
ক্রীড়া ডেস্ক

ফিফার সঙ্গে ইউরোপ ও উত্তর-মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের ফুটবল কর্তাদের টানাপোড়েন এবার নতুন মাত্রা পেল। ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সংস্থা কনকাকাফ ৯৬টি দেশকে নিয়ে একটি যৌথ ন্যাশনস লিগ আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
পরিকল্পনাটি বাস্তব রূপ পেলে ২০২৮ সাল থেকেই নতুন এ প্রতিযোগিতা মাঠে গড়াতে পারে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই দুই সংস্থার এই উদ্যোগকে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার ফিফার বাতিল হয়ে যাওয়া পরিকল্পনার বিরোধিতায় উয়েফা ও কনকাকাফ একজোট হয়েছিল। এখন তারা নিজেদের যৌথ প্রতিযোগিতার কাঠামো নিয়েও কাজ করছে।
খবরে বলা হয়েছে, আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে। তবে প্রস্তাবিত টুর্নামেন্টটি উয়েফা ও কনকাকাফের বর্তমান ন্যাশনস লিগের আদলে বহু স্তরের লিগ কাঠামোয় হতে পারে। এরপর থাকবে নকআউট পর্ব ও চার দলের ফাইনাল পর্ব। শীর্ষ স্তরের লিগে স্পেন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, জার্মানির মতো ইউরোপের দলগুলোর সঙ্গে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মতো কনকাকাফের শীর্ষ দলগুলো মুখোমুখি হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, লিগ পর্বের ম্যাচগুলো হবে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরের নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বিরতিতে। নকআউট পর্ব হতে পারে মার্চে। আর জুনে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল পর্ব। নতুন প্রতিযোগিতাটি আলাদা করে আন্তর্জাতিক ম্যাচ বাড়াবে না, বরং বিদ্যমান সূচির জায়গাতেই এটি আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ভ্রমণের চাপ কমাতে ম্যাচগুলো ভৌগোলিক ব্লক অনুযায়ী আয়োজনের কথাও ভাবা হচ্ছে।
৯৬টি দেশের সবাই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। কোন লিগে কতটি দল থাকবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে আয়ের বড় অংশ যৌথভাবে ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা থাকায় ছোট দেশগুলোর ফুটবলও আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপের বড় দলগুলোর উত্তর আমেরিকায় নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও বড়।
এ আয়োজন নিয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে মেক্সিকোর। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন কনকাকাফে খেলার আর্থিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তুষ্ট এবং দক্ষিণ আমেরিকার সংস্থা কনমেবলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছে। যদিও সে জন্য ফিফার অনুমোদন প্রয়োজন, ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত লাভজনক ম্যাচ খেলার সুযোগ মেক্সিকোর অবস্থান বদলাতে পারে।
ভবিষ্যতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও এই বৈশ্বিক ন্যাশনস লিগে যোগ দিতে পারে। এএফসি এখনো নিজস্ব ন্যাশনস লিগ পরিচালনা করে না, তাই সেটি হবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
উয়েফা ও কনকাকাফের সহযোগিতা অবশ্য নতুন নয়। গত এপ্রিলে ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কংগ্রেসের সময় তারা আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছিল। তবে ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা সামনে আসার পর তাদের ঐক্য আরও দৃঢ় হয়।
দুই সংস্থাই ইনফান্তিনোর অবস্থানকে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে এবং আগামী মার্চের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে তার বিপক্ষে বিকল্প প্রার্থী দাঁড় করানোর বিষয়েও একসঙ্গে কাজ করছে। ফলে যৌথ ন্যাশনস লিগের উদ্যোগটি শুধু নতুন একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা নয়, বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়েও বড় বার্তা।

ফিফার সঙ্গে ইউরোপ ও উত্তর-মধ্য আমেরিকা অঞ্চলের ফুটবল কর্তাদের টানাপোড়েন এবার নতুন মাত্রা পেল। ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা এবং উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সংস্থা কনকাকাফ ৯৬টি দেশকে নিয়ে একটি যৌথ ন্যাশনস লিগ আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে।
পরিকল্পনাটি বাস্তব রূপ পেলে ২০২৮ সাল থেকেই নতুন এ প্রতিযোগিতা মাঠে গড়াতে পারে। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই দুই সংস্থার এই উদ্যোগকে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বে বেসরকারি বিনিয়োগ আনার ফিফার বাতিল হয়ে যাওয়া পরিকল্পনার বিরোধিতায় উয়েফা ও কনকাকাফ একজোট হয়েছিল। এখন তারা নিজেদের যৌথ প্রতিযোগিতার কাঠামো নিয়েও কাজ করছে।
খবরে বলা হয়েছে, আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে। তবে প্রস্তাবিত টুর্নামেন্টটি উয়েফা ও কনকাকাফের বর্তমান ন্যাশনস লিগের আদলে বহু স্তরের লিগ কাঠামোয় হতে পারে। এরপর থাকবে নকআউট পর্ব ও চার দলের ফাইনাল পর্ব। শীর্ষ স্তরের লিগে স্পেন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, জার্মানির মতো ইউরোপের দলগুলোর সঙ্গে মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মতো কনকাকাফের শীর্ষ দলগুলো মুখোমুখি হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, লিগ পর্বের ম্যাচগুলো হবে সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরের নির্ধারিত আন্তর্জাতিক বিরতিতে। নকআউট পর্ব হতে পারে মার্চে। আর জুনে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল পর্ব। নতুন প্রতিযোগিতাটি আলাদা করে আন্তর্জাতিক ম্যাচ বাড়াবে না, বরং বিদ্যমান সূচির জায়গাতেই এটি আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ভ্রমণের চাপ কমাতে ম্যাচগুলো ভৌগোলিক ব্লক অনুযায়ী আয়োজনের কথাও ভাবা হচ্ছে।
৯৬টি দেশের সবাই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। কোন লিগে কতটি দল থাকবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে আয়ের বড় অংশ যৌথভাবে ভাগ করে দেওয়ার পরিকল্পনা থাকায় ছোট দেশগুলোর ফুটবলও আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে। একই সঙ্গে ইউরোপের বড় দলগুলোর উত্তর আমেরিকায় নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলার বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও বড়।
এ আয়োজন নিয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে মেক্সিকোর। দেশটির ফুটবল ফেডারেশন কনকাকাফে খেলার আর্থিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তুষ্ট এবং দক্ষিণ আমেরিকার সংস্থা কনমেবলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছে। যদিও সে জন্য ফিফার অনুমোদন প্রয়োজন, ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে নিয়মিত লাভজনক ম্যাচ খেলার সুযোগ মেক্সিকোর অবস্থান বদলাতে পারে।
ভবিষ্যতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনও এই বৈশ্বিক ন্যাশনস লিগে যোগ দিতে পারে। এএফসি এখনো নিজস্ব ন্যাশনস লিগ পরিচালনা করে না, তাই সেটি হবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
উয়েফা ও কনকাকাফের সহযোগিতা অবশ্য নতুন নয়। গত এপ্রিলে ভ্যাঙ্কুভারে ফিফা কংগ্রেসের সময় তারা আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করেছিল। তবে ফিফার বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা সামনে আসার পর তাদের ঐক্য আরও দৃঢ় হয়।
দুই সংস্থাই ইনফান্তিনোর অবস্থানকে অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে এবং আগামী মার্চের ফিফা সভাপতি নির্বাচনে তার বিপক্ষে বিকল্প প্রার্থী দাঁড় করানোর বিষয়েও একসঙ্গে কাজ করছে। ফলে যৌথ ন্যাশনস লিগের উদ্যোগটি শুধু নতুন একটি ফুটবল প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা নয়, বিশ্ব ফুটবলের ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়েও বড় বার্তা।

জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
৬ দিন আগে