভা, উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন ইয়াসির আলীকে।
শেষ ওভারে গিয়ে বাংলাদেশের দরকার পড়ে ৫ রান। ব্র্যাড ইভান্সের প্রথম বলে ১ রান নেন ওপেনার তানজিদ তামিম। দ্বিতীয় বলে মারতে গিয়ে বলের লাইন মিস করে বোল্ড হন মোসাদ্দেক হোসেন, তৃতীয় বলে ছক্কার আশায় ব্যাট চালিয়ে ডি মিডউইকেটে সহজ ক্যাচ তুলে দেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
তখন বাংলাদেশের জন্য সমীকরণ— ৩ বলে প্রয়োজন ৪ রান, হাতে ৩ উইকেট। ইভান্সের হ্যাটট্রিক বলটি ছিল দারুণ। শেখ মেহেদী হাসানের পায়েও লেগেছিল, মনে হচ্ছিল এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়েই গেছেন। কিন্তু ফিল্ডারদের নড়াচড়ার কারণে বল রিলিজের মুহূর্তেই ডেড বল ঘোষণা করেন আম্পায়ার। বিপদের হাত থেকে বেঁচে যায় বাংলাদেশ।
পরের বলটিই ছিল লো ফুলটস। জিম্বাবুয়ের ফিল্ডিং ছিল আক্রমণাত্মক। অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ফিল্ডারদের ৩০ গজ বৃত্তের মধ্যেই রেখেছিলেন বেশি। লো ফুলটস বলটি মেহেদি কাভারের ওপর দিয়ে তুলে মারলে তা সীমানা পেরিয়ে যেতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
ইনিংসের শুরুটাও ছিল এমনই বাজে। পঞ্চম বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার সাইফ হাসান। তবে এক প্রান্তে অবিচল থেকে আরেক ওপেনার তানজিদ তামিম দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ ইমনের সঙ্গে গড়েন ৪৭ বলে ৫৫ রানের জুটি। এরপর তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে ৪৪ বলে ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। তাতে শেষের দিককার নাটকীয়তা সত্ত্বেও আসে জয়।
ব্যাটারদের মধ্যে পারভেজ ইমন করেন ২২ বলে ২৪ রান, তাওহীদ হৃদয় করেন ১৯ বলে ২৪ রান। ৯ বলে ১০ করেছিলেন ইয়াসির আলী। আর এক প্রান্তে অপরাজিত থেকে দলকে জেতানো তানজিদ তামিম করেন ৫৮ বলে ৬৬ রান। ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১৪০ রান করে সিরিজসেরার পুরস্কারও তিনিই তুলে নিয়েছেন।
এর আগে জিম্বাবুয়ে ব্যাটিংয়ে নামলে দলীয় ৬ রানেই ওপেনিং জুটি ভাঙেন বাংলাদেশের স্পিনার শেখ মেহেদী হাসান, টাডিওয়ানাশে মারুমানিকে আউট করেন ইয়াসির আলীর ক্যাচ বানিয়ে। দ্বিতীয় উইকেটে আরেক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স মিলে ৫৫ বলে ৭১ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন।
দলীয় ৭৭ রানে ব্যক্তিগত ৩৮ বলে ৪৭ রানে থামেন বেনেট। এরপর ওয়ান ডাউনে নামা জিম্বাবুয়ের ডিওন মায়ার্স ছাড়া জিম্বাবুয়ের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। এক প্রান্ত থেকে একাই লড়েন মায়ার্স। ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে তিনি করেন ৭৩ রান। তার ইনিংসের ওপর ভর করেই জিম্বাবুয়ের রান ১৪০ পার হয়।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। একটি করে উইকেট নিয়েছেন শেখ মেহেদী, রিশাদ হোসেন ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন। কোনো উইকেট না পেলেও তাসকিন আহমেদ ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে জিম্বাবুয়েকে বেঁধে রাখতে ভূমিকা রাখেন।
এ ম্যাচে জয়ের ফলে ২-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এর আগে তারা ওয়ানডে সিরিজ হেরেছিল একই ব্যবধানে। আর দুই দলের মধ্যে একমাত্র টেস্টেও ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।

স্বীকার করে নিলেন, যোগ্য দল হিসেবে ভালো খেলেই বিশ্বকাপ জিতেছে স্পেন। আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ নিয়েও স্কালোনি জানালেন অনিশ্চয়তার কথা। বললেন, আবার এমন একটি দল আবার গঠন করা কঠিন কাজ। নিজের মেয়াদ পূর্ণ করার কথা জানালেও দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে বলেই জানালেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
টুর্নামেন্টে রেকর্ড ১০টি গোল করে টানা দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট নিজের করে নিলেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে, লিওনেল মেসিকে এবারও সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে ৮ গোল নিয়ে সিলভার বুটেই।
৭ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০০৮ সালে ইউরো জয়ের দুই বছর পর ২০১০ সালেও তারা বিশ্বকাপ জিতে একই কীর্তি গড়েছিল।
১০ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল পেয়েছেন স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রি। সেই সঙ্গে স্পেনে গেছে সেরা গোলরক্ষক আর সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়েরর আরও দুই ব্যক্তিগত পুরস্কার। সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।
১৫ ঘণ্টা আগে