
ক্রীড়া ডেস্ক

নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে স্পেনের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না উরুগুয়ের। কিন্তু মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার এক শিশুতোষ ভুলের খেসারত দিয়ে ১-০ গোলে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিদের।
ম্যাচের ৪২তম মিনিটে স্পেনের পক্ষে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেন আলেক্স বায়েনা। তার নেওয়া তুলনামূলক একটি সহজ শট সামলাতে গিয়ে অবিশ্বাস্য ব্যর্থতার পরিচয় দেন ৪০ পেরোনো উরুগুয়েন গোলরক্ষক মুসলেরা। বল তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় স্পেন। আর সেই এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
গোল হজমের পরপরই ক্ষুব্ধ কোচ মার্সেলো বিয়েলসা মুসলেরাকে মাঠ থেকে তুলে সের্হিও রোচেতকে নামালেও ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতেও মুসলেরা একই রকম ভুল করেছিলেন। তা সত্ত্বেও এমন মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁকে প্রথম একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের জন্য আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়ায়।
অথচ পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে ঢের এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণ করলেও প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে গিয়ে কার্যকর পরিকল্পনার অভাব স্পষ্ট ছিল তাদের। ফলে বহু চেষ্টা করেও স্পেনের জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি উরুগুয়ের ফরোয়ার্ডরা।
এই হারের ফলে তিন ম্যাচে মাত্র দুই পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল উরুগুয়ে। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচেও কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয়েছিল দলটি। উরুগুয়ের বিদায়ের ফলে তিনটি ড্রয়ে ৩ পয়েন্ট পাওয়া কেপ ভার্দে টেবিলের দুই নম্বরে থেকে নকআউটের দৌড়ে টিকে রইল। অথচ স্পেনের বিপক্ষে আজ একটি ড্র করতে পারলেও গোলব্যবধানে কেপ ভার্দেকে পেছনে ফেলে শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে পারত উরুগুয়ে। এমনকি গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর সেরা চারটির একটি হয়ে যে পরের পর্বে যাবে, সেই সুযোগও হাতছাড়া হলো উরুগুয়ের। কারণ অন্য গ্রুপগুলোতে ইতোমধ্যে আটটির বেশি দল অন্তত তিন পয়েন্ট অর্জন করে ফেলেছে।
অন্যদিকে, উরুগুয়েকে হারিয়ে সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দাপটের সঙ্গেই নকআউটে উঠেছে স্পেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর টানা দুই জয় তুলে নিয়ে নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই প্রমাণ করেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। তবে শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
ম্যাচের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠার বদলে উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে কেবল হতাশা ও অস্থিরতাই ফুটে উঠেছে। বদলি খেলোয়াড় আগুস্তিন ক্যানোবিও মেজাজ হারিয়ে কার্ড দেখেন। আর রেফারি শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন উরুগুয়ের ফুটবলাররা। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন ট্র্যাজিক বিদায় ফুটবল ইতিহাসে দীর্ঘদিন দাগ কেটে থাকবে।

নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে স্পেনের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না উরুগুয়ের। কিন্তু মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার এক শিশুতোষ ভুলের খেসারত দিয়ে ১-০ গোলে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিদের।
ম্যাচের ৪২তম মিনিটে স্পেনের পক্ষে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেন আলেক্স বায়েনা। তার নেওয়া তুলনামূলক একটি সহজ শট সামলাতে গিয়ে অবিশ্বাস্য ব্যর্থতার পরিচয় দেন ৪০ পেরোনো উরুগুয়েন গোলরক্ষক মুসলেরা। বল তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় স্পেন। আর সেই এক গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
গোল হজমের পরপরই ক্ষুব্ধ কোচ মার্সেলো বিয়েলসা মুসলেরাকে মাঠ থেকে তুলে সের্হিও রোচেতকে নামালেও ততক্ষণে বড্ড দেরি হয়ে গেছে। টুর্নামেন্টের আগের ম্যাচগুলোতেও মুসলেরা একই রকম ভুল করেছিলেন। তা সত্ত্বেও এমন মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাঁকে প্রথম একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত উরুগুয়ের জন্য আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়ায়।
অথচ পুরো ম্যাচজুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে ঢের এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণ করলেও প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে গিয়ে কার্যকর পরিকল্পনার অভাব স্পষ্ট ছিল তাদের। ফলে বহু চেষ্টা করেও স্পেনের জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি উরুগুয়ের ফরোয়ার্ডরা।
এই হারের ফলে তিন ম্যাচে মাত্র দুই পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল উরুগুয়ে। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচেও কেপ ভার্দে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে ব্যর্থ হয়েছিল দলটি। উরুগুয়ের বিদায়ের ফলে তিনটি ড্রয়ে ৩ পয়েন্ট পাওয়া কেপ ভার্দে টেবিলের দুই নম্বরে থেকে নকআউটের দৌড়ে টিকে রইল। অথচ স্পেনের বিপক্ষে আজ একটি ড্র করতে পারলেও গোলব্যবধানে কেপ ভার্দেকে পেছনে ফেলে শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে পারত উরুগুয়ে। এমনকি গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর সেরা চারটির একটি হয়ে যে পরের পর্বে যাবে, সেই সুযোগও হাতছাড়া হলো উরুগুয়ের। কারণ অন্য গ্রুপগুলোতে ইতোমধ্যে আটটির বেশি দল অন্তত তিন পয়েন্ট অর্জন করে ফেলেছে।
অন্যদিকে, উরুগুয়েকে হারিয়ে সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে দাপটের সঙ্গেই নকআউটে উঠেছে স্পেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর টানা দুই জয় তুলে নিয়ে নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই প্রমাণ করেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। তবে শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ কে হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত হয়নি।
ম্যাচের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠার বদলে উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে কেবল হতাশা ও অস্থিরতাই ফুটে উঠেছে। বদলি খেলোয়াড় আগুস্তিন ক্যানোবিও মেজাজ হারিয়ে কার্ড দেখেন। আর রেফারি শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়েন উরুগুয়ের ফুটবলাররা। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের এমন ট্র্যাজিক বিদায় ফুটবল ইতিহাসে দীর্ঘদিন দাগ কেটে থাকবে।

দেশের তৃণমূল পর্যায়ের ক্রীড়াঙ্গনে জোয়ার তুলতে আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুনকুঁড়ি স্পোর্টসে’র দ্বিতীয় মৌসুমের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম। আজ (২৬ জুন) শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিং পুলে আয়োজিত আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় সাঁতার প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুব ও
১ দিন আগে
তুরস্ককে হারিয়ে তিন পয়েন্ট নিয়ে ম্যাচে নেমেছিল দুই দলই। ফলে জয় পেলেই দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে নকআউটে ওঠার সুযোগ ছিল উভয়ের সামনে।
১ দিন আগে
বিশ্বকাপে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প ছিল না ইকুয়েডরের সামনে। তবে ম্যাচের শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে তারা। দ্বিতীয় মিনিটে লেরয় সানের গোলে এগিয়ে যায় জার্মানি।
১ দিন আগে
আর্লিংটনে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দলই জয় খুঁজলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে।
১ দিন আগে