ইরানের রাডার স্টেশনে মার্কিন হামলা

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ০৬ জুন ২০২৬, ০৯: ৪৬
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দুটি রাডার স্টেশনে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, আন্তর্জাতিক নৌপথে নজরদারি চালানো ইরানের চারটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর দেশটির গোরুক ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ কূটনৈতিক আলোচনা চলমান থাকলেও, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করায় পুরো অঞ্চলে এখন বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) এই হামলার কথা জানায় তারা। খবর এএফপির।

মার্কিন সূত্র জানায়, ওই ড্রোনগুলো আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর নজরদারির উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হয়েছিল। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হতো। বর্তমানে অঞ্চলটিতে উত্তেজনার কারণে প্রণালির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে।

এদিকে চলমান সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। আলোচনায় ইরান তার তেল রপ্তানি থেকে আটকে থাকা অর্থ ফেরত, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বন্দর অবরোধ শিথিল এবং হরমুজ প্রণালিতে অধিক নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের অধিকাংশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে দেশটির হাতে এখনও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন রয়েছে।

এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক কমে এলেও তাদের হাতে এখনও কিছু ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। পরে এপ্রিলের শুরুতে সাময়িক বিরতি এলেও সাম্প্রতিক সময়ে উভয় পক্ষ আবারও একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা শুরু করেছে। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা চলমান থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর সংঘাতের আশঙ্কা আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে।

রাজনীতি/এসআর

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

আন্দোলন শেষ হয়নি, আরও দাবি রয়েছে: অভিজিৎ দিপকে

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর এই পদত্যাগ ঘটলেও সংগঠনটি বলেছে, আন্দোলন এখনো শেষ হয়নি।

১৪ ঘণ্টা আগে

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ আন্দোলনের ‘বড় সাফল্য’: অভিজিৎ দিপকে

শনিবার (২৫ জুলাই) ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর পৌঁছাতেই দিল্লির যন্তর মন্তরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন আন্দোলনকারীরা।

১৬ ঘণ্টা আগে

পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

১৬ ঘণ্টা আগে

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে অবশেষে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ

মোদি সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হলেও তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন। অবশেষে শনিবার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে চলমান আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আন্দোলনকারীরা এটিকে তাদের বড় বিজয় হিসেবে দেখছেন।

১৭ ঘণ্টা আগে